অনন্যময়ী | পর্ব ৪ | অনন্যময়ী ডাকে অনির থমকে যাওয়া ও মায়ের সাথে হাসপাতালে যাত্রা

অনি হাসপাতালে যাওয়ার পথে অচেনা কণ্ঠে নিজের বিশেষ নাম 'অনন্যময়ী' শুনে থমকে যায়। সামনে দাঁড়ায় তার মা অনামিকা শেখ। মায়ের সাথে বছরের পুরনো দূরত্ব ও অভিমান নিয়ে গাড়িতে উঠে হাসপাতালে যায়। সেখানে রিশাদের করুণ অবস্থা দেখে ভেঙে পড়ে অনি।

অনন্যময়ী | পর্ব ৩ | অনির ভোরের স্নিগ্ধতা ও রান্নার প্রথম পদক্ষেপ

অনি বিয়ের পরদিন ভোরে স্বপ্নে অচেনা ডাক শুনে ঘুম থেকে উঠে মাথাব্যথা নিয়ে বাগানে কফি নিয়ে বসে। সূর্যোদয়ের স্নিগ্ধতায় মন শান্ত হয়। রান্নাঘরে মিতালির সাহায্যে সবার জন্য রান্না করে এবং রিশাদের জন্য আলাদা খাবার বানায়। দিদার সাথে হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়, আর বেরোনোর সময় আবার শোনে—"অনন্যময়ী"।

অনন্যময়ী | পর্ব ২ | অনির মানসিক দ্বন্দ্ব ও পরিবারের কষ্ট

অনি হাসপাতালে দিদার কোলে মাথা রেখে নীরব হয়ে যায়, মনে মনে ভাঙা অদ্রিপুর কথা। রিশাদের পরিবারের কষ্ট দেখে নড়েচড়ে বসে, কিন্তু নিজেকে আপন করতে পারে না। রিশার কান্নায় ভেঙে পড়ে অনি, তবু দিদা জাহানারা বেগমকে বলে—বাড়ি যেতে চায়।

অনন্যময়ী | পর্ব ১ | বধূ বেশে হাসপাতালের করিডোরে অনির কান্না

বধূ বেশে হাসপাতালের করিডোরে দাঁড়িয়ে অনি কাঁদতে পারছে না, তার ভেতর থেকে আবেগ মুছে গেছে। মাত্র ৫ ঘণ্টা আগে বিয়ে হওয়া স্বামী আইসিইউতে জীবিত লাশের মতো শুয়ে আছে। অনি মনে মনে ভাবে তার বোন অদ্রির বিয়ের কথা, যার জায়গায় সে এখন দাঁড়িয়ে।

প্রস্থান | পর্ব ২৩ | চিত্রার নিঃসঙ্গতা ও ফিরোজের আগমন

চিত্রা বাপের বাড়িতে নিঃসঙ্গতায় ভুগছে, ফিরোজের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ভাই-বোনদের আনন্দময় আগমনে মুহূর্তের জন্য ভুললেও ফিরোজের নামে গাঢ় বেদনা। শপিংয়ে কনার সাথে দেখা, সুব্রত-রশ্মির বিয়ের প্রস্তাবের কথা শোনা। হঠাৎ ফিরোজের আগমনে চিত্রার বুক ধড়াস করে উঠল।

প্রস্থান | পর্ব ২২ | খালেদ সাহেবের বিয়ের প্রস্তাব ও রুমানা বেগমের প্রত্যাখ্যান

খালেদ সাহেব রুমানা বেগমের কাছে সুব্রত-রশ্মির বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন, কিন্তু রুমানা বেগম স্পষ্ট প্রত্যাখ্যান জানান। রশ্মি গোপনে কথাগুলো শোনে এবং চিত্রার অনুপস্থিতির খবরে মন খারাপ হয়। খালেদ সাহেব বারবার চেষ্টা করলেও রুমানা বেগম অটল থাকেন, শেষ পর্যন্ত খালেদ হাল ছাড়েন।

প্রস্থান | পর্ব ২১ | সুব্রতের বিয়ের প্রস্তাব ও চিত্রার প্রস্থান

সুব্রত রুশার ভাই আরিফের কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যায়, যেখানে আরিফ সম্মতি দেয় কিন্তু সাত দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি করে বিয়ের শর্ত দেয়। চিত্রা সুব্রতের ডায়েরি পড়ে বিয়ের তারিখ জানতে পারে এবং মনস্তাপে বাপের বাড়িতে ফিরতে বাধ্য হয়। ফিরোজের নির্মম আচরণে তার হৃদয় ভেঙে যায়।

প্রস্থান | পর্ব ২০ | সুব্রতের অনুতাপ ও রুশার প্রথম দেখা

সুব্রত ছাদে খালেদ সাহেবকে মাফ চায়, কিন্তু খালেদ নিজের অতীতের অপরাধে অনুতপ্ত হয়ে পড়েন। সুব্রত জমি ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দেয়, আর খালেদ তাকে ফ্যাক্টরির দায়িত্ব দিতে চান। এদিকে, চিত্রা ডায়েরি পড়ে জানতে পারে সুব্রত-রুশার প্রথম দেখার গল্প।

প্রস্থান | পর্ব ১৯ | সুব্রতের অপরাধবোধ ও চিত্রার বাপের বাড়িতে প্রত্যাবর্তন

সুব্রত অফিসে অস্থির, অতীতের ভুলের জন্য অপরাধবোধে ভারাক্রান্ত। চিত্রার শাশুড়ি তাকে দূরে রাখতে চায়। ফিরোজ মায়ের চাপে চিত্রাকে বাপের বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সুব্রত চায়ের কাপের নিচে চিত্রার লেখা পায়—'সরি' শব্দের মাধ্যমে মানসিক শান্তির কথা।

প্রস্থান | পর্ব ১৮ | সুব্রতের জমি নিয়ে সংঘাত ও চিত্রার ক্ষোভ

সুব্রত রশ্মিকে সিগারেট কেনার সময় ধরে ফেলে তাকে নিয়ে যায়। পরিবারে জমির ব্যবহার নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। সুব্রত অভিযোগ করে পরিবার তার সম্পত্তি দখল করতে চায়। চিত্রা রাতে তাকে তীব্র তিরস্কার করে, খালেদ সাহেবের কষ্ট দেখিয়ে।

প্রস্থান | পর্ব ১৭ | সুব্রতের প্রথম ভালোবাসা ও রশ্মির সিগারেটের রহস্য

সুব্রত চিত্রাকে বলে রুশার সাথে তাঁর প্রথম দেখা ও গভীর ভালোবাসার কথা। হিজল ফুলের মধ্যে আবিষ্কৃত সেই মুহূর্ত জাদুর মতো ছিল, কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেল—কেন ভালোবাসার পরও নির্যাতন? এদিকে, রুমানা বেগম মেয়ের ঘরে সিগারেট খুঁজে পান। মারধর করেন। রশ্মি নতুন করে সিগারেট কিনতে গিয়ে হঠাৎ দেখা পায় এক বিপজ্জনক মানুষের সাথে।

প্রস্থান | পর্ব ১৬ | সুব্রতের আঁচারের গোপন কাহিনী ও রুমানার অফিস নির্যাতন

চিত্রা সুব্রতের ডায়েরি ফেরত দেয়, কিন্তু জানতে চায় তাঁর অতীত। সুলতানা আঁচারের গল্পে ফাঁস করে সুব্রতের বেদনা। রুমানা বেগম বসের যৌন উত্তেজনার শিকার হয়ে মানসিক যন্ত্রণায় ভোগেন। চাকরি হারানোর ভয়ে নীরব থাকেন, কিন্তু মেয়েকে নিয়ে হুমকি দেওয়ায় রাগে ফেটে পড়েন।