অপরিচিত পর্বঃ০১
আরফার জীবন শুরু হয়েছিল ১৫ বছর বয়সে। তার বাবা বিদেশে থাকতেন এবং মা তাকে নিয়ে একা থাকতেন।
আরফার জীবন শুরু হয়েছিল ১৫ বছর বয়সে। তার বাবা বিদেশে থাকতেন এবং মা তাকে নিয়ে একা থাকতেন।
অপরিচিত গল্পের দ্বিতীয় পর্বে মেহরাবের বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে মায়ের সাথে তার আবেগঘন পুনর্মিলন এবং সিনথিয়ার সাহসী প্রেমের স্বীকারোক্তির এক চমৎকার কাহিনী।
অপরিচিত গল্পের ৩য় পর্বে আরফা ও রুমানের মিষ্টি প্রেম এবং সিনথিয়ার ভালোবাসার স্বীকৃতি ফুটে ওঠে, তবে গল্পের শেষে আরফাকে ঘিরে শুরু হয় এক রহস্যময় পারিবারিক সংকট।
বাবার মৃত্যু আর রুমানের নির্মম বিশ্বাসঘাতকতায় আরফার পৃথিবী ওলটপালট হয়ে যায়। শোক আর যন্ত্রণার মাঝে মিমির সাহচর্যে নতুন করে পথচলার চেষ্টা করে আরফা।
আরফা মিমির হাতের চড় খেয়ে নিজের জীবন নিয়ে ভাবতে থাকে। মিমির কথায় নিজেকে শুধরে ফেলার সংকল্প করে।
সিনথিয়া ও মেহরাবের এনগেজমেন্টের পর বিচ্ছেদ এবং ডাক্তার আরফার সাথে মুজাহিদ খানের রহস্যময় সাক্ষাৎ। এক গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস পায় আরফা।
আরফা ফেসবুকে মেহরাব খানকে খুঁজে পায় এবং তাদের মধ্যে কথা শুরু হয়। মেহরাব জানতে পারে বাংলাদেশে তার দাদাজানের হসপিটাল আছে এবং সেখানে তার জরুরি প্রয়োজন।
মুজাহিদ খানের অনুশোচনা ও আরফার সাহায্য পাওয়ার চেষ্টা। অন্যদিকে মেহরাব ও মেহেকের মধ্যে দাদাজানের জন্য বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব ও অভিমানের লড়াই।
কানাডা থেকে বাংলাদেশে ফিরে মেহরাবের আরফার সাথে প্রথম দেখা এবং সিনথিয়ার গোপন জীবনের করুণ কাহিনী। মুজাহিদ খানের খোঁজে মেহরাবের নতুন যাত্রার বিস্তারিত গল্প।
সিহাবের হিংস্রতা আর সিনথিয়ার কষ্ট ছাপিয়ে মেহরাব অবশেষে খান ভিলায় ফিরেছে। দাদাজানের সাথে আবেগঘন পুনর্মিলন আর আরফার নতুন চালের বিস্তারিত কাহিনী পড়ুন এখানে।
অপরিচিত গল্পের ১১তম পর্বে আরফা ও মেহরাবের তিক্ত সাক্ষাৎ হয়। দাদাজানের জন্য মেহরাবের সাথে তার পথচলা এবং এক রহস্যময় ফোন কল বদলে দেয় সব কিছু।
মেহরাবের সন্দেহ, দাদাজানের খাবারে সমস্যা। আরফার অতীতের ক্ষত।