সিরিজ সবটা অন্যরকম

সবটা অন্যরকম | সূচনা পর্ব | বাসের ভিড়ে প্রথম দেখা

গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার বাসে উঠেছে এক তরুণী তার পোষা বিড়াল মিনি নিয়ে। পাশের সিটে বসেছে আহনাফ, যার বিড়ালের পশমে এলার্জি। বাসের ভিড়ে শুরু হয় দুজনের টানাপোড়েন, আর তার মাঝেই মেয়েটির মা ফোন করে অজানা মেয়ে দিবার খোঁজ দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২ | দিবার ঢাকা আগমন ও আহনাফের বিপর্যয়

সায়দাবাদ থেকে ঢাকায় আসা দিবা বাসে আহনাফের সাথে তার বিড়াল মিনি নিয়ে দুর্ভাগ্যজনিত দেখা ঘটে। মায়ের কঠোর কথায় ভেঙে পড়ে সে, আর আহনাফ তাকে ইভানের নির্দেশে বাড়ি নিয়ে আসে। বাইকে উঠতে গিয়ে দিবার পতন, মিনির আচরণে বিরক্ত আহনাফ, এবং বাসায় পৌঁছানোর পর মায়ের সাথে প্রথম দেখা—সব মিলিয়ে শুরু হয় নতুন সম্পর্কের টানাপোড়েন।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩ | মৌসুমীর গোপন সন্তান দিবা

মৌসুমী আহনাফের মাকে জানায় যে তার পাঠানো মেয়ে দিবা আসলে তার নিজের মেয়ে, যাকে সে গোপনে লালন করে এসেছে। দিবার জন্মের পেছনের ট্র্যাজিক ইতিহাস, জসিমের স্বীকারোক্তি, ইভানের অসহযোগিতা এবং ইতির বিয়ের প্রস্তাবে দিবার ভূমিকা নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। দিবা আহনাফের বাসায় আশ্রয় পায়, কিন্তু মনে মনে নিজের পরিবারকে ভাবতে থাকে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪ | আহনাফের পার্টি ও দিবার বিরক্তি

দিবা আহনাফের সাথে বারান্দায় ধাক্কা খেয়ে ঝগড়া করে। আহনাফ গোসলের পর শুধু তোয়ালে পরে বারান্দায় আসায় দিবা চিৎকার করে। পরে দিবা আহনাফের পার্টির কার্ড দেখে তাকে জাগায়, কিন্তু আহনাফ উড়িয়ে দেয়। রাতে হোয়াইটলকস্ বারে আহনাফ মাস্ক ও সানগ্লাস পরে কাজ করে, এবং এক মেয়ে তার ট্যাটু দেখে মুগ্ধ হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৫ | দিবার প্রথম রাত ও নাফির কষ্ট

দিবা আহনাফের বাসায় প্রথম রাত কাটাচ্ছে, পর্দা বানিয়ে বারান্দায় তারার দিকে চেয়ে থাকে। অন্যদিকে, নাফি বারে এক মেয়ের চাপে হাত কাটিয়ে রক্তাক্ত হয়, চাকরি বাঁচাতে বাধ্য হয় তার সাথে নাচতে। রাতে দিবা আহনাফের কাঁদতে দেখে মলম দিতে যায়, কিন্তু দরজা বন্ধ পেয়ে ফিরে আসে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৬ | আহনাফের হাত কাটা ও দিবার ভর্তির প্রস্তুতি

আহনাফের হাত কাটার পর দিবা তাকে খাইয়ে দিতে চায়, কিন্তু আহনাফ তাকে তীব্র ভাষায় তিরস্কার করে। পরদিন সকালে আহনাফের মা ও বাবা দিবার ভর্তির ব্যবস্থা করতে চায়, আর আহনাফকে তার সাথে নিয়ে যেতে বাধ্য করে। দিবা ও আহনাফ একই রঙের পোশাক পরে মুখোমুখি হয়, আর তাদের মধ্যে টানাপোড়েন আরও গভীর হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৭ | ভর্তি দিবসে আহনাফের কড়া নির্দেশ ও দিবার প্রতিরোধ

ভর্তি দিবসে আহনাফ দিবাকে নিয়ে ভার্সিটিতে আসে, কিন্তু ওড়না নিয়ে ঝগড়া হয়। দিবা হেঁটে যায় ভার্সিটিতে, আহনাফ পরীক্ষা দেয়। সেখানে এক ছেলে দিবাকে হয়রানি করতে গেলে আহনাফ হস্তক্ষেপ করে। ক্যানটিনে আহনাফ দিবার জন্য জুসের বোতল খুলে দেয়, আর বাইকে ফেরার পথে দিবা আহনাফের ঘাড়ে হাত রাখে, যা নিয়ে আবারও তকরার শুরু হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৮ | আহনাফের হাঁচি ও মিশকার ফোন

আহনাফের বিছানায় মিনি শুয়ে থাকায় দিবাকে বেড কভার বদলাতে হয়। মিশকা ফোন করে আহনাফকে বাসায় ডাকে, কিন্তু সে নাহিদকে পাঠায়। দিবা ছাদে ওড়না হারায়, আর খালামণি জানতে পারেন আহনাফের হাত কাটা গেছে। দিবা ভয় পায় আহনাফের রাগের মুখে পড়বে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৯ | আহনাফের রহস্যময় নাম ও দিবার ছাদের দুর্ঘটনা

আহনাফ বারে নাফি নামে কাজ করে, নিজের পরিচয় লুকাচ্ছে। মিশকা তাকে খুঁজে পেতে আসে। দিবা রাতে ছাদে ওড়না উদ্ধারে গিয়ে পড়ার মুখোমুখি হয়, আহনাফ তাকে বাঁচায়। দুজনে দারোয়ানের চোখে ধরা পড়ার আগে আহনাফ মদের নেশার অভিনয় করে দিবাকে পালাতে সাহায্য করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১০ | আহনাফের গোসল ও দিবার পানি ছোঁড়া

আহনাফ গোসল থেকে বেরিয়ে দরজা খুলতেই দিবা তার ভেজা শরীর দেখে হতভম্ব হয়ে হাতের পানি ছুঁড়ে মারে। আহনাফ তাকে তিরস্কার করে নতুন পানি আনতে বলে। পরদিন ভোরে দিবা নাস্তা বানায়, আহনাফ তা খেয়ে অবাক হয়। বাইকে যাওয়ার পথে ইভানের কলে দিবার মন খারাপ হয়। ভার্সিটিতে সে এক পড়ুয়া মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করে, যে তাকে পড়া নিতে জোর দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১১ | আহনাফের টেনশন ও দিবার সাদাত স্যারের প্রথম ক্লাস

আহনাফ মিশকার জ্বালায় ভার্সিটি থেকে পালায়, জিসান-পিয়াস তাকে ট্রিট দাবি করে। দিবা ক্লাসে নতুন লেকচারার অন্তিক সাদাতের সাথে পরিচিত হয়, যার নাম শুনে তার বাবার কথা মনে পড়ে। স্যারের পড়ানোয় মুগ্ধ হয় সে, কিন্তু পাশের মেয়ে তাকে তিরস্কার করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১২ | আহনাফের চাকরির রহস্য ও মিনির অফিস যাত্রা

আহনাফ দিবার দেরির কারণ নিয়ে বিরক্ত, কিন্তু নিজের চাকরি লুকাতে ব্যস্ত। দিবা আহনাফের জামা ধুয়ে দেখায় যত্ন, আর আহনাফ মনে মনে মুগ্ধ হয়। মিনি আহনাফের সাথে অফিসে যেতে চায়, আহনাফ হাঁচি আর তাড়াহুড়োয় মানসিক চাপে। আইডি কার্ড ফেলে দিবা সন্দেহ করে, কিন্তু খালামণি বলেন আহনাফ ব্যাংকে চাকরি করে।