ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২৪ | বারের রহস্য ও দিবার চাবির গল্প

দিবা আহনাফের রুমে বারের কাগজপত্র দেখে সন্দেহ জাগে। আহনাফ ফিরে এসে তাকে ধরে ফেলে। নেশায় মাতা আহনাফ দিবাকে চেপে ধরে প্রশ্ন করে। দিবা আইডি কার্ড খুঁজতে গিয়ে ধরা পড়ে। চা বানিয়ে সে সুযোগ নেয় রহস্য উদঘাটনের, কিন্তু আহনাফ তাকে আটকায়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২৩ | ভেজা চুলের মায়া আর মিনির উচ্ছৃঙ্খলতা

দিবা ভেজা চুলে গান গাইতে গাইতে বারান্দায় দাঁড়ায়, আহনাফ মুগ্ধ হয়ে দেখে। চুল নিয়ে তকরার পর দিবা রুমে চলে যায়। আহনাফ আদনানের পাঠানো চকলেট দিতে যায়, কিন্তু দিবা জামা ছিঁড়ে লজ্জায় পিঠ ঢেকে রাখে। মিনি আহনাফের রুমে লুকালে তার হাঁচি আসে। দিবা মায়ের সাথে ফোনে কথা বলতে চায়, কিন্তু মা কাঁদতে কাঁদতে কল কেটে দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২২ | দিবার ফুল গাছ আর আহনাফের গোপন উদারতা

দিবা ভার্সিটিতে আহনাফের দিকে তাকিয়ে হাঁটতে গিয়ে সাদাত স্যারের সাথে ধাক্কা খায়। স্যার মজা করে বলেন, সে আহনাফকে দেখতে গিয়েই ধাক্কা খায়। আহনাফ ও আদনান ফুলের অর্ডার দিতে শাহবাগে আসে। সেখানে দিবাকে ফুল গাছ কিনতে দেখে আহনাফ গোপনে তাকে একশো টাকা দেয়, কিন্তু গর্ব বাঁচাতে বলে মালিককে মাথায় ফুল গাছ তুলে দিতে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২১ | ভোরের পার্কে ফুল আর ফাঁকা রাস্তায় সেফটিপিন

দিবা ভোরের পার্কে ফুল কুড়াতে গিয়ে আহনাফের সাথে ধাক্কা খায়। মিনির পিছু পিছু দৌড়ে আহনাফ দিবার ওপর পড়ে যায়। আহনাফ ফু দিয়ে আকর্ষণ এড়াতে চায়। পথে এক অসভ্য ছেলে তাকে হয়রানি করলে দিবা সেফটিপিন দিয়ে ভয় দেখায়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২০ | তেঁতুল চুরি ও রাতের মলম

দিবা জ্যামে তেঁতুল চুরি করে আহনাফের সাথে ঝগড়া করে। শর্টকাট রোডে বাইক দুর্ঘটনায় দিবার কপালে চোট লাগে। অন্ধকারে হাসপাতালে না পৌঁছায় আহনাফ দিবাকে বাইকের সামনে বসিয়ে নিয়ে যায়। রাতে দিবা আহনাফের পিঠের চোটে মলম লাগায়, আহনাফ ঘুমে তাকে ধরে ফেলে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৯ | দিবার আগুনের কথা ও আহনাফের আইডি কার্ড

দিবা আহনাফের রাগে আহত হয়ে বেরিয়ে যায়, মণিতার শাশুড়ি তাকে পছন্দ করে। আদনান দিবার প্রশংসা করে। আহনাফের আইডি কার্ড মিনির মাথায় পড়ে, দিবা মন খারাপ করে বারান্দার স্বপ্ন বলে। আহনাফ কার্ডটি কেড়ে নেয়। ফিরতে দিবাকে বাইকে নিতে হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৮ | আহনাফের মিথ্যা এঙ্গেজমেন্ট ও মণিতার আংটি পরা

আহনাফ মিশকাকে বাঁচতে মিথ্যা এঙ্গেজমেন্টের কথা বলে। মিশকা রেগে চলে যায়। মণিতার আংটি পরার অনুষ্ঠানে আহনাফ দিবাকে ওড়না ঠিক করতে ধমকায়। দিবা কাঁদে, আহনাফ তাকে বাসার সদস্য বলে দাবি করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৭ | দিবার পরিচয় ও মিশকার আগমন

দিবা খালামণির বাসায় পৌঁছায় এবং পরিবারের সামনে তার আসল পরিচয় উন্মোচন হয়। সে মৌসুমী ও সাদাতের মেয়ে বলে জানানো হয়। দিবা কাঁদতে থাকে, আর দিদুন তাকে সান্ত্বনা দেন। মণিতার সাথে গল্পের মাঝে মিনি আনাফকে ভয় দেখায়। এদিকে, আহনাফ বারে মিশকার আগমনে বিব্রত হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৬ | দিবার মাইক ফুল ও আদনানের আগমন

দিবা পার্কে মাইক ফুল তুলছিল, আচমকা আহনাফের মতো দেখতে এক ছেলে আদনানের সাথে দেখা। আদনান আহনাফের ভাগ্নে হিসেবে পরিচয় পায় এবং সবাইকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানায়। দিবা বিরিয়ানি বানায়, আহনাফ চাকরির বাহানা দিলেও পরিবার জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৫ | দিবার পাঞ্জাবি ও আহনাফের ইলিশ ভাজা

দিবা নিজের ওড়না দিয়ে আহনাফের জন্য পাঞ্জাবি বানায়, আর খালামণি তাকে ধন্যবাদ জানায়। আহনাফ ইলিশ ভাজা ও বেগুন ভর্তার লোভে পাঞ্জাবি পরে। দিবার রান্না দেখে আহনাফের মন ভরে, কিন্তু স্বীকার করে না। পাশের ফ্ল্যাটে মিসেস রহমান বিয়ের প্রস্তাব দিলে খালামণি নাকচ করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৪ | দিবার চালাকি ও আহনাফের পাঞ্জাবি

দিবা আহনাফের দেওয়া মোটা ওড়না দিয়ে তার জন্য পাঞ্জাবি বানায়, আর আরিফের দেওয়া টাকায় নিজের জন্য লাল জর্জেটের ওড়না কেনে। টেইলরের দোকানে রাতে কাজ দিয়ে পরদিন সকালে পাঞ্জাবি নেয়। আহনাফ ঘুম থেকে উঠে প্যাকেট খুলে বুঝতে পারে এটা দিবার ওড়না দিয়ে বানানো। দিবাকে জিজ্ঞাসা করতেই সে চালাকি করে উত্তর দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৩ | আহনাফের শপিং ও মিশকার ব্যর্থ আকর্ষণ

আহনাফ মিশকাকে প্রত্যাখ্যান করে শপিংমলে চলে যায়, পরিবারের জন্য পহেলা বৈশাখের উপহার কিনে। দিবার জন্য থ্রি পিস আনে, কিন্তু ওড়নাটি নিয়ে ঝগড়া হয়। মিনিকে লাল বেল্ট দেয়, আর নিজের জন্য কিছু না কেনার কষ্ট লুকিয়ে রাখে।