ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৮ | ঝড়ের রাতে বিহানের ফিরে আসা ও চিঠির সত্য

ঝড়ের রাতে ভেজা শরীরে বিহান ভাই দিয়ার ঘরে হাজির হন। রক্তাক্ত হাত, আবেগঘন কথোপকথন, আর চিঠির সত্য উন্মোচন—বিহান নিজেই লিখেছিলেন ভালোবাসার চিঠি। মনের যন্ত্রণা, নিষ্পত্তি, আর ডিম ভাজি দিয়ে খাওয়ানো—এক অবিশ্বাস্য মুহূর্তে ভাঙছে সব ব্যবধান।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৭ | আলিপের নামে বিহানের রাগ ও রক্তাক্ত হাত

বিহান ভাইয়ের রাগে পুরো বাড়ি ত্রস্ত। দিয়া খাবার নিয়ে গেলে তার হাত চেপে ধরেন, গ্লাস ভাঙেন আর রক্তে ভেজে যায় তাঁর হাত। 'আলিপ' নামের কারণে এত রাগ? দিয়া কাঁদে, কিন্তু বিহান নির্বিকার। রাতের মধ্যে ঢাকার দিকে রওনা হন, আর সবাই আতঙ্কিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৬ | চিঠির রহস্য আর বিহান ভাইয়ের রাগ

দিয়ার বালিশের নিচে পাওয়া ভালোবাসার চিঠি নিয়ে তোহা আপু সবাইকে চমকে দেয়। চিঠি পড়ার পর বিহান ভাইয়ের চোখে বিরক্তি, দিয়ার কান্না, আর বাড়ির সবাইয়ের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা। বিহান ভাইয়ের রাগের কারণ কী? চিঠি কার লেখা? রহস্য ঘিরে থাকে আবেগের এই নতুন পর্বে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৫ | মাঝরাতে ছাদে বিহানের রহস্যময় আগমন

মাঝরাতে বিহান ভাই পাশের বাসা থেকে মই বেয়ে ছাদে আসেন এবং দিয়াকে ডাকেন। পা পিষে দেওয়ার পর তার জন্য মলম আনেন, বই নিয়ে আসেন আর গভীর কথা বলে হৃদয় নাড়া দেন। তার রহস্যময় আচরণ, অদ্ভুত ভালোবাসা আর মাঝরাতের আবেগ দিয়াকে আরও বিভ্রান্ত করে তোলে।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৪ | চুড়ি ভাঙার পর বিহানের রহস্যময় উপহার

দিয়া কাঁচের চুড়ি ভেঙে মনের তৃপ্তি পায়, কিন্তু বিহান ভাইয়ের রহস্যময় আচরণ তাকে বিভ্রান্ত করে। পুড়ে যাওয়া পা, প্রচ্ছন্ন ভালোবাসা আর স্মৃতির উপহার—খরগোশছানা, পাখির খাঁচা ও ফুলের চারা—সব মিলিয়ে আবেগের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। রাতে আবার অজানা চিরকুট, আর নাম লেখা—রুদ্র গোস্বামী।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩ | কাঁচের চুড়ি ভাঙার মুহূর্ত

দিয়া বিহান ভাইয়ের কাছে কফি নিয়ে যাওয়ার সময় ভুলে ল্যাপটপে ফেলে দেয়, যার জেরে সে চড় খায়। পনেরো দিন পর বিহান ফিরে এসে তাকে কাঁচের চুড়ি দেয়, কিন্তু দিয়া রাগে চুড়িগুলো মাটিতে ছুঁড়ে ভাঙে। আবেগের এই টানাপোড়েনে ভাঙা চুড়ির মতো ভাঙছে দুজনের মন।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ২ | বিহানের আকস্মিক আগমন ও শাড়ি পরানোর মুহূর্ত

বিহান ভাই হঠাৎ দিয়ার ঘরে আসেন, যখন সে শাড়ি পরছিল। লজ্জায় লাল হয়ে যায় দিয়া। বিহান তাকে শাড়ি পরিয়ে দেন এবং হিন্দি গান গেয়ে চলে যান। গানের মাধ্যমে তার অমিল ভালোবাসা ফুটে ওঠে, আর দিয়া বুঝতে শুরু করে তার প্রতি তার আকর্ষণের কারণ।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১ | গরমে বিরক্তির শুরু আর রহস্যময় চিরকুট

গরমে ট্রাফিক জ্যামে বিহানের সাথে দিয়ার তীব্র বচসা শুরু হয়, যেখানে সে তাকে 'কাকু' বলে ডাকে। বাড়ি ফেরার পথে বিহান তাকে বাইকে তোলে, কিন্তু রাগ জমে। রাতে ছাদে রহস্যময় চিরকুট পায় দিয়া, আর অন্ধকারে কেউ তার গালে চুমু দেয়। আলিফ নয়, তাহলে কে?

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৫২ | শেষ পর্বে বিয়ের মুহূর্ত ও মা-বাবার পুনর্মিলন

বিয়ের দিন দিবা মায়ের সাথে পুনর্মিলন করে, আর সাদাত স্যার মৌসুমীর কাছে ক্ষমা চায়। আহনাফের বারের চাকরি নিয়ে সন্দেহ দূর হয়। বাসরঘরে মিনি আহনাফের মাথায় পড়ে সবাইকে হাসায়। গল্পের শেষে প্রেম, ক্ষমা ও পরিবারের মিলন ঘিরে থাকে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৫১ | চাকরির রহস্য ও বাবার প্রশ্ন

দিবার বাবা আহনাফের ব্যাংক চাকরি নিয়ে সন্দেহ করেন এবং সরাসরি জিজ্ঞাসা করেন। আহনাফ নতুন চাকরির কথা বলে কার্ড দেয়, কিন্তু দিবা ভয় পায় মিথ্যা ধরা পড়ার। এদিকে মিনির জন্য আনা বিড়ালছানা চিনি মিনির বন্ধুত্ব জমায়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৫০ | বাবার হাসি আর দিবার বিয়ের স্বপ্ন

দিবা বাবাকে বলে ফেলে যে সে আহনাফকে বিয়ে করতে চায়। সাদাত স্যার মুচকি হাসেন, আর দিবা আনন্দে আত্মহারা হয়। আহনাফ শেরওয়ানি অর্ডারের মজা করে, কিন্তু দিবা চায় সব ধীরে আর ঠিকঠাক হোক। মিনির দুষ্টুমি আর দিবার স্বপ্নে ভরপুর রাত কাটে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৯ | রাতের বাগানে আহনাফের জড়িয়ে ধরা

দিবা আহনাফের সাথে মজার লুকোচুরি খেলে তাকে রাগান। রাতে বাগানে আহনাফ তাকে জড়িয়ে ধরে নিয়ে যায়। সাদাত স্যার তাদের সম্পর্ক বুঝতে পারেন এবং মেয়েকে সেরাটা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দিবা আহনাফের সাথে বাইকে চড়ে বেরোয়, মিনি আগে থেকেই বাইকে বসে থাকে।