ট্যাগ পরিবারের সাক্ষাৎ

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৩৬ | রাত্রির আগমন আর নিভ্রানের পরিবার

রাত্রি নিভ্রানের বাসায় পৌঁছায়, গাঢ় গোলাপি বাগানবিলাসে মুগ্ধ হয়। নিভ্রানের মা নাহিদা তাকে দেখে অবাক, তারপর কেঁদে ফেলেন। নওশাদ সাহেব আনন্দে রাত্রিকে সালাম দেন। নিশাদ প্রথমে বিশ্বাস করতে না পেরে নিভ্রানকে ছুঁয়ে দেখে। রাত্রি নিভ্রানের ঘরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দেখে অবাক হয়, নিশাদ বলে—বাবা নিষেধ করেছেন ঘরে ধুলো জমতে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩০ | গোপন রহস্য ও মিঃ জহিরের আগমন

আহনাফের বারে আসেন ধনী ক্লাইন্ট মিঃ জহির, যার আগমনে বারের রিনোভেশনের নির্দেশ আসে। দিবা আহনাফের রুমে প্রবেশ করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করে, আর খালামণি সাদাত-মৌসুমীর প্রেমের গল্প শোনায়। আহনাফ চাকরির চাপে টেনশনে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৬ | দিবার মাইক ফুল ও আদনানের আগমন

দিবা পার্কে মাইক ফুল তুলছিল, আচমকা আহনাফের মতো দেখতে এক ছেলে আদনানের সাথে দেখা। আদনান আহনাফের ভাগ্নে হিসেবে পরিচয় পায় এবং সবাইকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানায়। দিবা বিরিয়ানি বানায়, আহনাফ চাকরির বাহানা দিলেও পরিবার জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৩ | আহনাফের শপিং ও মিশকার ব্যর্থ আকর্ষণ

আহনাফ মিশকাকে প্রত্যাখ্যান করে শপিংমলে চলে যায়, পরিবারের জন্য পহেলা বৈশাখের উপহার কিনে। দিবার জন্য থ্রি পিস আনে, কিন্তু ওড়নাটি নিয়ে ঝগড়া হয়। মিনিকে লাল বেল্ট দেয়, আর নিজের জন্য কিছু না কেনার কষ্ট লুকিয়ে রাখে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩ | মৌসুমীর গোপন সন্তান দিবা

মৌসুমী আহনাফের মাকে জানায় যে তার পাঠানো মেয়ে দিবা আসলে তার নিজের মেয়ে, যাকে সে গোপনে লালন করে এসেছে। দিবার জন্মের পেছনের ট্র্যাজিক ইতিহাস, জসিমের স্বীকারোক্তি, ইভানের অসহযোগিতা এবং ইতির বিয়ের প্রস্তাবে দিবার ভূমিকা নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। দিবা আহনাফের বাসায় আশ্রয় পায়, কিন্তু মনে মনে নিজের পরিবারকে ভাবতে থাকে।

অনন্যময়ী | পর্ব ৫৯ | রাহাত চৌধুরীর কবর ও অনির অতীত

অনি হিমাদ্রীদের বাগানে রাহাত চৌধুরীর কবর দেখে চমকে যায়। নামটি তার জন্মদাতা পিতার সাথে মিলে যায়। নিরার কাছে জানতে পারে তার পিতা জোরপূর্বক বিয়ে করেছিলেন এবং সন্তানকে কখনো দেখেননি। সত্য জেনে অনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, জ্ঞান হারায়। চলবে…

অনন্যময়ী | পর্ব ৫২ | অনির সারপ্রাইজ ও অদ্রির ফিরে আসা

অনি রিশাদের জন্মদিনে সারপ্রাইজ দিতে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসে, কিন্তু ক্লান্তিতে ছাদের দোলনায় ঘুমিয়ে পড়ে। রিশাদ তাকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসা প্রকাশ করে। এদিকে, অদ্রি এলোমেলো অবস্থায় বাড়ি ফিরে মাত্র জ্ঞান হারায়। পরিবার তাকে সামলায়, কিন্তু তার মনের ভার কেউ জানে না।

অনন্যময়ী | পর্ব ৪৯ | মিথিলা-রিশার সাফল্য ও বিচ্ছেদের বেদনা

মিথিলা ও রিশার ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স হওয়ায় উৎসব শুরু হয়, রিশাদ তাদের জন্য আইফোন উপহার দেয়। হিমাদ্রীর পরিবারের সাথে বৈঠকে রেহানা বেগম অনিকে বৌ হিসেবে চাইলে রিশাদ ঘোষণা করে, "সে তো আমার ওয়াইফ"। অনির ইংল্যান্ড ফেরার আগে বিচ্ছেদের বেদনা আর রিশাদের নীরব কষ্ট মুহূর্তগুলো ভারী হয়ে ওঠে।

অনন্যময়ী | পর্ব ২১ | হিমাদ্রী-গুনগুনের মুহূর্ত ও কাব্য-নিরার অতীতের গল্প

হিমাদ্রী ও রাফি গুনগুনকে নিয়ে মজায় মগ্ন হয়। লাঞ্চের সময় গুনগুনের হাসি সবাইকে আনন্দে ভাসায়। অতীতে কাব্য চৌধুরী নিরার গানে মুগ্ধ হয়, কিন্তু নিরার বাবার মৃত্যুর পর পরিবার তাকে বিয়ে চাপিয়ে দিতে চায়। কাব্য তাকে বাঁচায় এবং বিয়ে করে। নিরা নতুন জীবনে ভয় ও আশার মাঝে দ্বিধায়।

অনন্যময়ী | পর্ব ১৫ | ছাদের নীরবতা ও রিশাদের প্রশ্ন

ছাদে বসে অনি ও রিশাদের মধ্যে নীরবতা ভাঙে রিশাদের এক প্রশ্নে। সে জানতে চায়, অনি কবে ইংল্যান্ডে ফিরবে। অনির উত্তরে রিশাদ বুঝতে পারে তার ভালোবাসা শুধু অদ্রির জন্য, কিন্তু অনির উপস্থিতি তার পরিবারের কাছে অমূল্য। রিশা তাদের মুহূর্ত ক্যামেরায় বন্দি করে।

অনন্যময়ী | পর্ব ১৩ | অনির ঘাড়ের ব্যথা ও রিশাদের শয়তানি মার্কা হাসি

অনি সোফায় ঘুমানোর কারণে ঘাড়ে তীব্র ব্যথা পায়। শায়লা বেগম তাকে সেঁক দেন ও কফি দিয়ে সান্ত্বনা করেন। রিশাদ অনিকে টিজ করে বলে, ঘাড় আটকানোর শাস্তি পেয়েছে। রাগে অনি ওয়াশরুমে চলে যায়। মিথিলা ও রিশা এসে পরিস্থিতি হালকা করে। অনি মিথিলার মনের গভীরে কী চলছে তা বুঝতে চায়।

অনন্যময়ী | পর্ব ৮ | শ্বশুরবাড়িতে অনির প্রথম পদক্ষেপ ও রিশাদের অসহায় ভাব

অনি শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছায়, বাড়ির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়। রিশাদের মায়ের কান্নায় স্পন্দিত হয় পরিবার। রুমে ঢুকে অনি রিশাদকে সাহায্য করে পোশাক পরিবর্তনে, তার অস্বস্তি ও অবাক হওয়ার মধ্যে দিয়ে ঘনীভূত হয় আবেগ। রিশাদ অদ্রির স্মৃতিতে ভেঙে পড়ে, আর অনি হিজাব খুলতে দ্বিধায় ভোগে।