লেখক ছামিনা বেগম

গজপ্রিয়া | পর্ব ১৩ | বিয়ের আনন্দ আর রানির কান্না

মোস্তাফিনার বিয়েতে উদযাপনের মাঝে রানি ভেঙে পড়ে কাঁদে। সম্রাট চুপচাপ তার হাত ধরে আশ্বস্ত করে। মুসুর বিদায়ে রানির মন ভারাক্রান্ত, আর রিয়ানা ঈর্ষায় তাকায়। সম্রাটের মজার আচরণে টেবিলে হাসির রোল, কিন্তু রানির চোখে জল। বিয়ের রোমাঞ্চ আর বিচ্ছেদের বেদনা মিশে যায় এই পর্বে।

গজপ্রিয়া | পর্ব ১৪ | রানির জ্বর আর সম্রাটের ভিডিও কল

রানি মুসুর বিয়ের পর একাকীত্বে জ্বরে ভোগে। মামানির আদরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠে সে, আর সম্রাটের ভিডিও কলে মুসুর সাথে কথা বলে মন ভালো হয়। পরদিন আমতলায় গল্পের মাঝে মৌসুমী রানির পিঠের দাগ দেখে সন্দেহ করে, কিন্তু রানি মিথ্যা গল্প বলে বাঁচতে চায়।

গজপ্রিয়া | পর্ব ১৫ | আশিকের আগমন আর সম্রাটের ঈর্ষা

আশিক ভাইয়া মাকে নিয়ে রানির বাড়িতে আসেন, কিন্তু আসলে রানিকে দেখতে। মৌসুমী সম্রাটকে গোপনে জানায়, আর সম্রাট আপেলে কামড় দিয়ে চোখ লাল করে ফেলে। রানির স্ন্যাকস খেয়ে ঝাল মেটায়, তারপর চুমু দিয়ে শাস্তি দেয়। আশিকের মা রানিকে কালো বলে অস্বীকার করতে চায়, কিন্তু আশিক তাকে জবাব দেয়। পরিবার আকদের তারিখ ফাইনাল করে।

গজপ্রিয়া | পর্ব ১৬ | রানির মাথাব্যথা আর আশিকের পুরনো স্মৃতি

রানি আশিকের ফোন এড়িয়ে মাথাব্যথার অজুহাতে চলে যায়, কিন্তু মনিরা বুঝতে পারেন তার মনের অবস্থা। আশিক স্মৃতিতে ডুবে যায় রানির সাথে বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া প্রথম দেখার কথা। মনিরা লাবিবের বাবাকে জিজ্ঞাসা করেন রানির সম্মতি না নিয়ে আকদ ঠিক করার কথা। সম্রাট বাড়ি ফিরে রুমার ডাক শোনে।

গজপ্রিয়া | পর্ব ১৭ | সম্রাটের বিয়ের প্রস্তাব আর আব্বুর রাগ

সম্রাট আব্বুকে বলে—সে রানিকে বিয়ে করতে চায়। কিন্তু ফরিদ সাহেব রাগে ফেটে পড়েন, বারণ করেন। সম্রাট আঘাত পায় বাবার অবিশ্বাসে। রাতে গিটার ছুঁয়েও মন ভরে না। রানি অজানা মনখারাপে জেগে থাকে, আর সম্রাটের জানালার আলো দেখে চোখ থাকে আটকে।

গজপ্রিয়া | অন্তিম পর্ব ১৮ (প্রথম অংশ) | রানির পলায়ন আর সম্রাটের ভাঙন

রানি রেলস্টেশনে বসে আছে, মনে হচ্ছে উদ্বাস্তু। সম্রাটের প্রতি অনুভূতি বুঝে সে বিয়ের আগেই পালিয়ে যায়। সম্রাট ভেঙে পড়ে, গিটার ভাঙে। রানির নিখোঁজে পরিবার ভেঙে পড়ে। প্রেম, বিচ্ছেদ ও মনস্তাত্ত্বিক সংগ্রামের চমৎকার গাইড।

গজপ্রিয়া | অন্তিম পর্ব ১৮ (শেষ অংশ) | রানির ফিরে আসা আর তৃতীয় বার্ষিকীর সারপ্রাইজ

রানি নিখোঁজ হয়ে যায়, সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। সম্রাট অটোচালকের কাছ থেকে খবর পেয়ে স্টেশনে ছুটে যায় এবং ওয়েটিং রুমে রানিকে খুঁজে পায়। রানি কাঁদতে কাঁদতে সব কথা বলে। লাবিব কাজি সাহেবকে ডেকে আনেন এবং রাতেই হয় রানি-সম্রাটের বিয়ে। তিন বছর পর তাদের তৃতীয় বার্ষিকীতে সম্রাট সারপ্রাইজ দেয়, আশিক ভাইয়া তাদের দেখা দেন এবং রানিকে ক্ষমা করেন।