ট্যাগ প্রেমের গল্প

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ২৮ | বিহান ভাইয়ের গান আর জ্বরে ভাঙা রাত

বিহান ভাই দিয়ার ইচ্ছায় গান গান, কিন্তু ঝড়ের রাতে দিয়ার জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় ভেঙে পড়ে সব আবেগ। জ্বরের ঘোরে দিয়া বিহানকে জড়িয়ে ধরে, আর বিহান সারারাত জেগে তার যত্ন নেন। তোহা আপুর কষ্টের কথা আর বিভোর ভাইয়ের বিয়ের মজায় মিশে আছে প্রেম, হাসি আর উদ্বেগ।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩০ | গোপন রহস্য ও মিঃ জহিরের আগমন

আহনাফের বারে আসেন ধনী ক্লাইন্ট মিঃ জহির, যার আগমনে বারের রিনোভেশনের নির্দেশ আসে। দিবা আহনাফের রুমে প্রবেশ করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করে, আর খালামণি সাদাত-মৌসুমীর প্রেমের গল্প শোনায়। আহনাফ চাকরির চাপে টেনশনে।

উপহার | পর্ব ১ | নিরবের ভাবনা ও অর্নার প্রথম দেখা

নিরব মেঘলা আকাশের নিচে ভাবনায় ডুবে আছে, অতীতের স্মৃতি ও অর্নার সাথে বিচ্ছেদের ব্যথা নিয়ে। বৃষ্টিতে ভিজে হ্যাপি ক্যাফেতে ফিরে সে নিজেকে প্রশ্ন করে—ভাগ্য কি সত্যিই সব নিয়ন্ত্রণ করে? ছয় বছর আগের সেই প্রথম দিনের কথা মনে পড়ে, যখন হিসাববিজ্ঞানে প্রথম হওয়ার পর অর্না তাকে অভিনন্দন জানায় এবং সাহায্য চায়। সেই মুহূর্ত থেকে শুরু হয় দুজনের গভীর সম্পর্কের ইতিহাস।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ৫৬ | কলেজ জীবন ও ভাইয়ার জ্যোৎস্নাবিলাস

উষা প্রাইভেট কলেজে ভর্তি হয়েছে, ভাইয়া তাকে সকালে নামিয়ে দেয়। ক্লাসে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে দুই মেয়ের সাথে। সিয়াম তাকে জিজ্ঞাসা করে কেন সবসময় ভয় পেয়ে পালায়। হঠাৎ রিহান আসে, কিন্তু তার সাথে প্রিয়ন্তী আসে। রিহান বিয়ের কথা বলে। রাতে ভাইয়া ছাদে নিয়ে গান গায়। ইমা আপু গর্ভবতী হওয়ায় ভাইয়া বাচ্চার কথা বলে। লতা ফোন নিয়ে রনির সাথে কথা বলছিল, ভাইয়া বুঝে শেষে রনির চাকরি ও লতার ফোন কেনে।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ৬ | ইহানের অনুভূতির দ্বন্দ্ব ও ফারিয়ার অভিমান

ইহান ঊষার প্রতি অস্বাভাবিক আকর্ষণে বিভ্রান্ত, আর ফারিয়ার ফোনে মনোযোগ দিতে পারে না। তার বিদেশি গার্লফ্রেন্ডের অভিমান, ব্ল্যাকমেল ও সম্পর্কের চাপ সত্ত্বেও ইহানের মন শুধু ঊষার দিকে। ভাই-বোনের সম্পর্ক নাকি কিছু অন্য কিছু? চলবে…

শ্রাবন সন্ধ্যা | পর্ব ৪৪ | সন্ধ্যার বিষয়ে অনেকটাই জট খুলেছে

নেহাল সন্ধ্যাকে নিয়ে এসেছে এক পুরোনো বাড়িতে। সন্ধ্যা ভয় পেয়েছে এবং নেহালের উদ্দেশ্য বুঝতে পারছে না। মনোয়ারা বেগম সন্ধ্যাকে অপমান করেছে এবং সন্ধ্যা কেঁদে ফেলেছে।

শ্রাবনসন্ধ্যা | পর্ব ৩৯ | অভিমানের খেলার ছলে

নেহালের বাবা-মা ঢাকায় এসে পৌঁছায়। নেহালের সাথে দেখা করে এবং রোদেদের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে রোদ গত চার দিন পর আজ একটু সুস্থ বোধ করছে।