ট্যাগ প্রেমের দ্বন্দ্ব

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩৭ | মেহেদি অনুষ্ঠানে গোপন প্রেমের আভাস

মেহেদি অনুষ্ঠানে দিবা ও আহনাফের মধ্যে অদৃশ্য টান অনুভূত হয়। দিবা মিনিকে খাওয়ায়, আহনাফ চুপচাপ তাকায়। আহনাফ দিবার হাতের মেহেদি দেখে মুগ্ধ হয়, আর পারিবারিক আড্ডায় সবাই তাদের বিয়ের কথা নিয়ে মজা করে। আহনাফ একাকী চাঁদ দেখে ভাবে, দিবা তার কাছে কতটা কাছে এগিয়ে এসেছে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২৬ | আহনাফের গোপন এঙ্গেজমেন্ট ও দিবার চাঁদা তোলা

দিবা সাদাত স্যারের জন্য চাঁদা তুলতে গিয়ে নাম ভুলে যায়, আর আহনাফের গোপন এঙ্গেজমেন্টের কথা শুনে ফেলে। পিলারে রঙ লেগে হাত নষ্ট হয় তার, আর মিশকার সাথে আহনাফের কথা শুনতে গিয়ে ধরা পড়ে। সাদাত স্যারের বাসায় যাওয়ার পথে দিবা আহনাফকে ব্ল্যাকমেইল করে বাইকে উঠে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৯ | দিবার আগুনের কথা ও আহনাফের আইডি কার্ড

দিবা আহনাফের রাগে আহত হয়ে বেরিয়ে যায়, মণিতার শাশুড়ি তাকে পছন্দ করে। আদনান দিবার প্রশংসা করে। আহনাফের আইডি কার্ড মিনির মাথায় পড়ে, দিবা মন খারাপ করে বারান্দার স্বপ্ন বলে। আহনাফ কার্ডটি কেড়ে নেয়। ফিরতে দিবাকে বাইকে নিতে হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৪ | দিবার চালাকি ও আহনাফের পাঞ্জাবি

দিবা আহনাফের দেওয়া মোটা ওড়না দিয়ে তার জন্য পাঞ্জাবি বানায়, আর আরিফের দেওয়া টাকায় নিজের জন্য লাল জর্জেটের ওড়না কেনে। টেইলরের দোকানে রাতে কাজ দিয়ে পরদিন সকালে পাঞ্জাবি নেয়। আহনাফ ঘুম থেকে উঠে প্যাকেট খুলে বুঝতে পারে এটা দিবার ওড়না দিয়ে বানানো। দিবাকে জিজ্ঞাসা করতেই সে চালাকি করে উত্তর দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৩ | আহনাফের শপিং ও মিশকার ব্যর্থ আকর্ষণ

আহনাফ মিশকাকে প্রত্যাখ্যান করে শপিংমলে চলে যায়, পরিবারের জন্য পহেলা বৈশাখের উপহার কিনে। দিবার জন্য থ্রি পিস আনে, কিন্তু ওড়নাটি নিয়ে ঝগড়া হয়। মিনিকে লাল বেল্ট দেয়, আর নিজের জন্য কিছু না কেনার কষ্ট লুকিয়ে রাখে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১২ | আহনাফের চাকরির রহস্য ও মিনির অফিস যাত্রা

আহনাফ দিবার দেরির কারণ নিয়ে বিরক্ত, কিন্তু নিজের চাকরি লুকাতে ব্যস্ত। দিবা আহনাফের জামা ধুয়ে দেখায় যত্ন, আর আহনাফ মনে মনে মুগ্ধ হয়। মিনি আহনাফের সাথে অফিসে যেতে চায়, আহনাফ হাঁচি আর তাড়াহুড়োয় মানসিক চাপে। আইডি কার্ড ফেলে দিবা সন্দেহ করে, কিন্তু খালামণি বলেন আহনাফ ব্যাংকে চাকরি করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৬ | আহনাফের হাত কাটা ও দিবার ভর্তির প্রস্তুতি

আহনাফের হাত কাটার পর দিবা তাকে খাইয়ে দিতে চায়, কিন্তু আহনাফ তাকে তীব্র ভাষায় তিরস্কার করে। পরদিন সকালে আহনাফের মা ও বাবা দিবার ভর্তির ব্যবস্থা করতে চায়, আর আহনাফকে তার সাথে নিয়ে যেতে বাধ্য করে। দিবা ও আহনাফ একই রঙের পোশাক পরে মুখোমুখি হয়, আর তাদের মধ্যে টানাপোড়েন আরও গভীর হয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ১৬ | অদিতির বন্দীত্ব ও আজাদের রহস্য

অদিতি আজাদের ডেরায় বন্দী। হঠাৎ তাকে পালাতে বাধ্য করা হয়। আজাদ দাবি করে লিটন তাকে মারতে চায়। গাড়িতে বসে অদিতি শাহানের কাছে সত্য শোনে, যা তাকে ভেঙে দেয়। আজাদ আসলে রুমকিকে চায়, কিন্তু অদিতি বুঝতে পারে সেও শিকার। পেট্রল পাম্পে গুলির শব্দে চাঞ্চল্য।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ৯ | ঋভূর সিদ্ধান্ত ও রুমকির গোপন কথা

ঋভূ রুমকির ফোনে জেগে উঠে তার কান্নায় বিচলিত হয়। রুমকি আজাদের সাথে তার অতীতের কথা প্রকাশ করে, যা শুনে ঋভূ বিদ্রোহ করে ফোন কাটে। সে সিদ্ধান্ত নেয় রুমকিকে ফিরিয়ে আনবে এবং নায়লার সাথে সম্পর্ক শেষ করবে। পিজা প্যালেসে নায়লাকে সে জানায়, রুমকি ছাড়া তার জীবন অসম্পূর্ণ।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ৮ | রুমকির চলে যাওয়া ও ঋভূর বিষন্নতা

ঋভূ নায়লার সাথে কথা বলতে গিয়ে রুমকির ফোন পায় এবং জানতে পারে রুমকি আপানের সাথে চলে যাচ্ছে। বিভ্রান্ত ঋভূ রক্তদানে ব্যস্ত থাকায় বাড়ি ফেরে দেরিতে। রুমকি তখন চলে গেছে। গভীর বিষন্নতায় ভোগে সে, যাতনা পায় হারানোর ভয়ে। গত রাতের ঘনিষ্ঠতা মনে করে ভেঙে পড়ে।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ৬ | ঔষধের রহস্য ও রুমকির অপমান

ঋভূ রুমকির জন্য বার্থ কন্ট্রোল পিল আনে এবং নায়লার কথায় বিভ্রান্ত হয়ে রুমকিকে ছলনার অভিযোগ দেয়। রুমকি কষ্ট পায়, কাঁদে এবং তার সাথে কথা বন্ধ করে। পরদিন বাবার হঠাৎ স্ট্রোকে পড়ায় পরিবারে আতঙ্ক ছড়ায়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ৫ | প্রীতির বিয়ে ও রুমকির সিদ্ধান্ত

ঋভূ প্রীতির বিয়ে নিয়ে বাবা-মায়ের তাড়াহুড়োতে ক্ষুব্ধ। রুমকি তাকে এক তালাকের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং তিন মাস ইদ্দতের ঘোষণা দেয়। আপানের সরাসরি কথায় অস্বস্তিতে পড়ে ঋভূ। নায়লার সাথে দেখা করতে গিয়ে রুমকির পার্সোনাল ওষুধ কিনতে ফার্মেসিতে যায় সে, যেখানে নায়লা সন্দেহ করে।