ক্যাটাগরি প্রেমের গল্প

সে | পর্ব ১০ | নবনীর ভালোবাসা আর রুদ্রর অবহেলার শেষ

নবনী রুদ্রকে ভালোবাসি বলে স্বীকারোক্তি দেয়, কিন্তু রুদ্র স্পষ্ট জানায় সে ক্যারিয়ারে ফোকাস করতে চায়। নবনী ক্ষতবিক্ষত হয়, রুদ্রর ডে হাইড করায় রাগ ও বেদনায় ভাঙে। শেষে সে রুদ্রকে ব্লক করে দেয়, নিজের মর্যাদা রক্ষা করে।

গজপ্রিয়া | অন্তিম পর্ব ১৮ (শেষ অংশ) | রানির ফিরে আসা আর তৃতীয় বার্ষিকীর সারপ্রাইজ

রানি নিখোঁজ হয়ে যায়, সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। সম্রাট অটোচালকের কাছ থেকে খবর পেয়ে স্টেশনে ছুটে যায় এবং ওয়েটিং রুমে রানিকে খুঁজে পায়। রানি কাঁদতে কাঁদতে সব কথা বলে। লাবিব কাজি সাহেবকে ডেকে আনেন এবং রাতেই হয় রানি-সম্রাটের বিয়ে। তিন বছর পর তাদের তৃতীয় বার্ষিকীতে সম্রাট সারপ্রাইজ দেয়, আশিক ভাইয়া তাদের দেখা দেন এবং রানিকে ক্ষমা করেন।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪৪ | রাত্রির আশ্বাস আর নিভ্রানের প্রতিজ্ঞা

রাত্রি ভোরে বারান্দায় দাঁড়িয়ে মেঘের দিকে চেয়ে থাকে, নিভ্রান ঘুম থেকে উঠে তাকে ঘরে ফিরতে বলে। গালে কাটা দেখে রাত্রি উদ্বিগ্ন হয়। নওশাদ সাহেব নাতনীর জন্য পুতুল কিনে আনেন। রাত্রি আয়নায় নিজেকে কুৎসিত ভাবতে শুরু করে, নিভ্রান তাকে জোর দিয়ে বলে—"তুমি থাকলেই হবে"। বৃষ্টিতে ভিজে নিভ্রান রাত্রিকে বিয়ের শাড়ি পরায় এবং প্রেমের প্রতিজ্ঞা করে। গল্প শেষ হয় আবেগঘন মুহূর্তে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪৩ | আল্ট্রার রিপোর্ট আর রাত্রির ভয়

নিভ্রান আল্ট্রার রিপোর্ট নিয়ে ফিরছে, রাত্রির জন্য আদরে ভরা চুমু খায় রিপোর্টে। হঠাৎ নিশাদের ফোন—রাত্রি খুব খারাপ লাগছে। নিভ্রান ছুটে আসে। ডাক্তার নিকিতা বলেন, ব্যথা স্বাভাবিক, বাচ্চা ভালো আছে। রাত্রি নিভ্রানকে ছাড়া ভয় পায়, সে কাঁদে। নিভ্রান আশ্বাস দেয়—সব ঠিক হবে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪২ | রাত্রির কোমড় ব্যথা আর নিভ্রানের উদ্বেগ

নিভ্রান ক্লান্ত অবস্থায় ফিরে রাত্রির ঘুমন্ত মুখ দেখে মুগ্ধ হয়। রাত্রি কোমড় ব্যথায় জেগে উঠলে নিভ্রান আতঙ্কিত হয়ে তাকে সাহস দেয়। রাতে রাত্রির ব্যথা কমলেও নিভ্রান ঘুমোতে পারে না। পরদিন নিশাদের মজার মন্তব্যে রাত্রি বিভ্রান্ত হয়, আর হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় নিভ্রানকে ফোন করার জন্য অনুরোধ করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪২ | শাড়ির স্মৃতি আর চাঁদের আলো

দিবা বাবার দেওয়া শাড়ী নিয়ে মনের দ্বন্দ্বে ভোগে, আহনাফ তাকে পরতে উৎসাহ দেয়। নবীণ বরণের প্রস্তুতি চলে, আহনাফ লাল পাঞ্জাবি মেলায়। ছাদে একাকী বসা দিবাকে খুঁজে পায় আহনাফ, আদনানের প্রস্তাব উপেক্ষা করে দিবা আহনাফের প্রতি ইঙ্গিত দেয়। রাতে দুজন চাঁদের আলোয় ছাদে যাওয়ার প্রস্তাব করে।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৭ | রুমকির প্রত্যাবর্তন ও আজাদের শেষ স্মৃতি

ঋভূ হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে রুমকির সাথে পুনর্মিলন ঘটে। রুমকি নায়লাকে তার স্বামীর ব্যক্তিগত জীবন থেকে দূরে রাখতে স্পষ্ট করে। আজাদ অদিতিকে নিয়ে ঝিনাইদহ যাওয়ার আগে তার সম্পত্তি রুমকিকে হস্তান্তর করে। পরে কাপ্তাইয়ে আজাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। দুই বছর পর রুমকি আজাদের পুত্র আসাদের সাথে অদিতির দেখা করে, কিন্তু অদিতি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৪ | ঋভূর জ্ঞান ফেরা ও রুমকির খোঁজ

ঋভূ জ্ঞান ফিরে পায় এবং দুর্ঘটনার স্মৃতি মনে পড়ে। রুমকির অবস্থা জানতে চায়, কিন্তু নায়লা তাকে রুমকির মৃত্যুর কথা বলে। আম্মু থেকে জানতে পারে রুমকি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। ঋভূ মানসিক যন্ত্রণায় ভোগে এবং তাকে খুঁজে বার করার দৃঢ় সংকল্প নেয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২২ | রুমকির অজানা অবস্থান ও আজাদের খোঁজ

রুমকির বাস এক্সিডেন্টের পর তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আজাদ মুনতাসীরের আত্মীয় হওয়ায় তাকে নিয়ে চাপ বাড়ে। কোহিনূর মহিলাদের জিম্মায় রেখেছে, আর লিটন সমাদ্দার রুমকিকে খুঁজে আজাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ৩ | রুমকির শর্ত ও নায়লার রাগ

রুমকি ঋভূকে বিয়ে ভাঙার মতো কথা না বলার শর্ত দেয়। সে চায় সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ হোক। ঋভূ বিভ্রান্ত, নায়লাকে ভালোবাসে কিন্তু রুমকির সাথে বিয়ে হয়ে গেছে। নায়লা রেগে যায় ঋভূর দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখে। ঋভূ বন্ধু রোহেনের কাছে পরামর্শ চায়, কিন্তু মন বলছে রুমকির হাসি।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২ | ঋভূর মনক্ষুণ্ণতা ও রুমকির প্রথম কথোপকথন

ঋভূ মনে মনে নায়লাকে ভালোবাসার কথা ঘোষণা করে আম্মুর সাথে তর্ক করে। নতুন বউ রুমকিকে ঘরে ঢুকে দেখে অস্বস্তিতে পড়ে। রুমকি জানায়, বিয়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সে আগে থেকেই জানত ঋভূর সাথে বিয়ে হবে। উভয়ের মধ্যে শুরু হয় সত্যি কথা বলার প্রথম পদক্ষেপ।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ৫৩ | ঊষার বিয়ে প্রত্যাখ্যান ও চাচির চড়

চাচি ঊষাকে জোর করে বিয়ে দিতে চায়, কিন্তু ঊষা সবার সামনে চেঁচিয়ে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করে। চাচি রাগে তাকে চড় মারে, আর পরিবারের লোকজন অপমান বোধ করে চলে যায়। ভাইয়া না থাকায় ঊষাকে নিজেকে নিজে রক্ষা করতে হয়, আবেগ, সংঘাত ও সাহসের মুহূর্তে ভরপুর পর্ব।