তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩ | কাঁচের চুড়ি ভাঙার মুহূর্ত

দিয়া বিহান ভাইয়ের কাছে কফি নিয়ে যাওয়ার সময় ভুলে ল্যাপটপে ফেলে দেয়, যার জেরে সে চড় খায়। পনেরো দিন পর বিহান ফিরে এসে তাকে কাঁচের চুড়ি দেয়, কিন্তু দিয়া রাগে চুড়িগুলো মাটিতে ছুঁড়ে ভাঙে। আবেগের এই টানাপোড়েনে ভাঙা চুড়ির মতো ভাঙছে দুজনের মন।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ২ | বিহানের আকস্মিক আগমন ও শাড়ি পরানোর মুহূর্ত

বিহান ভাই হঠাৎ দিয়ার ঘরে আসেন, যখন সে শাড়ি পরছিল। লজ্জায় লাল হয়ে যায় দিয়া। বিহান তাকে শাড়ি পরিয়ে দেন এবং হিন্দি গান গেয়ে চলে যান। গানের মাধ্যমে তার অমিল ভালোবাসা ফুটে ওঠে, আর দিয়া বুঝতে শুরু করে তার প্রতি তার আকর্ষণের কারণ।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১ | গরমে বিরক্তির শুরু আর রহস্যময় চিরকুট

গরমে ট্রাফিক জ্যামে বিহানের সাথে দিয়ার তীব্র বচসা শুরু হয়, যেখানে সে তাকে 'কাকু' বলে ডাকে। বাড়ি ফেরার পথে বিহান তাকে বাইকে তোলে, কিন্তু রাগ জমে। রাতে ছাদে রহস্যময় চিরকুট পায় দিয়া, আর অন্ধকারে কেউ তার গালে চুমু দেয়। আলিফ নয়, তাহলে কে?

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৫২ | শেষ পর্বে বিয়ের মুহূর্ত ও মা-বাবার পুনর্মিলন

বিয়ের দিন দিবা মায়ের সাথে পুনর্মিলন করে, আর সাদাত স্যার মৌসুমীর কাছে ক্ষমা চায়। আহনাফের বারের চাকরি নিয়ে সন্দেহ দূর হয়। বাসরঘরে মিনি আহনাফের মাথায় পড়ে সবাইকে হাসায়। গল্পের শেষে প্রেম, ক্ষমা ও পরিবারের মিলন ঘিরে থাকে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৫১ | চাকরির রহস্য ও বাবার প্রশ্ন

দিবার বাবা আহনাফের ব্যাংক চাকরি নিয়ে সন্দেহ করেন এবং সরাসরি জিজ্ঞাসা করেন। আহনাফ নতুন চাকরির কথা বলে কার্ড দেয়, কিন্তু দিবা ভয় পায় মিথ্যা ধরা পড়ার। এদিকে মিনির জন্য আনা বিড়ালছানা চিনি মিনির বন্ধুত্ব জমায়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৫০ | বাবার হাসি আর দিবার বিয়ের স্বপ্ন

দিবা বাবাকে বলে ফেলে যে সে আহনাফকে বিয়ে করতে চায়। সাদাত স্যার মুচকি হাসেন, আর দিবা আনন্দে আত্মহারা হয়। আহনাফ শেরওয়ানি অর্ডারের মজা করে, কিন্তু দিবা চায় সব ধীরে আর ঠিকঠাক হোক। মিনির দুষ্টুমি আর দিবার স্বপ্নে ভরপুর রাত কাটে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৯ | রাতের বাগানে আহনাফের জড়িয়ে ধরা

দিবা আহনাফের সাথে মজার লুকোচুরি খেলে তাকে রাগান। রাতে বাগানে আহনাফ তাকে জড়িয়ে ধরে নিয়ে যায়। সাদাত স্যার তাদের সম্পর্ক বুঝতে পারেন এবং মেয়েকে সেরাটা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দিবা আহনাফের সাথে বাইকে চড়ে বেরোয়, মিনি আগে থেকেই বাইকে বসে থাকে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৮ | আহনাফের জ্বর আর দিবার ভালোবাসা

দিবা আহনাফকে সবটা জানাতে চায়, কিন্তু নানা-নানুর আগমনে বাধা পায়। আহনাফ দিবার চলে যাওয়ার কথা শুনে ভেঙে পড়ে। অন্ধকারে বারান্দায় তাদের মধ্যে আবেগের মুহূর্ত ঘনিয়ে ওঠে। আহনাফ জ্বরে ভোগে, আর দিবা তাকে যত্ন করতে এসে হৃদয়ের কথা আঁচ করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৭ | রাতের কাজ আর দিবার মাথা পিঠে

আহনাফের রাতের ডিউটির শেষে দিবা তার পিঠে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। বাসায় ফেরার পর আহনাফ ক্লান্ত ঘুমিয়ে পড়ে, আর দিবা চুপিচুপি তার জ্যাকেট খুলে দেয়। সকালে আহনাফের খিদে নিয়ে মজার কথোপকথন হয়, কিন্তু দিবার মায়ের ফোনে সব বদলে যায়। সাদাত স্যারের চাপে দিবা বাবার কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, আর আহনাফ লক্ষ্য করে তার উদাস ভাব।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৬ | বারের ঈর্ষা আর দিবার হাত ধরা

দিবা বাবার সাথে যাওয়া মানা করে রুমে চলে যায়। সাদাত স্যার মৌসুমীকে ফোন করে চাপ দেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। আহনাফ দিবাকে নিয়ে বারে আসেন। মিশকার সামনে দিবা আহনাফের হাত ধরে দাবি জানায়। ঈর্ষায় জ্বলে মিশকা, আর দিবা আহনাফের কাজ দেখে মুগ্ধ হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৫ | বাবার ফিরে আসা আর আহনাফের আঁচল ধরা

সাদাত স্যার দিবার খালামণির বাসায় হাজির হয়ে সবাইকে চমকে দেয়। দিবা তাকে দেখে লুকোয়, কিন্তু মা-বাবার ভিডিও কলে সব সত্যি উঠে আসে। দিবা বাবাকে ফিরে যেতে বলে, আর আহনাফ তাকে সান্ত্বনা দেয়। দাদি এসে মৌসুমীকে ফোনে তীব্র তিরস্কার করেন, আর আহনাফ দিবার লাল শাড়ির আঁচল ধরে মাকে লজ্জা দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৪ | সাদাত স্যার আমার বাবা?

দিবার খালামণি ও সাদাত স্যারের মধ্যে চেনা চেনা লাগে। স্যার চিনতে পারেন মৌ আপাকে। খালামণি জানান, দিবা মৌসুমীর মেয়ে এবং সাদাতেরই রক্ত। দিবা মাথা ঘুরে পড়ে যায়। আহনাফ তাকে সামলায়। স্যার কাঁদতে থাকেন। দিবা ঘৃণা করে তাকে। আহনাফ তাকে লেকের পাশে নিয়ে যায় মন ভালো করতে।