ক্যাটাগরি ক্যাম্পাস লাভ

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৪০ | হলুদের অন্ধকারে আহনাফের ছোঁয়া

আদনান দিবাকে প্রোপোজ করে, কিন্তু দিবা নাকচ করে দেয়। হলুদ অনুষ্ঠানে আঁধারে আহনাফ অজান্তে তার গালে হলুদ লাগায়, যা নিয়ে দিবা বিভ্রান্ত হয়। ডিনারে আহনাফের আচরণ আরও অদ্ভুত হয়ে ওঠে, আর দিবা ভাবতে থাকে—আহনাফ কি আসলেই তাকে পছন্দ করে?

সবটা অন্যরকম | পর্ব ৩৩ | আংটির রহস্য ও মিশকার আক্রমণ

দিবা ভাবছে বিয়ে নিয়ে খালামণির মজা, আর আহনাফ তাকে সাদা জামায় মুগ্ধ হয়। ভার্সিটিতে সাদাত স্যার তার বাবার নাম জিজ্ঞাসা করতেই দিবা আঘাত পায়। মিশকা তাকে আক্রমণ করে আংটি চায়, জিসান ফাঁদে ফেলে বাঁচায়। আহনাফ সব মিথ্যা খুলে বলে: দিবার সাথে মিথ্যা এঙ্গেজমেন্টের গল্প!

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২৭ | সাদাত স্যারের বাগান ও দিবার পেয়ারা পাতার চা

দিবা সাদাত স্যারের বাগানে মুগ্ধ হয়ে পেয়ারা পাতা দিয়ে রঙ চা বানায়, যা দেখে স্যার মৌসুমীর কথা মনে করেন। দিবার চায়ের স্বাদে স্যারের মন ভরে যায়, আর কালো গোলাপের টব নিয়ে সে আহনাফকে অবাক করে দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২৬ | আহনাফের গোপন এঙ্গেজমেন্ট ও দিবার চাঁদা তোলা

দিবা সাদাত স্যারের জন্য চাঁদা তুলতে গিয়ে নাম ভুলে যায়, আর আহনাফের গোপন এঙ্গেজমেন্টের কথা শুনে ফেলে। পিলারে রঙ লেগে হাত নষ্ট হয় তার, আর মিশকার সাথে আহনাফের কথা শুনতে গিয়ে ধরা পড়ে। সাদাত স্যারের বাসায় যাওয়ার পথে দিবা আহনাফকে ব্ল্যাকমেইল করে বাইকে উঠে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২২ | দিবার ফুল গাছ আর আহনাফের গোপন উদারতা

দিবা ভার্সিটিতে আহনাফের দিকে তাকিয়ে হাঁটতে গিয়ে সাদাত স্যারের সাথে ধাক্কা খায়। স্যার মজা করে বলেন, সে আহনাফকে দেখতে গিয়েই ধাক্কা খায়। আহনাফ ও আদনান ফুলের অর্ডার দিতে শাহবাগে আসে। সেখানে দিবাকে ফুল গাছ কিনতে দেখে আহনাফ গোপনে তাকে একশো টাকা দেয়, কিন্তু গর্ব বাঁচাতে বলে মালিককে মাথায় ফুল গাছ তুলে দিতে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ২১ | ভোরের পার্কে ফুল আর ফাঁকা রাস্তায় সেফটিপিন

দিবা ভোরের পার্কে ফুল কুড়াতে গিয়ে আহনাফের সাথে ধাক্কা খায়। মিনির পিছু পিছু দৌড়ে আহনাফ দিবার ওপর পড়ে যায়। আহনাফ ফু দিয়ে আকর্ষণ এড়াতে চায়। পথে এক অসভ্য ছেলে তাকে হয়রানি করলে দিবা সেফটিপিন দিয়ে ভয় দেখায়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৮ | আহনাফের মিথ্যা এঙ্গেজমেন্ট ও মণিতার আংটি পরা

আহনাফ মিশকাকে বাঁচতে মিথ্যা এঙ্গেজমেন্টের কথা বলে। মিশকা রেগে চলে যায়। মণিতার আংটি পরার অনুষ্ঠানে আহনাফ দিবাকে ওড়না ঠিক করতে ধমকায়। দিবা কাঁদে, আহনাফ তাকে বাসার সদস্য বলে দাবি করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৬ | দিবার মাইক ফুল ও আদনানের আগমন

দিবা পার্কে মাইক ফুল তুলছিল, আচমকা আহনাফের মতো দেখতে এক ছেলে আদনানের সাথে দেখা। আদনান আহনাফের ভাগ্নে হিসেবে পরিচয় পায় এবং সবাইকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানায়। দিবা বিরিয়ানি বানায়, আহনাফ চাকরির বাহানা দিলেও পরিবার জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৪ | দিবার চালাকি ও আহনাফের পাঞ্জাবি

দিবা আহনাফের দেওয়া মোটা ওড়না দিয়ে তার জন্য পাঞ্জাবি বানায়, আর আরিফের দেওয়া টাকায় নিজের জন্য লাল জর্জেটের ওড়না কেনে। টেইলরের দোকানে রাতে কাজ দিয়ে পরদিন সকালে পাঞ্জাবি নেয়। আহনাফ ঘুম থেকে উঠে প্যাকেট খুলে বুঝতে পারে এটা দিবার ওড়না দিয়ে বানানো। দিবাকে জিজ্ঞাসা করতেই সে চালাকি করে উত্তর দেয়।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১৩ | আহনাফের শপিং ও মিশকার ব্যর্থ আকর্ষণ

আহনাফ মিশকাকে প্রত্যাখ্যান করে শপিংমলে চলে যায়, পরিবারের জন্য পহেলা বৈশাখের উপহার কিনে। দিবার জন্য থ্রি পিস আনে, কিন্তু ওড়নাটি নিয়ে ঝগড়া হয়। মিনিকে লাল বেল্ট দেয়, আর নিজের জন্য কিছু না কেনার কষ্ট লুকিয়ে রাখে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১২ | আহনাফের চাকরির রহস্য ও মিনির অফিস যাত্রা

আহনাফ দিবার দেরির কারণ নিয়ে বিরক্ত, কিন্তু নিজের চাকরি লুকাতে ব্যস্ত। দিবা আহনাফের জামা ধুয়ে দেখায় যত্ন, আর আহনাফ মনে মনে মুগ্ধ হয়। মিনি আহনাফের সাথে অফিসে যেতে চায়, আহনাফ হাঁচি আর তাড়াহুড়োয় মানসিক চাপে। আইডি কার্ড ফেলে দিবা সন্দেহ করে, কিন্তু খালামণি বলেন আহনাফ ব্যাংকে চাকরি করে।

সবটা অন্যরকম | পর্ব ১১ | আহনাফের টেনশন ও দিবার সাদাত স্যারের প্রথম ক্লাস

আহনাফ মিশকার জ্বালায় ভার্সিটি থেকে পালায়, জিসান-পিয়াস তাকে ট্রিট দাবি করে। দিবা ক্লাসে নতুন লেকচারার অন্তিক সাদাতের সাথে পরিচিত হয়, যার নাম শুনে তার বাবার কথা মনে পড়ে। স্যারের পড়ানোয় মুগ্ধ হয় সে, কিন্তু পাশের মেয়ে তাকে তিরস্কার করে।