লেখক মৌসুমী আক্তার

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৭ | আলিপের নামে বিহানের রাগ ও রক্তাক্ত হাত

বিহান ভাইয়ের রাগে পুরো বাড়ি ত্রস্ত। দিয়া খাবার নিয়ে গেলে তার হাত চেপে ধরেন, গ্লাস ভাঙেন আর রক্তে ভেজে যায় তাঁর হাত। 'আলিপ' নামের কারণে এত রাগ? দিয়া কাঁদে, কিন্তু বিহান নির্বিকার। রাতের মধ্যে ঢাকার দিকে রওনা হন, আর সবাই আতঙ্কিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৮ | ঝড়ের রাতে বিহানের ফিরে আসা ও চিঠির সত্য

ঝড়ের রাতে ভেজা শরীরে বিহান ভাই দিয়ার ঘরে হাজির হন। রক্তাক্ত হাত, আবেগঘন কথোপকথন, আর চিঠির সত্য উন্মোচন—বিহান নিজেই লিখেছিলেন ভালোবাসার চিঠি। মনের যন্ত্রণা, নিষ্পত্তি, আর ডিম ভাজি দিয়ে খাওয়ানো—এক অবিশ্বাস্য মুহূর্তে ভাঙছে সব ব্যবধান।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৯ | ভালোবাসার স্বীকৃতি আর তোহা আপুর প্রপোজ

বিহান ভাইয়ের রাগের পর মমতার যত্ন, ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে অন্ধকারে ফোনে প্রেমের স্বীকৃতি, আর তোহা আপুর হয়ে প্রপোজের চাপে দিয়ার হৃদয়ে হিংস্র আবেগ। বিহানের অদ্ভুত ভালোবাসা আর তোহা আপুর রোজের অর্ডারের কথা শুনে দিয়ার মন ভেঙে যায়। পর্বের শেষে গোপন সিদ্ধান্ত: উনাকে কষ্ট দেওয়া হবে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১০ | বিহান ভাইয়ের প্রেমের স্বীকারোক্তি ও দিয়ার প্রপোজ

বিহান ভাইয়ের স্রোতোশিনী নামের রহস্যময় প্রেমিকার কথা শুনে দিয়া ভেঙে পড়ে। তোহা আপুর পক্ষে তাকে প্রপোজ করতে যায়, কিন্তু বিহান ভাইয়ের ঠোঁটে হাসি দেখে বোঝা যায় সব ভাবালুতা মাত্র একটি ফাঁদ। পার্কের আড্ডায় প্রেমের গোপন কথা উঠে আসে, আর দিয়ার মনের ব্যথা ঘিরে থাকে নীরব আবেগে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১১ | কান ধরে উঠবস আর ছাদে চকলেট ডে

বিহান ভাই দিয়াকে প্রপোজের অপরাধে কান ধরে উঠবস করান, পার্কের সবার সামনে লজ্জিত করেন। রাতে ছাদে এসে হ্যাপি চকলেট ডে, টেডি ডে ও রোজ ডের গিফট দেন। কিন্তু পরদিন থেকে তাঁর খোঁজ নেই। তোহা আপু তাঁর মেসেজ ব্লক করে দেয়। দিয়া বুঝতে শুরু করে ভালোবাসা মানে শুধু কিস বা হাগ নয়, সম্মান ও ধৈর্য।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১২ | বিয়ের মুহূর্ত ও বিহান ভাইয়ের আই লাভ ইউ

দিয়াকে হঠাৎ কাজি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে বিহান ভাইয়ের সাথে তার বিয়ে হয়। বিহান ভাই প্রথমে রাগী ও দূরত্ব বজায় রাখেন, কিন্তু রাতে আবেগের মুহূর্তে দিয়াকে কোলে তুলে নেন এবং আই লাভ ইউ বলেন। বিয়ের প্রকৃত কারণ উন্মোচিত হয়, যখন জানা যায় বিহান ভাই ছাড়া দিয়াকে নিয়ে পরীক্ষা দেবেন না।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১৩ | বাসরঘরে বিহান ভাইয়ের রাগ আর ভালোবাসার ইঙ্গিত

বিহান ভাই রাগ করে দিয়ার পাশে ঘুমোলেও রাতে তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং ঘুমন্ত অবস্থায় শাড়ি ঠিক করে দেন। বন্ধুদের ফোনে বিরক্ত হয়ে তিনি দিয়াকে ডায়মন্ড আংটি দেন, কিন্তু পরদিন সকালে কঠোর রুটিন চাপিয়ে দেন। ভালোবাসা আর রাগের এই মিশ্রণে দিয়ার মন দুলছে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১৪ | বিয়ের পরের ভোরে রাগ আর শাড়ির বাঁধন

বিয়ের পরের ভোরে দিয়াকে বিহান ভাই এলার্ম দিয়ে ঘুম থেকে তোলেন। পড়ার রুটিন, বিভোর ভাইয়ের ভুল বোঝাবুঝি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের গোপন কথা আর মামিদের কটূক্তি—সব মিলিয়ে দিয়ার মন ভারাক্রান্ত। বিহানের নির্দেশে প্রথম থ্রি পিছ পরার পর মামিরা তাকে জোর করে শাড়ি পরায়, আর রান্নাঘরে ঠেলে দেয়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১৫ | হাত পুড়ে যন্ত্রণায় কাঁদা দিয়া

দিয়ার বিয়ের পর প্রথম রান্নাঘরে প্রবেশে মামিদের নির্মম ব্যবহার। মাছ ভাজতে গিয়ে হাত পুড়ে যায়, কিন্তু মামিরা তাকে উপহাস করে। বিহান ভাই এসে রাগে ফেটে পড়েন, মামিদের তীব্র তিরস্কার করেন এবং দিয়ার হাতে ডিম ও মলম লাগান। আবেগঘন মুহূর্তে তাকে সান্ত্বনা দেন, 'এ কাঁদলে কারো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়'।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১৬ | বিহান ভাইয়ের ভালোবাসার গোপন কথা

দিয়ার কান্নায় ভেঙে পড়েন বিহান ভাই। তার প্রেমিকার কথা শুনে দিয়া বুঝতে শুরু করে তার ভালোবাসার গভীর যন্ত্রণা। বিহান ভাইয়ের মনের কথা, ভাঙা প্রেমের গল্প আর ফোনে বন্ধুদের সাথে মজার কথোপকথনে ঘিরে থাকে এই পর্ব।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১৭ | হাতে ব্যথায় বিহানের যত্ন আর তোহা আপুর মেসেজের সত্য

দিয়ার হাতে ব্যথায় খাওয়া বন্ধ হয়, কিন্তু বিহান ভাই লক্ষ্য করেন এবং নিজে খাবার খাওয়ান। তোহা আপুর ফোনে জানা যায়, বিহান ভাই দিয়াকে ভালোবাসেন এবং প্রপোজের পরিকল্পনা করছেন। চিঠি আর মেসেজে ভালোবাসার গভীরতা ফুটে ওঠে, কিন্তু হঠাৎ বিহানের এক বিচ্ছেদের মেসেজ দিয়াকে ভেঙে দেয়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১৮ | বিহান ভাইয়ের ফিরে আসা ও কান ধরে উঠবস

বিহান ভাইয়ের বিচ্ছেদের মেসেজে ভেঙে পড়ে দিয়া। হঠাৎ ফিরে এসে তাকে জড়িয়ে ধরেন বিহান, চোখে পানি, মনে অপরাধবোধ। দিয়ার কান্নায় ভেঙে পড়েন, আর কান ধরে উঠবস করে ক্ষমা চান। ভালোবাসার এই নতুন মুহূর্তে জড়িয়ে যায় দুই হৃদয়।