অপরিচিত | পর্ব ১৫ | আরফার জীবন বাঁচাতে মেহরাবের চরম সিদ্ধান্ত
মেহরাব আরফাকে আত্মহত্যা থেকে বাঁচায় এবং তার জীবনকে রক্ষা করার জন্য একটি পরিকল্পনা করে।
মেহরাব আরফাকে আত্মহত্যা থেকে বাঁচায় এবং তার জীবনকে রক্ষা করার জন্য একটি পরিকল্পনা করে।
সিহাবের হিংস্রতা আর সিনথিয়ার কষ্ট ছাপিয়ে মেহরাব অবশেষে খান ভিলায় ফিরেছে। দাদাজানের সাথে আবেগঘন পুনর্মিলন আর আরফার নতুন চালের বিস্তারিত কাহিনী পড়ুন এখানে।
আরফা মিমির হাতের চড় খেয়ে নিজের জীবন নিয়ে ভাবতে থাকে। মিমির কথায় নিজেকে শুধরে ফেলার সংকল্প করে।
বাবার মৃত্যু আর রুমানের নির্মম বিশ্বাসঘাতকতায় আরফার পৃথিবী ওলটপালট হয়ে যায়। শোক আর যন্ত্রণার মাঝে মিমির সাহচর্যে নতুন করে পথচলার চেষ্টা করে আরফা।
আহনাফ নতুন বউ মিরাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যায়। মিরার মিথ্যা অভিযোগ ও ষড়যন্ত্রে আশার সাথে আহনাফের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। পড়ুন সংসারের ৪র্থ পর্ব।
সংসার গল্পের ৩য় পর্বে আহনাফের দ্বিতীয় স্ত্রী মীরার সাথে আশার দ্বন্দ্ব এবং পারিবারিক অশান্তির বিস্তারিত চিত্র ফুটে উঠেছে। ভালোবাসার টানাপোড়েন ও কষ্টের এক গল্প।
রুহির জ্ঞান ফেরার অপেক্ষায় বিভোরের তীব্র যন্ত্রণা ও বাবার সান্ত্বনা। অবশেষে রুহির চোখ খুললেও শুরু হয় এক নতুন শারীরিক সংকট। বিস্তারিত পড়ুন এই পর্বে।
বিভোর তার গোপন বিয়ের কথা বাবা-মায়ের কাছে স্বীকার করে। রুহির প্রতি তার অন্যায়ের কথা শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাবর চৌধুরী। পারিবারিক সংঘাতের এক করুণ মুহূর্ত।
আঠারো বছর বয়স গল্পের ১৪তম পর্বে ইভাকে ইশতিয়াকের আসল রূপ জানায় রুহি। অন্যদিকে নিরবের সাথে রুহিকে দেখে ঈর্ষান্বিত বিভোর তাকে জোর করে নিয়ে যায় এক রহস্যময় ঠিকানায়।
বিভোর রুহিকে ইশতিয়াকের লালসা থেকে রক্ষা করলেও রুহির মনে জমে থাকা অভিমান ও যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সম্পর্কের টানাপোড়েনে এক করুণ কাহিনী।
তিন বছর পর বিভোর ও রুহির আকস্মিক দেখা। ডিভোর্সের প্রস্তাব ও অভিমানের মাঝে রুহিকে নতুন বিপদে ফেলে ইশতিয়াক। কি হবে এবার? পড়ুন আঠারো বছর বয়স পর্ব ৬।
নীল তার প্রেমিকার বিশ্বাসঘাতকতা দেখে ভেঙে পড়ে। বৃষ্টির রাতে এক অপরিচিত মেয়ের সাথে তার আলাপ হয়, যা তাকে কিছুটা মানসিক শান্তি দেয় এবং নতুন মোড় নেয় গল্প।