লেখক মৌসুমী আক্তার

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩১ | বাসের বমি রাত আর মেহনুবা আপুর রহস্যময় রাগ

বাসযাত্রায় রিয়ার বমি বিভোর ভাইকে ভিজিয়ে দেয়, হাসির রোল পাকে সবাই। কিন্তু মেহনুবা আপু দিয়াকে তীব্র বিরক্তি দেখায়, হৃদয় ভেঙে কাঁদে দিয়া। বিহান ভাই সান্ত্বনা দেন, তাকে শক্ত হতে বলেন। পরদিন গায়ে হলুদের আয়োজনে সকাল হয়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩২ | গায়ে হলুদের রোমান্স আর মেহনুবা আপুর ভেঙে পড়া

গায়ে হলুদের আনন্দে বিহান ভাইকে জড়িয়ে হলুদ মাখে দিয়া, আর তার কানে ফিসফিস করে ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু মেহেদির রাতে আলিপের মনস্তাপ আর মেহনুবা আপুর ক্ষোভ ফাঁস হয়, দিয়াকে থাপ্পড় মারেন মেহনুবা। বিহান ভাই দৃঢ়ভাবে দিয়াকে রক্ষা করেন, আর মেহনুবা কাঁদতে কাঁদতে চলে যায়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩৩ | মেহেদির রাত আর বিহান ভাইয়ের ভালোবাসার প্রমাণ

বিহান ভাই দিয়ার হাতে মেহেদি পরান এবং নিজের নাম লেখেন, আবেগের সাথে বলেন যে তার হাতে বিহান আছে বলে সে কখনো দুঃখ পাবে না। রাতে নতুন ফ্ল্যাটে সংসার শুরু হয়, আলুভর্তা খাওয়া আর রিয়া-বিভোরের মজার কথোপকথনে ভরপুর। শেষে দিয়া সাহস করে বিহান ভাইয়ের কোলে গিয়ে বসে প্রথমবার চুমু দেয়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩৪ | ভালোবাসার জব আর কলেজে বিহান ভাইয়ের হ্যান্ডসাম এন্ট্রি

দিয়া বিহান ভাইয়ের গালে চুমু দিয়ে লজ্জায় ঢাকা পড়ে, আর বিহান ভাই অদ্ভুত নিরবতা ভেঙে মজার ভাষায় তাকে 'ভালোবাসার জব' দেন। রাতের রোমান্সের পর কলেজে বিহান ভাইয়ের হ্যান্ডসাম এন্ট্রিতে মেয়েদের ক্রাশ, কিন্তু দিয়ার রাগে আগুন। বিভোর ভাই রিয়াকে প্রপোজ করেন গোলাপ হাতে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩৫ | বিহান ভাইয়ের ক্লাসে দিয়ার লেট এন্ট্রি ও এনির অপমান

দিয়া বিহান ভাইয়ের ক্লাসে ৫ মিনিট লেট হয়ে প্রবেশ করে, আর স্যার তাকে সময়ের মূল্য শেখান। এনি দিয়াকে অপমান করতেই বিহান ভাই ক্ষেপে ওঠেন। বিভোর ভাই রিয়াকে নিয়ে রোমান্টিক মুহূর্ত কাটান, আর দিয়া বিহানের মেসেজে ভালোবাসায় ভাসে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩৬ | বিহান ভাইয়ের কেবিনে গোপন কথোপকথন আর দিয়ার ভেঙে পড়া হৃদয়

দিয়া বিহান ভাইয়ের কেবিনে গিয়ে শোনে তার সাথে অন্য মেয়ের গোপন কথোপকথন, যেখানে তারা একটি শিশু নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে আছে। বিশ্বাসঘাতকতায় ভেঙে পড়ে দিয়া, আর তার মনে জাগে প্রচণ্ড অশান্তি। বিহান ভাইয়ের মিথ্যা ও লুকানো সত্য তাকে নাড়া দেয়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩৭ | বিহান ভাইয়ের সাথে তোহা আপুর গোপন কথোপকথন আর দিয়ার ভেঙে পড়া হৃদয়

দিয়া বিহান ভাইয়ের কেবিনে তোহা আপুর সাথে তাঁর গোপন কথোপকথন শুনে ভেঙে পড়ে। বিশ্বাসঘাতকতায় কাঁদতে কাঁদতে হাসপাতাল ছাড়ে। পরে বিহান ভাই তাকে খুঁজে পায়, কিন্তু দিয়া তাঁর স্পর্শে ঘিনঘিন করে। বিহান ভাইয়ের ফোনে তোহার অসংখ্য কল দেখে দিয়ার বিশ্বাস চূর্ণ হয়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩৮ | বিহান ভাইয়ের সত্য কথা আর মেহনুবা আপুর সুইসাইড

দিয়া বিহান ভাইয়ের বিরুদ্ধে ডিভোর্সের দাবি জানায়, কিন্তু তারপরই জানতে পারে মেহনুবা আপুর সুইসাইডের খবর। বিহান ভাই মুখ খুলে সব সত্য বলেন—মেহনুবা গর্ভবতী, সন্তান আলিপের, আর তিনি চিকিৎসা করছেন গোপনে। দিয়া ভেঙে পড়ে, আর বিহান ভাই তাকে ক্ষমা চায় না, বরং বলেন, তার রাগই প্রমাণ করে কতটা ভালোবাসে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩৯ | মেহনুবা আপুর সুইসাইড আর আবির ভাইয়ের আবেগঘন প্রতিশ্রুতি

মেহনুবা আপু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন, গর্ভবতী অবস্থায় বিষক্রিয়ায় ভুগছেন। পরিবার ভাঙা মনে দোয়া করে। জ্ঞান ফেরার পর আবির ভাইয়া তাকে থাপ্পড় মারেন, তারপর আবেগে বলেন—"আমি তোকে বিয়ে করবো, মরতে দেব না"। মেহনুবার কষ্টে সবাই কাঁদে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৪০ | মেহনুবা আপুর ক্ষমা ও তোহার বিরুদ্ধে বিহান ভাইয়ের ক্রোধ

মেহনুবা আপু পরিবারের সাপোর্টে মন ভাঙা অবস্থা থেকে সামলাচ্ছেন। আবির ভাইয়ের সাথে বিয়ের প্রস্তাব হয়, আর তিন দিনের মধ্যে ছয় জনের যৌথ বিয়ে ঠিক হয়। মেজ কাকা কাকিকে ডিভোর্স দিতে চান, কিন্তু পরিবারের অনুরোধে পিছু হটেন। মেহনুবা আপু দিয়াকে ক্ষমা চান, আর তোহার ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়। বিহান ভাই তোহাকে থাপ্পড় মারেন এবং হুমকি দেন।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৪১ | শেষ পর্বের প্রথম অংশ

বিহান ও দিয়ার ফুলসজ্জার রোমান্টিক মুহূর্ত, এনির সাথে বিহানের মেসেজ ফাঁস হওয়ায় দিয়ার তীব্র প্রতিক্রিয়া, এবং আলিপের ফিরে আসার চেষ্টায় মেহনুবার দৃঢ় প্রত্যাখ্যান। শেষে বিহানের মাথাব্যথার অস্বাভাবিক তীব্রতা সবাইকে আতঙ্কিত করে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৪২ | অন্তিম পর্ব

দিয়া গর্ভবতী হওয়ায় বিহান আনন্দে ভাসে, কিন্তু বিহানের হৃদরোগ ধীরে ধীরে তাকে গ্রাস করে। ডেলিভারির রাতে বিহান ও দিয়া উভয়েই অপারেশন থিয়েটারে যায়। দিয়া নিজের হৃদয় দিয়ে বিহানকে বাঁচায়, কিন্তু নিজে চিরতরে চোখ বুজে। বিহান দিয়ার ভালোবাসার স্মৃতিতে জীবন কাটায়।