সিরিজ অনন্যময়ী

অনন্যময়ী | পর্ব ১৩ | অনির ঘাড়ের ব্যথা ও রিশাদের শয়তানি মার্কা হাসি

অনি সোফায় ঘুমানোর কারণে ঘাড়ে তীব্র ব্যথা পায়। শায়লা বেগম তাকে সেঁক দেন ও কফি দিয়ে সান্ত্বনা করেন। রিশাদ অনিকে টিজ করে বলে, ঘাড় আটকানোর শাস্তি পেয়েছে। রাগে অনি ওয়াশরুমে চলে যায়। মিথিলা ও রিশা এসে পরিস্থিতি হালকা করে। অনি মিথিলার মনের গভীরে কী চলছে তা বুঝতে চায়।

অনন্যময়ী | পর্ব ১৪ | অনির বাগানের স্মৃতি ও রিশাদের ছাদের আহ্বান

অনি বাগানে ফুলের সুবাসে মগ্ন হয়ে পড়ে, সাদা গোলাপের দেখা পেয়ে মনে পড়ে বিদেশের বাগানের কথা। রিশাদ বেলকনিতে তাকে নজরে রাখে। পরে অনি রিশাদকে ছাদে নিয়ে যায়, যেখানে নীরবতা জমে ওঠে দুজনের মাঝে।

অনন্যময়ী | পর্ব ১৫ | ছাদের নীরবতা ও রিশাদের প্রশ্ন

ছাদে বসে অনি ও রিশাদের মধ্যে নীরবতা ভাঙে রিশাদের এক প্রশ্নে। সে জানতে চায়, অনি কবে ইংল্যান্ডে ফিরবে। অনির উত্তরে রিশাদ বুঝতে পারে তার ভালোবাসা শুধু অদ্রির জন্য, কিন্তু অনির উপস্থিতি তার পরিবারের কাছে অমূল্য। রিশা তাদের মুহূর্ত ক্যামেরায় বন্দি করে।

অনন্যময়ী | পর্ব ১৬ | রায়হান সাহেবের অশ্রু ও অনির ল্যাপটপের ইমেইল

রায়হান সাহেব অনি ও রিশাদের মিলনে আবেগাপ্লুত হন, নিজেকে সবচেয়ে সুখী বাবা মনে করেন। শায়লা বেগম তার কাঁধে মাথা রাখেন। সাবিনা বেগম নীরবে কাঁদেন, মেয়ে মিথিলার জন্য ব্যথা পান। অনি রিশাদের ল্যাপটপে অদ্রির ছবি দেখে মন খারাপ করে জরুরি ইমেইল পাঠায়।

অনন্যময়ী | পর্ব ১৭ | রিশাদের ডাক ও হিমাদ্রীর প্রত্যাবর্তনের প্রতীক্ষা

রিশাদ অনিকে প্রথমবার 'অনন্যময়ী' ডাকে, আর অনি মুগ্ধ হয়। ডাইনিং টেবিলে সবাই খাচ্ছে, কিন্তু মিথিলার চোখে যন্ত্রণা। রাতে অনি রিশাদের পাশে ঘুমায়। এদিকে, কানাডা থেকে হিমাদ্রী চৌধুরী অনিকে নিতে ফিরছে, তার মনে স্মৃতি জাগে প্রথম দেখার।

অনন্যময়ী | পর্ব ১৮ | হিমাদ্রীর আগমন ও রিশাদের প্রথম বাইরে বেরোনো

হিমাদ্রী মায়ের কাছে ফিরে আসে আবেগের জলে ভাসে। রাফির সঙ্গে মজার ঝগড়ায় মন হালকা হয়। রাতে মায়াবতীর কথা ভেবে ঘুম আসে না। অন্যদিকে, অনি রিশাদের হাত ধরে ঘুমায়। সকালে রিশাদ তাকে তাকিয়ে দেখে মুগ্ধ হয়। প্রথমবার বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় রিশাদ।

অনন্যময়ী | পর্ব ১৯ | চায়ের দোকানের স্পেশাল মুহূর্ত ও হিমাদ্রীর তাড়াহুড়ো

অনি রিশাদকে নিয়ে বাগানে হাঁটতে যায়, মিথিলা জানালা দিয়ে তাদের দেখে মনে মনে ভেঙে পড়ে। চায়ের দোকানে শিউলির গল্প শুনে অনি রিশাদের ভালো লাগার অনুভব করে। হিমাদ্রী লেট হয়ে ঘুম থেকে ওঠে, রাফিকে ধমক দিয়ে হোটেল ড্রিম পার্কে ডাকে।

অনন্যময়ী | পর্ব ২০ | হিমাদ্রীর মায়াবতী খোঁজ ও গুনগুনের রাগ

হিমাদ্রী চৌধুরী হোটেল ড্রিম পার্কে অনিকে খুঁজতে আসে, সিসিটিভি ফুটেজে তাকে চিনতে পারে। রাফির কৌশলে রিশাদের ঠিকানা পায়। বাড়িতে ফিরে গুনগুন তাকে রাগান্বিত ভাবে জানায়, চাচ্চু তাকে ভালোবাসে না। অনি শ্বশুরবাড়িতে মায়ের সাথে দেখা করে আবেগে ভেঙে পড়ে।

অনন্যময়ী | পর্ব ২১ | হিমাদ্রী-গুনগুনের মুহূর্ত ও কাব্য-নিরার অতীতের গল্প

হিমাদ্রী ও রাফি গুনগুনকে নিয়ে মজায় মগ্ন হয়। লাঞ্চের সময় গুনগুনের হাসি সবাইকে আনন্দে ভাসায়। অতীতে কাব্য চৌধুরী নিরার গানে মুগ্ধ হয়, কিন্তু নিরার বাবার মৃত্যুর পর পরিবার তাকে বিয়ে চাপিয়ে দিতে চায়। কাব্য তাকে বাঁচায় এবং বিয়ে করে। নিরা নতুন জীবনে ভয় ও আশার মাঝে দ্বিধায়।

অনন্যময়ী | পর্ব ২২ | রিশাদের স্টাডি রুমে অনির আগমন ও সংসারের মায়া

রিশাদ প্রথমবার একা হাঁটার চেষ্টা করে স্টাডি রুমে যায়। অনি তাকে সেখানে দেখে অবাক হয়। রিশাদের হাসি দেখে অনির মন ভালো হয়। রান্নাঘরে সাবিনা বেগমের কথায় অনি ভাবতে থাকে—এই সংসার কি তারই হবে? মায়া কি তাকে গ্রাস করছে?

অনন্যময়ী | পর্ব ২৩ | হিমাদ্রী-নিধির শপিং মল মুহূর্ত ও অনির আকাশি জামার রাত

হিমাদ্রী গুনগুনকে নিয়ে শপিংয়ে যায় এবং নিধির সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা হয়। আইসক্রিম পার্লারে মাস্ক পরা মেয়েটির কথা শুনে সন্দেহ জাগে। এদিকে, অনি আকাশি রঙের জামায় রিশাদের সামনে আসে, যার সৌন্দর্যে রিশাদ মুগ্ধ হয়। অনি শহর ছাড়ার কথা ভাবে, কিন্তু নতুন অনুভূতি তাকে নাড়া দেয়।

অনন্যময়ী | পর্ব ২৪ | গুনগুনের সংকট ও অজানা এরিকের রক্তদান

গুনগুন খেলনা গাড়িতে পিছলে মাথায় আঘাত পায়, তীব্র রক্তক্ষরণে অবস্থা আশঙ্কাজনক। হিমাদ্রী তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বি নেগেটিভ রক্তের অভাবে সংকট তীব্র হয়। এমন সময় মাস্ক পরা এক অজানা ব্যক্তি এরিক এসে রক্তদান করে। অপারেশন সফল হয়, গুনগুন বিপদ কাটায়। এদিকে রিশাদ অনির ঘুমন্ত মুখে তাকিয়ে ভাবে, তার জীবন কি অদ্রির ছায়ায় নষ্ট হচ্ছে।