ক্যাটাগরি ডার্ক রোমান্টিক গল্প

অনন্যময়ী | পর্ব ১২ | অনির ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা ও রিশাদের শূন্যতা

অনি শায়লা বেগমের ভালোবাসায় আবেগপ্রবণ হয়, কিন্তু রিশাদের সাথে এক বিছানায় ঘুমাতে অস্বস্তি বোধ করে। রিশাদ অতীতের স্মৃতিতে ভোগে, আর অনি ভালোবাসার ক্ষণিকের স্পর্শ পেয়েও তা হারানোর আশঙ্কায় শঙ্কিত। রাত জাগা দুই মনের গল্প চলবে…

অনন্যময়ী | পর্ব ১১ | অনির মামনি ডাক ও মিথিলার গোপন কান্না

অনি শায়লা বেগমকে মামনি ডাকতে শুরু করে, সম্পর্কের গভীরতা বাড়ে। রান্নাঘরে সাবিনা আপা ও মিথিলার সাথে পরিচয় হয়। মিথিলা মাথাব্যথার অজুহাতে একাকীত্বে কাঁদে, অনি তাকে কফি দিতে যায়। মিথিলার চোখে লুকানো বেদনা অনুভব করে। সাবিনা বেগম মেয়েকে কাঁদতে দেখে ভেঙে পড়েন।

অনন্যময়ী | পর্ব ৭ | অনির ভয়, রিশাদের হাসি ও হাসপাতাল থেকে প্রস্থান

অনি হাসপাতালে একাকী ভয় পেয়ে রিশাদের পাশে গুটিমুটি হয়ে বসে। রিশাদ ঘুম থেকে জেগে তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়, কিন্তু অভিনয় করে ঘুমাচ্ছে। ফজরে অনি লজ্জায় পড়ে যায় রিশাদের হাত ধরে ঘুমানোর পর। ডাক্তার রিশাদকে ছাড়িয়ে দেয়। বাড়ি ফেরার পথে রায়হান সাহেব আশা পায়, কিন্তু ছেলের মলিন মুখে বেদনা বোধ করেন।

অনন্যময়ী | পর্ব ৬ | অনির নামাজ ও রিশাদের প্রথম কথা

অনি নামাজ পড়ার মাঝে রিশাদ ঘুম থেকে ওঠে। ডাক্তার আংকেল অনিকে রিশাদের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বোঝায়। রিশাদ অনিকে প্রথমবার 'অনন্যময়ী' বলে ডাকে। অনি তাকে পানি খাওয়ায় সুন্নত মেনে। রিশাদ অনির ধর্মীয় মনোভাবে মুগ্ধ হয়।

অনন্যময়ী | পর্ব ৩ | অনির ভোরের স্নিগ্ধতা ও রান্নার প্রথম পদক্ষেপ

অনি বিয়ের পরদিন ভোরে স্বপ্নে অচেনা ডাক শুনে ঘুম থেকে উঠে মাথাব্যথা নিয়ে বাগানে কফি নিয়ে বসে। সূর্যোদয়ের স্নিগ্ধতায় মন শান্ত হয়। রান্নাঘরে মিতালির সাহায্যে সবার জন্য রান্না করে এবং রিশাদের জন্য আলাদা খাবার বানায়। দিদার সাথে হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়, আর বেরোনোর সময় আবার শোনে—"অনন্যময়ী"।

অনন্যময়ী | পর্ব ২ | অনির মানসিক দ্বন্দ্ব ও পরিবারের কষ্ট

অনি হাসপাতালে দিদার কোলে মাথা রেখে নীরব হয়ে যায়, মনে মনে ভাঙা অদ্রিপুর কথা। রিশাদের পরিবারের কষ্ট দেখে নড়েচড়ে বসে, কিন্তু নিজেকে আপন করতে পারে না। রিশার কান্নায় ভেঙে পড়ে অনি, তবু দিদা জাহানারা বেগমকে বলে—বাড়ি যেতে চায়।

অনন্যময়ী | পর্ব ১ | বধূ বেশে হাসপাতালের করিডোরে অনির কান্না

বধূ বেশে হাসপাতালের করিডোরে দাঁড়িয়ে অনি কাঁদতে পারছে না, তার ভেতর থেকে আবেগ মুছে গেছে। মাত্র ৫ ঘণ্টা আগে বিয়ে হওয়া স্বামী আইসিইউতে জীবিত লাশের মতো শুয়ে আছে। অনি মনে মনে ভাবে তার বোন অদ্রির বিয়ের কথা, যার জায়গায় সে এখন দাঁড়িয়ে।

প্রস্থান | পর্ব ২২ | খালেদ সাহেবের বিয়ের প্রস্তাব ও রুমানা বেগমের প্রত্যাখ্যান

খালেদ সাহেব রুমানা বেগমের কাছে সুব্রত-রশ্মির বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন, কিন্তু রুমানা বেগম স্পষ্ট প্রত্যাখ্যান জানান। রশ্মি গোপনে কথাগুলো শোনে এবং চিত্রার অনুপস্থিতির খবরে মন খারাপ হয়। খালেদ সাহেব বারবার চেষ্টা করলেও রুমানা বেগম অটল থাকেন, শেষ পর্যন্ত খালেদ হাল ছাড়েন।

প্রস্থান | পর্ব ২০ | সুব্রতের অনুতাপ ও রুশার প্রথম দেখা

সুব্রত ছাদে খালেদ সাহেবকে মাফ চায়, কিন্তু খালেদ নিজের অতীতের অপরাধে অনুতপ্ত হয়ে পড়েন। সুব্রত জমি ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দেয়, আর খালেদ তাকে ফ্যাক্টরির দায়িত্ব দিতে চান। এদিকে, চিত্রা ডায়েরি পড়ে জানতে পারে সুব্রত-রুশার প্রথম দেখার গল্প।

প্রস্থান | পর্ব ১৯ | সুব্রতের অপরাধবোধ ও চিত্রার বাপের বাড়িতে প্রত্যাবর্তন

সুব্রত অফিসে অস্থির, অতীতের ভুলের জন্য অপরাধবোধে ভারাক্রান্ত। চিত্রার শাশুড়ি তাকে দূরে রাখতে চায়। ফিরোজ মায়ের চাপে চিত্রাকে বাপের বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সুব্রত চায়ের কাপের নিচে চিত্রার লেখা পায়—'সরি' শব্দের মাধ্যমে মানসিক শান্তির কথা।

প্রস্থান | পর্ব ১৮ | সুব্রতের জমি নিয়ে সংঘাত ও চিত্রার ক্ষোভ

সুব্রত রশ্মিকে সিগারেট কেনার সময় ধরে ফেলে তাকে নিয়ে যায়। পরিবারে জমির ব্যবহার নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। সুব্রত অভিযোগ করে পরিবার তার সম্পত্তি দখল করতে চায়। চিত্রা রাতে তাকে তীব্র তিরস্কার করে, খালেদ সাহেবের কষ্ট দেখিয়ে।

প্রস্থান | পর্ব ১৭ | সুব্রতের প্রথম ভালোবাসা ও রশ্মির সিগারেটের রহস্য

সুব্রত চিত্রাকে বলে রুশার সাথে তাঁর প্রথম দেখা ও গভীর ভালোবাসার কথা। হিজল ফুলের মধ্যে আবিষ্কৃত সেই মুহূর্ত জাদুর মতো ছিল, কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেল—কেন ভালোবাসার পরও নির্যাতন? এদিকে, রুমানা বেগম মেয়ের ঘরে সিগারেট খুঁজে পান। মারধর করেন। রশ্মি নতুন করে সিগারেট কিনতে গিয়ে হঠাৎ দেখা পায় এক বিপজ্জনক মানুষের সাথে।