লেখক আফনান লারা

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩৭ | মেহেদি অনুষ্ঠানে গোপন প্রেমের আভাস

মেহেদি অনুষ্ঠানে দিবা ও আহনাফের মধ্যে অদৃশ্য টান অনুভূত হয়। দিবা মিনিকে খাওয়ায়, আহনাফ চুপচাপ তাকায়। আহনাফ দিবার হাতের মেহেদি দেখে মুগ্ধ হয়, আর পারিবারিক আড্ডায় সবাই তাদের বিয়ের কথা নিয়ে মজা করে। আহনাফ একাকী চাঁদ দেখে ভাবে, দিবা তার কাছে কতটা কাছে এগিয়ে এসেছে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩৮ | ছাদের ফুল আর আহনাফের ছবি

দিবা মিনিকে নিয়ে ছাদে ফুল দিয়ে সাজায়, আর আরিফ অজান্তে তোলে তার সুন্দর ছবি। আহনাফ সেই ছবি দেখে মুগ্ধ হয় এবং দিবার জন্মদিনে উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা করে। আদনান ও আরিফ আহনাফের আচরণে সন্দেহ করে, আর আহনাফ জোর গলায় বলে দিবা শুধু খালাতো বোন।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩৯ | গায়ে হলুদের বৃষ্টি আর আদনানের প্রস্তাব

গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে হঠাৎ বৃষ্টি নামে, ভিজে যায় সাজা দিবা। আহনাফ মুগ্ধ হয় তার কল্পনার প্রেয়সীকে খুঁজে পেয়ে। আদনান আহনাফকে স্বীকার করে দিবাকে বিয়ে করতে চাওয়ার ইচ্ছা, আর দিবা বারান্দায় দাঁড়ানো আহনাফের গম্ভীর চোখে কিছু একটা দেখে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪০ | হলুদের অন্ধকারে আহনাফের ছোঁয়া

আদনান দিবাকে প্রোপোজ করে, কিন্তু দিবা নাকচ করে দেয়। হলুদ অনুষ্ঠানে আঁধারে আহনাফ অজান্তে তার গালে হলুদ লাগায়, যা নিয়ে দিবা বিভ্রান্ত হয়। ডিনারে আহনাফের আচরণ আরও অদ্ভুত হয়ে ওঠে, আর দিবা ভাবতে থাকে—আহনাফ কি আসলেই তাকে পছন্দ করে?

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪১ | আহনাফের চা আর দিবার গোপন ভাবনা

দিবা আহনাফের জন্য চা নিয়ে আসে, কিন্তু তার গোপন ভাবনায় জাগে প্রেমের সন্দেহ। মণিতার বিয়েতে ব্যস্ত সবাই, আর দিবা আহনাফের আচরণ নিয়ে ভাবতে থাকে। বাইকে ফিরতে আহনাফের সাথে তার মজার কথোপকথন আর চায়ের কাপে গোপন ছোঁয়ায় ঘনিয়ে ওঠে আবেগ।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪২ | শাড়ির স্মৃতি আর চাঁদের আলো

দিবা বাবার দেওয়া শাড়ী নিয়ে মনের দ্বন্দ্বে ভোগে, আহনাফ তাকে পরতে উৎসাহ দেয়। নবীণ বরণের প্রস্তুতি চলে, আহনাফ লাল পাঞ্জাবি মেলায়। ছাদে একাকী বসা দিবাকে খুঁজে পায় আহনাফ, আদনানের প্রস্তাব উপেক্ষা করে দিবা আহনাফের প্রতি ইঙ্গিত দেয়। রাতে দুজন চাঁদের আলোয় ছাদে যাওয়ার প্রস্তাব করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৩ | ছাদের কথোপকথন আর শাড়িতে রান্না

ছাদে আহনাফ-দিবার গভীর কথোপকথনে উঠে আসে মায়ের বিষয়, বিয়ে আর হৃদয়ের ইশারা। আহনাফ রেশমির প্রস্তাব নাকচ করে বলে, "ঝলক মেরে ওঠে না"। পরদিন শাড়ি পরে রান্নায় দিবা পাকা গিন্নির মতো লাগে আহনাফের কাছে। ভার্সিটি আউটিংয়ে সাদাত স্যারের চেহারা দেখে খালামণি চমকে যান।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৪ | সাদাত স্যার আমার বাবা?

দিবার খালামণি ও সাদাত স্যারের মধ্যে চেনা চেনা লাগে। স্যার চিনতে পারেন মৌ আপাকে। খালামণি জানান, দিবা মৌসুমীর মেয়ে এবং সাদাতেরই রক্ত। দিবা মাথা ঘুরে পড়ে যায়। আহনাফ তাকে সামলায়। স্যার কাঁদতে থাকেন। দিবা ঘৃণা করে তাকে। আহনাফ তাকে লেকের পাশে নিয়ে যায় মন ভালো করতে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৫ | বাবার ফিরে আসা আর আহনাফের আঁচল ধরা

সাদাত স্যার দিবার খালামণির বাসায় হাজির হয়ে সবাইকে চমকে দেয়। দিবা তাকে দেখে লুকোয়, কিন্তু মা-বাবার ভিডিও কলে সব সত্যি উঠে আসে। দিবা বাবাকে ফিরে যেতে বলে, আর আহনাফ তাকে সান্ত্বনা দেয়। দাদি এসে মৌসুমীকে ফোনে তীব্র তিরস্কার করেন, আর আহনাফ দিবার লাল শাড়ির আঁচল ধরে মাকে লজ্জা দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৬ | বারের ঈর্ষা আর দিবার হাত ধরা

দিবা বাবার সাথে যাওয়া মানা করে রুমে চলে যায়। সাদাত স্যার মৌসুমীকে ফোন করে চাপ দেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। আহনাফ দিবাকে নিয়ে বারে আসেন। মিশকার সামনে দিবা আহনাফের হাত ধরে দাবি জানায়। ঈর্ষায় জ্বলে মিশকা, আর দিবা আহনাফের কাজ দেখে মুগ্ধ হয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৭ | রাতের কাজ আর দিবার মাথা পিঠে

আহনাফের রাতের ডিউটির শেষে দিবা তার পিঠে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। বাসায় ফেরার পর আহনাফ ক্লান্ত ঘুমিয়ে পড়ে, আর দিবা চুপিচুপি তার জ্যাকেট খুলে দেয়। সকালে আহনাফের খিদে নিয়ে মজার কথোপকথন হয়, কিন্তু দিবার মায়ের ফোনে সব বদলে যায়। সাদাত স্যারের চাপে দিবা বাবার কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, আর আহনাফ লক্ষ্য করে তার উদাস ভাব।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪৮ | আহনাফের জ্বর আর দিবার ভালোবাসা

দিবা আহনাফকে সবটা জানাতে চায়, কিন্তু নানা-নানুর আগমনে বাধা পায়। আহনাফ দিবার চলে যাওয়ার কথা শুনে ভেঙে পড়ে। অন্ধকারে বারান্দায় তাদের মধ্যে আবেগের মুহূর্ত ঘনিয়ে ওঠে। আহনাফ জ্বরে ভোগে, আর দিবা তাকে যত্ন করতে এসে হৃদয়ের কথা আঁচ করে।