ট্যাগ গর্ভাবস্থা

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪৩ | আল্ট্রার রিপোর্ট আর রাত্রির ভয়

নিভ্রান আল্ট্রার রিপোর্ট নিয়ে ফিরছে, রাত্রির জন্য আদরে ভরা চুমু খায় রিপোর্টে। হঠাৎ নিশাদের ফোন—রাত্রি খুব খারাপ লাগছে। নিভ্রান ছুটে আসে। ডাক্তার নিকিতা বলেন, ব্যথা স্বাভাবিক, বাচ্চা ভালো আছে। রাত্রি নিভ্রানকে ছাড়া ভয় পায়, সে কাঁদে। নিভ্রান আশ্বাস দেয়—সব ঠিক হবে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪২ | রাত্রির কোমড় ব্যথা আর নিভ্রানের উদ্বেগ

নিভ্রান ক্লান্ত অবস্থায় ফিরে রাত্রির ঘুমন্ত মুখ দেখে মুগ্ধ হয়। রাত্রি কোমড় ব্যথায় জেগে উঠলে নিভ্রান আতঙ্কিত হয়ে তাকে সাহস দেয়। রাতে রাত্রির ব্যথা কমলেও নিভ্রান ঘুমোতে পারে না। পরদিন নিশাদের মজার মন্তব্যে রাত্রি বিভ্রান্ত হয়, আর হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় নিভ্রানকে ফোন করার জন্য অনুরোধ করে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪১ | নিভ্রানের বাবার ফোন আর রাত্রির গর্ভাবস্থা

নিভ্রানের বাবা নওশাদ সাহেব রাত্রির প্রেগনেন্সি নিয়ে ফোন করেন। নিভ্রান লজ্জায় স্বীকার করে—রিপোর্ট পজিটিভ। মিষ্টি বিতরণে পুরো বিল্ডিং মাতোয়ারা। রাত্রির গর্ভাবস্থায় ক্লান্তি, বমি, মাথাব্যথা—নাহিদা তেল মাখায়, আর রাত্রি কাঁদে, "আসছেনা কেনো?"

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৩৯ | রাত্রির অজ্ঞান আর নিভ্রানের প্রতীক্ষা

রাত্রি রান্নাঘরে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। নিশাদ আতঙ্কিত হয়ে নিভ্রানকে ফোন করে। মিটিংয়ে থাকা নিভ্রান ছুটে আসে। ডাক্তার আসেন এবং সন্দেহ করেন রাত্রি গর্ভবতী। নিভ্রান চুপচাপ তার হাত ধরে থাকে, প্রতীক্ষায় আবেগের স্রোত।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩৯ | মেহনুবা আপুর সুইসাইড আর আবির ভাইয়ের আবেগঘন প্রতিশ্রুতি

মেহনুবা আপু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন, গর্ভবতী অবস্থায় বিষক্রিয়ায় ভুগছেন। পরিবার ভাঙা মনে দোয়া করে। জ্ঞান ফেরার পর আবির ভাইয়া তাকে থাপ্পড় মারেন, তারপর আবেগে বলেন—"আমি তোকে বিয়ে করবো, মরতে দেব না"। মেহনুবার কষ্টে সবাই কাঁদে।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ৫৬ | কলেজ জীবন ও ভাইয়ার জ্যোৎস্নাবিলাস

উষা প্রাইভেট কলেজে ভর্তি হয়েছে, ভাইয়া তাকে সকালে নামিয়ে দেয়। ক্লাসে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে দুই মেয়ের সাথে। সিয়াম তাকে জিজ্ঞাসা করে কেন সবসময় ভয় পেয়ে পালায়। হঠাৎ রিহান আসে, কিন্তু তার সাথে প্রিয়ন্তী আসে। রিহান বিয়ের কথা বলে। রাতে ভাইয়া ছাদে নিয়ে গান গায়। ইমা আপু গর্ভবতী হওয়ায় ভাইয়া বাচ্চার কথা বলে। লতা ফোন নিয়ে রনির সাথে কথা বলছিল, ভাইয়া বুঝে শেষে রনির চাকরি ও লতার ফোন কেনে।

পুষ্পের হাতে পদ্ম | পর্ব ১০ (অন্তিম পর্ব) | ভাবির মৃত্যু ও অনুশোচনার প্রতিধ্বনি

পুষ্প মৃত্যুর পর আকিব ভাইয়ের বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ও পরিবারের অনুশোচনা ফুটে উঠেছে। মৃত স্ত্রীকে শেষবার দেখার সময় ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে নন্দি। ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে পুষ্পের স্মৃতি জাগে, আর তার অসমাপ্ত গল্প লেখা হয় হৃদয়বিদারক উৎসর্গপত্রে।

পুষ্পের হাতে পদ্ম | পর্ব ৯ | পুষ্পের গর্ভাবস্থা ও তাকবীরের অভিশাপ

পুষ্প আবার গর্ভবতী হয়েছে, কিন্তু তাকবীরের অভিশাপের ভয়ে মানসিক চাপে ভুগছে। রান্নার সময় অজ্ঞান হয়ে পড়ে সে, আর পেট ফুলে ঢোলের মতো হওয়ায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরিবারের উপেক্ষা ও অন্তর্দ্বন্দ্বে ভারাক্রান্ত পুষ্পের মা হওয়ার স্বপ্ন কি আবার ভেঙে যাবে?

পুষ্পের হাতে পদ্ম | পর্ব ৭ | পুষ্পের হারানো স্বপ্ন ও নতুন শুরু

পুষ্প মিসক্যারেজের পর মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণায় ভোগে। গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অস্ত্রোপচার ছাড়াই প্রক্রিয়া হয়, আর মেজো কাকির কটূক্তি তাকে আরও ভেঙে দেয়। আকিবের আনা লাল শাড়ি ও চুড়িতে সাময়িক আনন্দ ফিরলেও পুকুরঘাটে পদ্ম হাতে ছবি তোলার মুহূর্তে নন্দি বুঝে ওঠে, পুষ্পই হবে তার উপন্যাসের কেন্দ্র।

পুষ্পের হাতে পদ্ম | পর্ব ৬ | পুষ্পের পরিবর্তন ও দুলাভাইয়ের ঘৃণা

পুষ্প শ্বশুরবাড়িতে সবার মন জয় করেছে তার সেবায়, কিন্তু দুলাভাই তাকে ঘৃণা করে। বাড়ির আর্থিক সংকটে কাকি তার গর্ভাবস্থায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। পুষ্পের মেকি হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে অসহায়ত্ব আর অনুতাপ।