সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৯ | দিবার আগুনের কথা ও আহনাফের আইডি কার্ড

দিবা আহনাফের রাগে আহত হয়ে বেরিয়ে যায়, মণিতার শাশুড়ি তাকে পছন্দ করে। আদনান দিবার প্রশংসা করে। আহনাফের আইডি কার্ড মিনির মাথায় পড়ে, দিবা মন খারাপ করে বারান্দার স্বপ্ন বলে। আহনাফ কার্ডটি কেড়ে নেয়। ফিরতে দিবাকে বাইকে নিতে হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৮ | আহনাফের মিথ্যা এঙ্গেজমেন্ট ও মণিতার আংটি পরা

আহনাফ মিশকাকে বাঁচতে মিথ্যা এঙ্গেজমেন্টের কথা বলে। মিশকা রেগে চলে যায়। মণিতার আংটি পরার অনুষ্ঠানে আহনাফ দিবাকে ওড়না ঠিক করতে ধমকায়। দিবা কাঁদে, আহনাফ তাকে বাসার সদস্য বলে দাবি করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৭ | দিবার পরিচয় ও মিশকার আগমন

দিবা খালামণির বাসায় পৌঁছায় এবং পরিবারের সামনে তার আসল পরিচয় উন্মোচন হয়। সে মৌসুমী ও সাদাতের মেয়ে বলে জানানো হয়। দিবা কাঁদতে থাকে, আর দিদুন তাকে সান্ত্বনা দেন। মণিতার সাথে গল্পের মাঝে মিনি আনাফকে ভয় দেখায়। এদিকে, আহনাফ বারে মিশকার আগমনে বিব্রত হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৬ | দিবার মাইক ফুল ও আদনানের আগমন

দিবা পার্কে মাইক ফুল তুলছিল, আচমকা আহনাফের মতো দেখতে এক ছেলে আদনানের সাথে দেখা। আদনান আহনাফের ভাগ্নে হিসেবে পরিচয় পায় এবং সবাইকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানায়। দিবা বিরিয়ানি বানায়, আহনাফ চাকরির বাহানা দিলেও পরিবার জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৫ | দিবার পাঞ্জাবি ও আহনাফের ইলিশ ভাজা

দিবা নিজের ওড়না দিয়ে আহনাফের জন্য পাঞ্জাবি বানায়, আর খালামণি তাকে ধন্যবাদ জানায়। আহনাফ ইলিশ ভাজা ও বেগুন ভর্তার লোভে পাঞ্জাবি পরে। দিবার রান্না দেখে আহনাফের মন ভরে, কিন্তু স্বীকার করে না। পাশের ফ্ল্যাটে মিসেস রহমান বিয়ের প্রস্তাব দিলে খালামণি নাকচ করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৪ | দিবার চালাকি ও আহনাফের পাঞ্জাবি

দিবা আহনাফের দেওয়া মোটা ওড়না দিয়ে তার জন্য পাঞ্জাবি বানায়, আর আরিফের দেওয়া টাকায় নিজের জন্য লাল জর্জেটের ওড়না কেনে। টেইলরের দোকানে রাতে কাজ দিয়ে পরদিন সকালে পাঞ্জাবি নেয়। আহনাফ ঘুম থেকে উঠে প্যাকেট খুলে বুঝতে পারে এটা দিবার ওড়না দিয়ে বানানো। দিবাকে জিজ্ঞাসা করতেই সে চালাকি করে উত্তর দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৩ | আহনাফের শপিং ও মিশকার ব্যর্থ আকর্ষণ

আহনাফ মিশকাকে প্রত্যাখ্যান করে শপিংমলে চলে যায়, পরিবারের জন্য পহেলা বৈশাখের উপহার কিনে। দিবার জন্য থ্রি পিস আনে, কিন্তু ওড়নাটি নিয়ে ঝগড়া হয়। মিনিকে লাল বেল্ট দেয়, আর নিজের জন্য কিছু না কেনার কষ্ট লুকিয়ে রাখে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১২ | আহনাফের চাকরির রহস্য ও মিনির অফিস যাত্রা

আহনাফ দিবার দেরির কারণ নিয়ে বিরক্ত, কিন্তু নিজের চাকরি লুকাতে ব্যস্ত। দিবা আহনাফের জামা ধুয়ে দেখায় যত্ন, আর আহনাফ মনে মনে মুগ্ধ হয়। মিনি আহনাফের সাথে অফিসে যেতে চায়, আহনাফ হাঁচি আর তাড়াহুড়োয় মানসিক চাপে। আইডি কার্ড ফেলে দিবা সন্দেহ করে, কিন্তু খালামণি বলেন আহনাফ ব্যাংকে চাকরি করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১১ | আহনাফের টেনশন ও দিবার সাদাত স্যারের প্রথম ক্লাস

আহনাফ মিশকার জ্বালায় ভার্সিটি থেকে পালায়, জিসান-পিয়াস তাকে ট্রিট দাবি করে। দিবা ক্লাসে নতুন লেকচারার অন্তিক সাদাতের সাথে পরিচিত হয়, যার নাম শুনে তার বাবার কথা মনে পড়ে। স্যারের পড়ানোয় মুগ্ধ হয় সে, কিন্তু পাশের মেয়ে তাকে তিরস্কার করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১০ | আহনাফের গোসল ও দিবার পানি ছোঁড়া

আহনাফ গোসল থেকে বেরিয়ে দরজা খুলতেই দিবা তার ভেজা শরীর দেখে হতভম্ব হয়ে হাতের পানি ছুঁড়ে মারে। আহনাফ তাকে তিরস্কার করে নতুন পানি আনতে বলে। পরদিন ভোরে দিবা নাস্তা বানায়, আহনাফ তা খেয়ে অবাক হয়। বাইকে যাওয়ার পথে ইভানের কলে দিবার মন খারাপ হয়। ভার্সিটিতে সে এক পড়ুয়া মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করে, যে তাকে পড়া নিতে জোর দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৯ | আহনাফের রহস্যময় নাম ও দিবার ছাদের দুর্ঘটনা

আহনাফ বারে নাফি নামে কাজ করে, নিজের পরিচয় লুকাচ্ছে। মিশকা তাকে খুঁজে পেতে আসে। দিবা রাতে ছাদে ওড়না উদ্ধারে গিয়ে পড়ার মুখোমুখি হয়, আহনাফ তাকে বাঁচায়। দুজনে দারোয়ানের চোখে ধরা পড়ার আগে আহনাফ মদের নেশার অভিনয় করে দিবাকে পালাতে সাহায্য করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৮ | আহনাফের হাঁচি ও মিশকার ফোন

আহনাফের বিছানায় মিনি শুয়ে থাকায় দিবাকে বেড কভার বদলাতে হয়। মিশকা ফোন করে আহনাফকে বাসায় ডাকে, কিন্তু সে নাহিদকে পাঠায়। দিবা ছাদে ওড়না হারায়, আর খালামণি জানতে পারেন আহনাফের হাত কাটা গেছে। দিবা ভয় পায় আহনাফের রাগের মুখে পড়বে।