ট্যাগ প্রেমের দ্বন্দ্ব

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৯ | ভালোবাসার স্বীকৃতি আর তোহা আপুর প্রপোজ

বিহান ভাইয়ের রাগের পর মমতার যত্ন, ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে অন্ধকারে ফোনে প্রেমের স্বীকৃতি, আর তোহা আপুর হয়ে প্রপোজের চাপে দিয়ার হৃদয়ে হিংস্র আবেগ। বিহানের অদ্ভুত ভালোবাসা আর তোহা আপুর রোজের অর্ডারের কথা শুনে দিয়ার মন ভেঙে যায়। পর্বের শেষে গোপন সিদ্ধান্ত: উনাকে কষ্ট দেওয়া হবে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৬ | চিঠির রহস্য আর বিহান ভাইয়ের রাগ

দিয়ার বালিশের নিচে পাওয়া ভালোবাসার চিঠি নিয়ে তোহা আপু সবাইকে চমকে দেয়। চিঠি পড়ার পর বিহান ভাইয়ের চোখে বিরক্তি, দিয়ার কান্না, আর বাড়ির সবাইয়ের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা। বিহান ভাইয়ের রাগের কারণ কী? চিঠি কার লেখা? রহস্য ঘিরে থাকে আবেগের এই নতুন পর্বে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৫ | মাঝরাতে ছাদে বিহানের রহস্যময় আগমন

মাঝরাতে বিহান ভাই পাশের বাসা থেকে মই বেয়ে ছাদে আসেন এবং দিয়াকে ডাকেন। পা পিষে দেওয়ার পর তার জন্য মলম আনেন, বই নিয়ে আসেন আর গভীর কথা বলে হৃদয় নাড়া দেন। তার রহস্যময় আচরণ, অদ্ভুত ভালোবাসা আর মাঝরাতের আবেগ দিয়াকে আরও বিভ্রান্ত করে তোলে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩ | কাঁচের চুড়ি ভাঙার মুহূর্ত

দিয়া বিহান ভাইয়ের কাছে কফি নিয়ে যাওয়ার সময় ভুলে ল্যাপটপে ফেলে দেয়, যার জেরে সে চড় খায়। পনেরো দিন পর বিহান ফিরে এসে তাকে কাঁচের চুড়ি দেয়, কিন্তু দিয়া রাগে চুড়িগুলো মাটিতে ছুঁড়ে ভাঙে। আবেগের এই টানাপোড়েনে ভাঙা চুড়ির মতো ভাঙছে দুজনের মন।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১ | গরমে বিরক্তির শুরু আর রহস্যময় চিরকুট

গরমে ট্রাফিক জ্যামে বিহানের সাথে দিয়ার তীব্র বচসা শুরু হয়, যেখানে সে তাকে 'কাকু' বলে ডাকে। বাড়ি ফেরার পথে বিহান তাকে বাইকে তোলে, কিন্তু রাগ জমে। রাতে ছাদে রহস্যময় চিরকুট পায় দিয়া, আর অন্ধকারে কেউ তার গালে চুমু দেয়। আলিফ নয়, তাহলে কে?

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৮ | আহনাফের জ্বর আর দিবার ভালোবাসা

দিবা আহনাফকে সবটা জানাতে চায়, কিন্তু নানা-নানুর আগমনে বাধা পায়। আহনাফ দিবার চলে যাওয়ার কথা শুনে ভেঙে পড়ে। অন্ধকারে বারান্দায় তাদের মধ্যে আবেগের মুহূর্ত ঘনিয়ে ওঠে। আহনাফ জ্বরে ভোগে, আর দিবা তাকে যত্ন করতে এসে হৃদয়ের কথা আঁচ করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৭ | রাতের কাজ আর দিবার মাথা পিঠে

আহনাফের রাতের ডিউটির শেষে দিবা তার পিঠে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। বাসায় ফেরার পর আহনাফ ক্লান্ত ঘুমিয়ে পড়ে, আর দিবা চুপিচুপি তার জ্যাকেট খুলে দেয়। সকালে আহনাফের খিদে নিয়ে মজার কথোপকথন হয়, কিন্তু দিবার মায়ের ফোনে সব বদলে যায়। সাদাত স্যারের চাপে দিবা বাবার কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, আর আহনাফ লক্ষ্য করে তার উদাস ভাব।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৬ | বারের ঈর্ষা আর দিবার হাত ধরা

দিবা বাবার সাথে যাওয়া মানা করে রুমে চলে যায়। সাদাত স্যার মৌসুমীকে ফোন করে চাপ দেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। আহনাফ দিবাকে নিয়ে বারে আসেন। মিশকার সামনে দিবা আহনাফের হাত ধরে দাবি জানায়। ঈর্ষায় জ্বলে মিশকা, আর দিবা আহনাফের কাজ দেখে মুগ্ধ হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৪ | সাদাত স্যার আমার বাবা?

দিবার খালামণি ও সাদাত স্যারের মধ্যে চেনা চেনা লাগে। স্যার চিনতে পারেন মৌ আপাকে। খালামণি জানান, দিবা মৌসুমীর মেয়ে এবং সাদাতেরই রক্ত। দিবা মাথা ঘুরে পড়ে যায়। আহনাফ তাকে সামলায়। স্যার কাঁদতে থাকেন। দিবা ঘৃণা করে তাকে। আহনাফ তাকে লেকের পাশে নিয়ে যায় মন ভালো করতে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৩ | ছাদের কথোপকথন আর শাড়িতে রান্না

ছাদে আহনাফ-দিবার গভীর কথোপকথনে উঠে আসে মায়ের বিষয়, বিয়ে আর হৃদয়ের ইশারা। আহনাফ রেশমির প্রস্তাব নাকচ করে বলে, "ঝলক মেরে ওঠে না"। পরদিন শাড়ি পরে রান্নায় দিবা পাকা গিন্নির মতো লাগে আহনাফের কাছে। ভার্সিটি আউটিংয়ে সাদাত স্যারের চেহারা দেখে খালামণি চমকে যান।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪১ | আহনাফের চা আর দিবার গোপন ভাবনা

দিবা আহনাফের জন্য চা নিয়ে আসে, কিন্তু তার গোপন ভাবনায় জাগে প্রেমের সন্দেহ। মণিতার বিয়েতে ব্যস্ত সবাই, আর দিবা আহনাফের আচরণ নিয়ে ভাবতে থাকে। বাইকে ফিরতে আহনাফের সাথে তার মজার কথোপকথন আর চায়ের কাপে গোপন ছোঁয়ায় ঘনিয়ে ওঠে আবেগ।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪০ | হলুদের অন্ধকারে আহনাফের ছোঁয়া

আদনান দিবাকে প্রোপোজ করে, কিন্তু দিবা নাকচ করে দেয়। হলুদ অনুষ্ঠানে আঁধারে আহনাফ অজান্তে তার গালে হলুদ লাগায়, যা নিয়ে দিবা বিভ্রান্ত হয়। ডিনারে আহনাফের আচরণ আরও অদ্ভুত হয়ে ওঠে, আর দিবা ভাবতে থাকে—আহনাফ কি আসলেই তাকে পছন্দ করে?