শ্রাবণসন্ধ্যা | পর্ব ৩৮ | অভিমানের খেলার ছলে
সন্ধ্যা ও শ্রাবণের মধ্যে চলছে অভিমানের খেলা। চারদিন ধরে সন্ধ্যা শ্রাবণের দিকে তাকাচ্ছে না। নেহা গ্রাম থেকে ফিরে এসে সন্ধ্যার বিষয়ে অনেক অজানা তথ্য জেনেছে।
সন্ধ্যা ও শ্রাবণের মধ্যে চলছে অভিমানের খেলা। চারদিন ধরে সন্ধ্যা শ্রাবণের দিকে তাকাচ্ছে না। নেহা গ্রাম থেকে ফিরে এসে সন্ধ্যার বিষয়ে অনেক অজানা তথ্য জেনেছে।
নেহালের বাবা-মা ঢাকায় এসে পৌঁছায়। নেহালের সাথে দেখা করে এবং রোদেদের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে রোদ গত চার দিন পর আজ একটু সুস্থ বোধ করছে।
সন্ধ্যার একটা স্থায়ী ব্যবস্থা না করা অব্দি মনোয়ারা বেগমের শান্তি নেই। কি করে সন্ধ্যার ক্ষতি করা যায় এই নিয়েই রাতদিন ভেবেছেন তিনি কিন্তু কোন পথে খুঁজে পাচ্ছেন না।
নেহাল আর নেহার রাতের আকাশে মিটিমিটি তারা দেখার সময় বার্ড আই রেস্টুরেন্টের ছাদে সাক্ষাৎ। নেহা নেহালকে সন্ধ্যার বিষয়ে কিছু বলতে চায়।
নেহালের বিয়ের প্রস্তাব, সন্ধ্যার স্নিগ্ধ সকাল, এবং রোদের সাথে নেহালের সম্ভাব্য বিয়ের আলোচনা।
সন্ধ্যা আর শ্রাবণ দুজনে একসাথে ফজরের নামাজ আদায় করে। সূর্যাদয়ের সাথে সাথে তাদের নতুন দিনের শুরু। সন্ধ্যা আর শ্রাবণ একসাথে সূর্যউদয় দেখার পরিকল্পনা করে।
নেহাল সন্ধ্যাকে নিয়ে এসেছে এক পুরোনো বাড়িতে। সন্ধ্যা ভয় পেয়েছে এবং নেহালের উদ্দেশ্য বুঝতে পারছে না। মনোয়ারা বেগম সন্ধ্যাকে অপমান করেছে এবং সন্ধ্যা কেঁদে ফেলেছে।