সবটা অন্যরকম | পর্ব ৭ | ভর্তি দিবসে আহনাফের কড়া নির্দেশ ও দিবার প্রতিরোধ

ভর্তি দিবসে আহনাফ দিবাকে নিয়ে ভার্সিটিতে আসে, কিন্তু ওড়না নিয়ে ঝগড়া হয়। দিবা হেঁটে যায় ভার্সিটিতে, আহনাফ পরীক্ষা দেয়। সেখানে এক ছেলে দিবাকে হয়রানি করতে গেলে আহনাফ হস্তক্ষেপ করে। ক্যানটিনে আহনাফ দিবার জন্য জুসের বোতল খুলে দেয়, আর বাইকে ফেরার পথে দিবা আহনাফের ঘাড়ে হাত রাখে, যা নিয়ে আবারও তকরার শুরু হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৬ | আহনাফের হাত কাটা ও দিবার ভর্তির প্রস্তুতি

আহনাফের হাত কাটার পর দিবা তাকে খাইয়ে দিতে চায়, কিন্তু আহনাফ তাকে তীব্র ভাষায় তিরস্কার করে। পরদিন সকালে আহনাফের মা ও বাবা দিবার ভর্তির ব্যবস্থা করতে চায়, আর আহনাফকে তার সাথে নিয়ে যেতে বাধ্য করে। দিবা ও আহনাফ একই রঙের পোশাক পরে মুখোমুখি হয়, আর তাদের মধ্যে টানাপোড়েন আরও গভীর হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৫ | দিবার প্রথম রাত ও নাফির কষ্ট

দিবা আহনাফের বাসায় প্রথম রাত কাটাচ্ছে, পর্দা বানিয়ে বারান্দায় তারার দিকে চেয়ে থাকে। অন্যদিকে, নাফি বারে এক মেয়ের চাপে হাত কাটিয়ে রক্তাক্ত হয়, চাকরি বাঁচাতে বাধ্য হয় তার সাথে নাচতে। রাতে দিবা আহনাফের কাঁদতে দেখে মলম দিতে যায়, কিন্তু দরজা বন্ধ পেয়ে ফিরে আসে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪ | আহনাফের পার্টি ও দিবার বিরক্তি

দিবা আহনাফের সাথে বারান্দায় ধাক্কা খেয়ে ঝগড়া করে। আহনাফ গোসলের পর শুধু তোয়ালে পরে বারান্দায় আসায় দিবা চিৎকার করে। পরে দিবা আহনাফের পার্টির কার্ড দেখে তাকে জাগায়, কিন্তু আহনাফ উড়িয়ে দেয়। রাতে হোয়াইটলকস্ বারে আহনাফ মাস্ক ও সানগ্লাস পরে কাজ করে, এবং এক মেয়ে তার ট্যাটু দেখে মুগ্ধ হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩ | মৌসুমীর গোপন সন্তান দিবা

মৌসুমী আহনাফের মাকে জানায় যে তার পাঠানো মেয়ে দিবা আসলে তার নিজের মেয়ে, যাকে সে গোপনে লালন করে এসেছে। দিবার জন্মের পেছনের ট্র্যাজিক ইতিহাস, জসিমের স্বীকারোক্তি, ইভানের অসহযোগিতা এবং ইতির বিয়ের প্রস্তাবে দিবার ভূমিকা নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। দিবা আহনাফের বাসায় আশ্রয় পায়, কিন্তু মনে মনে নিজের পরিবারকে ভাবতে থাকে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২ | দিবার ঢাকা আগমন ও আহনাফের বিপর্যয়

সায়দাবাদ থেকে ঢাকায় আসা দিবা বাসে আহনাফের সাথে তার বিড়াল মিনি নিয়ে দুর্ভাগ্যজনিত দেখা ঘটে। মায়ের কঠোর কথায় ভেঙে পড়ে সে, আর আহনাফ তাকে ইভানের নির্দেশে বাড়ি নিয়ে আসে। বাইকে উঠতে গিয়ে দিবার পতন, মিনির আচরণে বিরক্ত আহনাফ, এবং বাসায় পৌঁছানোর পর মায়ের সাথে প্রথম দেখা—সব মিলিয়ে শুরু হয় নতুন সম্পর্কের টানাপোড়েন।

সবটা অন্যরকম | সূচনা পর্ব | বাসের ভিড়ে প্রথম দেখা

গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার বাসে উঠেছে এক তরুণী তার পোষা বিড়াল মিনি নিয়ে। পাশের সিটে বসেছে আহনাফ, যার বিড়ালের পশমে এলার্জি। বাসের ভিড়ে শুরু হয় দুজনের টানাপোড়েন, আর তার মাঝেই মেয়েটির মা ফোন করে অজানা মেয়ে দিবার খোঁজ দেয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৭ | রুমকির প্রত্যাবর্তন ও আজাদের শেষ স্মৃতি

ঋভূ হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে রুমকির সাথে পুনর্মিলন ঘটে। রুমকি নায়লাকে তার স্বামীর ব্যক্তিগত জীবন থেকে দূরে রাখতে স্পষ্ট করে। আজাদ অদিতিকে নিয়ে ঝিনাইদহ যাওয়ার আগে তার সম্পত্তি রুমকিকে হস্তান্তর করে। পরে কাপ্তাইয়ে আজাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। দুই বছর পর রুমকি আজাদের পুত্র আসাদের সাথে অদিতির দেখা করে, কিন্তু অদিতি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৬ | আজাদের অদিতি হারানোর ব্যথা ও মামলার প্রস্তুতি

আজাদ অদিতির অনুপস্থিতিতে মরিয়া হয়ে পড়ে। সে বুঝতে পারে অদিতি তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। রাজন ও এস.আই আজিমের মাধ্যমে লিটনের বিরুদ্ধে অদিতির অপহরণের মামলা দায়েরের প্রস্তুতি শুরু করে। অন্যদিকে, রুমকির পরিবার ঢাকায় ফিরে যাওয়ার জন্য তাকে নিতে আসে।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৫ | রুমকির মুক্তি ও অদিতির বিদায়

রুমকি মুক্তি পায় এবং পরিবারের সাথে মিলন হয়। আজাদের লোক তাকে নিতে এলে সে সতর্ক হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, অদিতি আজাদকে ছেড়ে চলে যায়, তার ভালোবাসা ও ত্যাগের কথা জানিয়ে। আজাদ হতাশ ও অনুতপ্ত হয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৪ | ঋভূর জ্ঞান ফেরা ও রুমকির খোঁজ

ঋভূ জ্ঞান ফিরে পায় এবং দুর্ঘটনার স্মৃতি মনে পড়ে। রুমকির অবস্থা জানতে চায়, কিন্তু নায়লা তাকে রুমকির মৃত্যুর কথা বলে। আম্মু থেকে জানতে পারে রুমকি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। ঋভূ মানসিক যন্ত্রণায় ভোগে এবং তাকে খুঁজে বার করার দৃঢ় সংকল্প নেয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৩ | আজাদের লুকোচুরি ও রূপমের চিকিৎসা

আজাদ অনুসরণকারীদের ফাঁকি দিতে লোকাল বাসে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছে। অদিতির সাথে তার আবেগঘন মুহূর্ত চলছে। এদিকে রূপমকে ঢাকার ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছে, নায়লা তার জন্য ডাক্তার ডেকে আনে। রুমকির খোঁজে থানায় যায় নুরুদ্দিন।