ট্যাগ মেয়ের রাগ

ইচ্ছেপূরন | পর্ব ২ | বিভার ভাঙা বিশ্বাস আর আতিকের লুকোনো পাপ

বিভা আতিককে উলঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়তে দেখে ভেঙে পড়ে। পরকীয়ার সত্য জেনে লজ্জা, ঘৃণা আর অপমানে কাঁপছে সে। আতিকের মারধর আর চাচার সাহায্যে মুক্তি পেলেও মন ভাঙা বিভা বাসায় ফিরে কাঁদে। আতিক আঘাত সারাতে স্যাভলন লাগায়, কিন্তু বিভা তাকে এড়ায়। পরদিন রাগে আতিক খাবার ছুড়ে মারে আর বিভাকে চুল ধরে ধাক্কা দেয়। প্রতিদিনের নির্যাতনের শুরু হয়।

সে | পর্ব ৮ | নবনীর ভালোবাসা আর রুদ্রর ব্যস্ততার টানাপোড়েন

নবনী রুদ্রর ব্যস্ততায় হতাশ, ম্যাসেজে ভালোবাসা লিখেও মুছে ফেলে। লিমার খবরে জানতে পারে—রুদ্র রেস্টুরেন্টে হাসছে, যেখানে সে কিছুক্ষণ আগে ছিল ব্যস্ত। বিশ্বাস ভাঙে নবনীর, মনে হয় তাকে অবহেলা করা হচ্ছে। সত্য জানার জন্য সে ছুটে যায় রেস্টুরেন্টে।

গজপ্রিয়া | পর্ব ৯ | গজরানি ডাকার প্রতিবাদ আর সম্রাটের হাফ হাতি মন্তব্য

সকালের ম্যাসেজে সম্রাট রানিকে গজরানি ডাকায় রানির মেজাজ খারাপ হয়। নাম বিকৃতি ও 'হাফ হাতি' মন্তব্যে রাগান্বিত হয় সে। আশিকের সাথে আচরণ দেখে সম্রাটের ঈর্ষা চরমে, আর রানি মেহেন্দি পড়াতে ব্যস্ত থাকে। আশিক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অতীত স্মৃতি আর হারানো ভালোবাসায়।

গজপ্রিয়া | পর্ব ৭ | আশিক ভাইয়ার আগমন আর রানির লজ্জা

নানুবাড়িতে পৌঁছে রানি আশিক ভাইয়াকে দেখে চমকে যায়, ছোটবেলার ক্রাশের সামনে লজ্জায় জর্জরিত হয়। সম্রাট তাকে উত্তেজিত দেখে খোঁচা দেয়, রানি সাপের ছল করে আড়াল করে নিজেকে। ডিনারের পর ছাদে ব্যাচেলর পার্টির কথা শুনে রানি অবাক হয়।

গজপ্রিয়া | পর্ব ৪ | শপিং মলে সম্রাটের পা আর রানির রাগ

শপিং মলে রানি শাড়ি পছন্দ করছে, আয়নায় সম্রাটের ভ্রম দেখে বিরক্ত হয়। শাড়ি নিয়ে ঝগড়ায় সম্রাটের সাজেশনে রাগ করে রানি। ফুড কোর্টে পায়ে স্পর্শে অস্বস্তিতে পড়ে সে, সম্রাটের পায়ে হিল মারে। লাবিব জোর করে সম্রাটকে সঙ্গে পাঠায় বিলকিসদের নেওয়ার পথে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৬ | নিভ্রানের ঘ্রাণ আর রাত্রির অপমান

নিভ্রান রাত্রির ঘাড়ে নাক ঘষে তীব্র ঘ্রাণ পায় এবং পারফিউম না দেওয়ার কথা শুনে অবাক হয়। রাত্রি মায়ের সাথে ফোনে কথা বলে মামার উপর রাগ করে। পরদিন নিভ্রান গাড়ি নিয়ে আসে, কিন্তু রাত্রি দমবন্ধ ভয়ে গাড়ি না নেওয়ায় পায়ে হেঁটে যায়। মুদি দোকানদার তাকে অপমান করলে রাত্রি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১৪ | বিয়ের পরের ভোরে রাগ আর শাড়ির বাঁধন

বিয়ের পরের ভোরে দিয়াকে বিহান ভাই এলার্ম দিয়ে ঘুম থেকে তোলেন। পড়ার রুটিন, বিভোর ভাইয়ের ভুল বোঝাবুঝি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের গোপন কথা আর মামিদের কটূক্তি—সব মিলিয়ে দিয়ার মন ভারাক্রান্ত। বিহানের নির্দেশে প্রথম থ্রি পিছ পরার পর মামিরা তাকে জোর করে শাড়ি পরায়, আর রান্নাঘরে ঠেলে দেয়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ১০ | বিহান ভাইয়ের প্রেমের স্বীকারোক্তি ও দিয়ার প্রপোজ

বিহান ভাইয়ের স্রোতোশিনী নামের রহস্যময় প্রেমিকার কথা শুনে দিয়া ভেঙে পড়ে। তোহা আপুর পক্ষে তাকে প্রপোজ করতে যায়, কিন্তু বিহান ভাইয়ের ঠোঁটে হাসি দেখে বোঝা যায় সব ভাবালুতা মাত্র একটি ফাঁদ। পার্কের আড্ডায় প্রেমের গোপন কথা উঠে আসে, আর দিয়ার মনের ব্যথা ঘিরে থাকে নীরব আবেগে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২১ | ভোরের পার্কে ফুল আর ফাঁকা রাস্তায় সেফটিপিন

দিবা ভোরের পার্কে ফুল কুড়াতে গিয়ে আহনাফের সাথে ধাক্কা খায়। মিনির পিছু পিছু দৌড়ে আহনাফ দিবার ওপর পড়ে যায়। আহনাফ ফু দিয়ে আকর্ষণ এড়াতে চায়। পথে এক অসভ্য ছেলে তাকে হয়রানি করলে দিবা সেফটিপিন দিয়ে ভয় দেখায়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৯ | দিবার আগুনের কথা ও আহনাফের আইডি কার্ড

দিবা আহনাফের রাগে আহত হয়ে বেরিয়ে যায়, মণিতার শাশুড়ি তাকে পছন্দ করে। আদনান দিবার প্রশংসা করে। আহনাফের আইডি কার্ড মিনির মাথায় পড়ে, দিবা মন খারাপ করে বারান্দার স্বপ্ন বলে। আহনাফ কার্ডটি কেড়ে নেয়। ফিরতে দিবাকে বাইকে নিতে হয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ৩ | রুমকির শর্ত ও নায়লার রাগ

রুমকি ঋভূকে বিয়ে ভাঙার মতো কথা না বলার শর্ত দেয়। সে চায় সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ হোক। ঋভূ বিভ্রান্ত, নায়লাকে ভালোবাসে কিন্তু রুমকির সাথে বিয়ে হয়ে গেছে। নায়লা রেগে যায় ঋভূর দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখে। ঋভূ বন্ধু রোহেনের কাছে পরামর্শ চায়, কিন্তু মন বলছে রুমকির হাসি।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ২০ | ঊষার ভয় ও ইহানের কোচিং প্রস্তাব

ইহান ঊষাকে কোচিংয়ে ভর্তি করাতে জোর দেয়, চাচির তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও। ভাইয়ার রাগে ভয়ে কাঁপছে ঊষা, আর তার কঠিন নির্দেশে সে রেডি হয়ে যায়। কফি নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে ভাইয়ার ভেজা বুকের দৃশ্যে লজ্জায় লাল হয়ে ওঠে। প্রেম, ভয় ও যত্নের টানাপোড়েনে ভরপুর পর্ব।