লেখক মোর্শেদা হোসেন রুবি

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ১৮ | অদিতির পিস্তল ও আজাদের বিয়ে

অদিতি আজাদের বিরুদ্ধে পিস্তল তুলে তাকে কাজী অফিসে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক বিয়ে করায়। আজাদ প্রথমে বিস্মিত হলেও পরে গভীর আবেগে ভারাক্রান্ত হয়। অদিতির কৃতজ্ঞতা ও আবেগের মধ্যে জটিল সম্পর্কের সূচনা হয়। গাড়িতে ফিরে তাদের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ১৯ | আজাদের বিয়ে ও রূপমের ফোন

আজাদের লোকজন রাজনকে চেক দিয়ে তার কাছ থেকে তথ্য আদায় করে। আজাদের মা জাহানারা তার বাড়িতে আসা লোকদের সাথে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করেন। রূপম ও রুমকি ঢাকার দিকে রওনা হয়েছে, পথে আজাদ ফোন করে তার বিয়ের কথা জানায় এবং ক্ষমা চায়। বাসে করে যাওয়াকালীন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। আজাদ ও অদিতি হোটেল ছেড়ে কটেজে চলে যায়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২০ | রুমকির দুর্ঘটনা ও আজাদের উদ্বেগ

রুমকির বাস এক্সিডেন্টের খবর পেয়ে আজাদ চরম উদ্বেগে ভোগে। মায়ের সাথে তীব্র বাকবিতণ্ডার মধ্যে দিয়ে সত্য জানার চেষ্টা করে। রুমকি অজ্ঞান অবস্থায় মহিলা সদনে ভর্তি হয়, আর তার মুখে শুধু ঋভূর নাম।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২১ | জাহানারার বিবেক ও রুমকির নিখোঁজ খবর

জাহানারা রুমকির বাস এক্সিডেন্টের খবর পেয়ে বিবেকের দংশনে ভোগে। সে গোলবানু চাচীকে কৌশলে খবরটা জানায়, যার ফলে সমগ্র গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আব্দুল্লাহ থানা ও হাসপাতালে খোঁজ করেন, কিন্তু রুমকির কোনো সন্ধান পান না। আজাদ অদিতিকে নিয়ে ট্রলারের পরিকল্পনা করে, কিন্তু রুমকির নিখোঁজ খবরে ভেঙে পড়ে।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২২ | রুমকির অজানা অবস্থান ও আজাদের খোঁজ

রুমকির বাস এক্সিডেন্টের পর তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আজাদ মুনতাসীরের আত্মীয় হওয়ায় তাকে নিয়ে চাপ বাড়ে। কোহিনূর মহিলাদের জিম্মায় রেখেছে, আর লিটন সমাদ্দার রুমকিকে খুঁজে আজাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৩ | আজাদের লুকোচুরি ও রূপমের চিকিৎসা

আজাদ অনুসরণকারীদের ফাঁকি দিতে লোকাল বাসে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছে। অদিতির সাথে তার আবেগঘন মুহূর্ত চলছে। এদিকে রূপমকে ঢাকার ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছে, নায়লা তার জন্য ডাক্তার ডেকে আনে। রুমকির খোঁজে থানায় যায় নুরুদ্দিন।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৪ | ঋভূর জ্ঞান ফেরা ও রুমকির খোঁজ

ঋভূ জ্ঞান ফিরে পায় এবং দুর্ঘটনার স্মৃতি মনে পড়ে। রুমকির অবস্থা জানতে চায়, কিন্তু নায়লা তাকে রুমকির মৃত্যুর কথা বলে। আম্মু থেকে জানতে পারে রুমকি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। ঋভূ মানসিক যন্ত্রণায় ভোগে এবং তাকে খুঁজে বার করার দৃঢ় সংকল্প নেয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৫ | রুমকির মুক্তি ও অদিতির বিদায়

রুমকি মুক্তি পায় এবং পরিবারের সাথে মিলন হয়। আজাদের লোক তাকে নিতে এলে সে সতর্ক হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, অদিতি আজাদকে ছেড়ে চলে যায়, তার ভালোবাসা ও ত্যাগের কথা জানিয়ে। আজাদ হতাশ ও অনুতপ্ত হয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৬ | আজাদের অদিতি হারানোর ব্যথা ও মামলার প্রস্তুতি

আজাদ অদিতির অনুপস্থিতিতে মরিয়া হয়ে পড়ে। সে বুঝতে পারে অদিতি তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। রাজন ও এস.আই আজিমের মাধ্যমে লিটনের বিরুদ্ধে অদিতির অপহরণের মামলা দায়েরের প্রস্তুতি শুরু করে। অন্যদিকে, রুমকির পরিবার ঢাকায় ফিরে যাওয়ার জন্য তাকে নিতে আসে।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ২৭ | রুমকির প্রত্যাবর্তন ও আজাদের শেষ স্মৃতি

ঋভূ হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে রুমকির সাথে পুনর্মিলন ঘটে। রুমকি নায়লাকে তার স্বামীর ব্যক্তিগত জীবন থেকে দূরে রাখতে স্পষ্ট করে। আজাদ অদিতিকে নিয়ে ঝিনাইদহ যাওয়ার আগে তার সম্পত্তি রুমকিকে হস্তান্তর করে। পরে কাপ্তাইয়ে আজাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। দুই বছর পর রুমকি আজাদের পুত্র আসাদের সাথে অদিতির দেখা করে, কিন্তু অদিতি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।