ট্যাগ প্রেমের দ্বন্দ্ব

গজপ্রিয়া | পর্ব ৯ | গজরানি ডাকার প্রতিবাদ আর সম্রাটের হাফ হাতি মন্তব্য

সকালের ম্যাসেজে সম্রাট রানিকে গজরানি ডাকায় রানির মেজাজ খারাপ হয়। নাম বিকৃতি ও 'হাফ হাতি' মন্তব্যে রাগান্বিত হয় সে। আশিকের সাথে আচরণ দেখে সম্রাটের ঈর্ষা চরমে, আর রানি মেহেন্দি পড়াতে ব্যস্ত থাকে। আশিক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অতীত স্মৃতি আর হারানো ভালোবাসায়।

গজপ্রিয়া | পর্ব ৫ | গাড়ির চাবি আর সম্রাটের প্রপোজ

রানি সম্রাটের গাড়ির চাবি নিয়ে ড্রাইভ করতে শুরু করে, আর সম্রাট মুগ্ধ হয়ে তাকে দেখে। গাড়িতে বসে সম্রাট আবেগ নিয়ে বলে—তার বউ যেন গাড়ি চালাতে পারে। রানি হেসে উড়িয়ে দেয়, কিন্তু সম্রাট সরাসরি প্রপোজ করতেই রানি চমকে ব্রেক কষে। আবেগের তীব্র মুহূর্তে প্রেমের ইঙ্গিত ভেসে ওঠে।

গজপ্রিয়া | পর্ব ৩ | লয়ালিটি টেস্টের শয়তানি আর জাহিদের চমক

রানি ও সম্রাটের তীব্র ঝগড়া ফাহিমের হস্তক্ষেপে থামে। রানি বোন মোস্তাফিনার বিয়ে নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ফেসবুকে জাহিদের লয়ালিটি টেস্ট শুরু করে। জাহিদ চালাকি ধরে ফেলে এবং রানিকেই চিনে ফেলে, ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

গজপ্রিয়া | পর্ব ১ | বাসন্তী রানি ও সম্রাটের প্রথম দেখা

বসন্তের রোদে মাতোয়ারা রানি ফিরছে নানুবাড়িতে। মামাতো ভাই লাবিব তাকে নিতে আসে, কিন্তু সাথে আছে সম্রাট—যাকে রানি ঘৃণা করে। বাইকে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে তীব্র টানাপোড়েন। বাড়িতে পৌঁছে রানি সম্রাটকে জব্দ করে ব্যাগ থেকে কাপড় নেওয়ার সাহসী দৃশ্যে সবাই অবাক।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৩৭ | কদম ফুলের রাত আর নিভ্রানের উন্মাদনা

বৃষ্টিভেজা রাতে রাস্তার পাশের কদম ফুল তুলতে নামে নিভ্রান। গাড়িতে রাত্রির সাথে আবেগের উত্তাল মুহূর্ত, চুমুতে ভরা আঁচল, কামড়ে কাঁদে রাত্রি। বাড়িতে ফিরে হৃদস্পন্দন গুনে আতঙ্কিত হয় সে, আর নিভ্রান বলে—"এটা তোমার জন্যই বেড়েছে"। রাত শেষ হয় আবেগের চূড়ায়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৩৪ | রাত্রির জ্ঞানহীনতা আর নিভ্রানের হাসি

রাত্রি নিভ্রানের কাছাকাছি এলে লজ্জায় জ্ঞান হারায়। নিভ্রান তাকে কোলে তুলে নেয় এবং হেসে ফেলে। ঘুমের মধ্যে রাত্রিকে খাওয়ানো হয়, আবেগের টানাপোড়েন চলে। রাতে রাত্রি বাবার কথা নিয়ে কাঁদে, নিভ্রান তাকে শান্ত করে। সকালে নিভ্রান শুক্রবার বাবার বাসায় যাওয়ার কথা ঘোষণা করে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৩১ | নিভ্রানের বউ আর রাত্রির ঝালমুড়ি

নিভ্রান ঘুমের মধ্যে রাত্রিকে জড়িয়ে রাখে। ফোনের বিরক্তি, সকালের আদর, নাস্তায় রান্নার তর্ক। গেটে অপেক্ষায় রাত্রি, আর অজানা ভদ্রলোক রাত্রির জন্য বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির। নিভ্রান জানায়—রাত্রি তার বউ, ছোটবোন নয়। গাড়িতে ফিরে রাত্রি ঝালমুড়ি চিবিয়ে জানতে চায়—কে ছিলেন সেই আংকেল?

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২৬ | রাত্রির বিয়ে আর নিভ্রানের প্রস্তাব

হাসপাতালের কেবিনে অন্ধকারে জাগে রাত্রি, উপরে শুয়ে নিভ্রান। আচমকা বিয়ের প্রস্তাবে বিস্মিত রাত্রি। নিশাদ কাজি সাহেব নিয়ে হাজির। মা-বাবা সম্মত, সবাই প্রস্তুত। হুট করেই সম্পন্ন হয় বিয়ে। মেঘে ডাকে, বৃষ্টি নামার ইঙ্গিতে নিভ্রানের কানে ফিসফিস—"দেখো রাত, আজ বৃষ্টি নামবে।"

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২২ | নিভ্রানের আবেগের উচ্ছ্বাস আর রাত্রির লজ্জা

বৃষ্টিভেজা রাতে নিভ্রান আর রাত্রির মধ্যে আবেগের তীব্র টানাপোড়েন। গাড়িতে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে রাত্রির লজ্জা, নিভ্রানের নিয়ন্ত্রণহীন দৃষ্টি। শাড়ির আঁচল, ভিজে চুল, ঠান্ডায় কাঁপা শরীর—সব মিলিয়ে আবেগের প্রবল স্রোত। নিভ্রান আলো নিভিয়ে বলে—“তোমাকে দেখা আর সম্ভব হচ্ছে না।”

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২১ | নিভ্রানের রাগ আর রাত্রির কান্না

নিভ্রান রাত্রিকে ফোন করেও অনুত্তর পেয়ে গাড়িতে করে তাকে জোর করে তোলে। রাগে ফুঁসছে, চিৎকার করে ওঠে। রাত্রি ভয়ে কাঁপছে, কিন্তু ঘুমের কারণে ফোন না ধরার কথা বলে। নিভ্রান শান্ত হয়, কাঁধে মাথা রাখে, রাত্রি তাকে ম্যাসেজ দেয়। বৃষ্টি নামে, নিভ্রান শাড়ি পরা রাত্রিকে দেখে মুগ্ধ হয়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২০ | নিভ্রানের আবেগের দাঙ্গা আর রাত্রির ক্লান্তি

নিভ্রান রাত্রিকে নিয়ে রিকশায় ফিরছে, ঘুমন্ত রাত্রিকে বুকে জড়িয়ে ভাবছে তাকে ছাড়া জীবন বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। রাত্রি ক্লান্ত, নিভ্রান তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। বিচ্ছেদের আগে আবেগে ভরা কথা, মায়ের সাথে মন খারাপ, ক্ষমা চাওয়া। রাতে রাগে ফোন ছুঁড়ে ফেলে—কিন্তু রাত্রি তখন আর ফোন তুলতে পারেনি।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৬ | নিভ্রানের মাতাল রাত আর রাত্রির যত্ন

নিভ্রান মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় রাত্রিকে আকর্ষণের সীমানা ছাড়িয়ে স্পর্শ করে, কিন্তু রাত্রি তাকে শান্ত করে ঘুম পাড়ায়। ভোরে ঘুম ভাঙার পর সে দেখে রাত্রি তার মায়ের কোলে ঘুমাচ্ছে, যা তাকে হতবাক করে। নিশাদের মাধ্যমে তার ঈর্ষা ও পরিহাস শুনে নিভ্রান মনে মনে হাসে।