ট্যাগ রোমান্টিক মুহূর্ত

সে | পর্ব ৭ | রুদ্রের সাথে চায়ের মুহূর্ত আর নবনীর প্রেমের স্বীকারোক্তি

নবনী রুদ্রের সাথে বৃষ্টিভেজা রাতে চা খেতে যায়, কাদামাটি রাস্তায় পা ধোয়া থেকে রিকশায় ঝাঁকুনির মধ্যেও আবেগের টান। টং দোকানে নীরব দৃষ্টিতে রুদ্রকে দেখে নবনী বুঝে ফেলে—সে তাকে চায়, একান্ত নিজের করে। রুদ্রও তাকে স্কুলে পাঠানোর কথা বলে মনের কাছাকাছি আসে।

গজপ্রিয়া | অন্তিম পর্ব ১৮ (শেষ অংশ) | রানির ফিরে আসা আর তৃতীয় বার্ষিকীর সারপ্রাইজ

রানি নিখোঁজ হয়ে যায়, সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। সম্রাট অটোচালকের কাছ থেকে খবর পেয়ে স্টেশনে ছুটে যায় এবং ওয়েটিং রুমে রানিকে খুঁজে পায়। রানি কাঁদতে কাঁদতে সব কথা বলে। লাবিব কাজি সাহেবকে ডেকে আনেন এবং রাতেই হয় রানি-সম্রাটের বিয়ে। তিন বছর পর তাদের তৃতীয় বার্ষিকীতে সম্রাট সারপ্রাইজ দেয়, আশিক ভাইয়া তাদের দেখা দেন এবং রানিকে ক্ষমা করেন।

গজপ্রিয়া | পর্ব ৮ | ব্যাচেলর পার্টির রোমান্টিক নাচ আর সম্রাটের মেসেজ

ছাদে মোস্তাফিনার ব্যাচেলর পার্টির আসরে রানি-সম্রাটকে কাপল ডান্স করতে হয়। রোমান্টিক গানে নাচতে নাচতে আবেগের স্রোত বয়ে যায়। রাতে সম্রাটের মেসেজে রানির ঘুম হারাম হয়, আর সম্পর্কের গতি পাল্টানোর ইঙ্গিত দেয়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪২ | রাত্রির কোমড় ব্যথা আর নিভ্রানের উদ্বেগ

নিভ্রান ক্লান্ত অবস্থায় ফিরে রাত্রির ঘুমন্ত মুখ দেখে মুগ্ধ হয়। রাত্রি কোমড় ব্যথায় জেগে উঠলে নিভ্রান আতঙ্কিত হয়ে তাকে সাহস দেয়। রাতে রাত্রির ব্যথা কমলেও নিভ্রান ঘুমোতে পারে না। পরদিন নিশাদের মজার মন্তব্যে রাত্রি বিভ্রান্ত হয়, আর হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় নিভ্রানকে ফোন করার জন্য অনুরোধ করে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৩৮ | নিভ্রানের স্পেশাল জামা আর রাত্রির কান্না

ভোরের নীলাভ আভায় জাগে রাত্রি, নিভ্রানের ঘুমন্ত মুখে চোখ আটকে থাকে। সারাদিন অকাজে সময় কাটে, আলমারির উঁচু তাকে লুকানো জামা-কাপড় খুঁজে পায়। নিভ্রান ফিরে এসে মৃদু হেসে বলে—"ওগুলো খুব স্পেশাল"। প্রথম দেখা, প্রথম কান্না, প্রথম বৃষ্টিতে ভেজা—প্রতিটি জামা আর ক্লিপে লুকিয়ে আছে তাদের প্রেমের গল্প। রাত্রি কাঁদে, নিভ্রান বলে—"তুমি আমার মেঘরাণী"।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৯ | রাত্রির লজ্জা আর নিভ্রানের জ্বালাময়ী কথা

রাত্রি লজ্জায় কাঁপছে নিভ্রানের কাছাকাছি বসে। রিকশায় ঘনিষ্ঠ স্পর্শ, নিভ্রানের উষ্ণ নিঃশ্বাস, আর ফোন না ধরার আদেশ। নিভ্রান তাকে লজ্জা দেয়ার হুমকি দেয়, আর রাত্রি চাপা গলায় বলে—“অপরাধই, আপনি চুপ করুন।” আবেগের তীব্র টানাপোড়েন চলমান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১০ | রাত্রির কাঁপা কন্ঠ আর নিভ্রানের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

বৃষ্টিভেজা রাতে রাত্রি আর নিভ্রানের মধ্যে আবেগের তীব্র টানাপোড়েন। নিভ্রানের চুলের গন্ধে মাতোয়ারা রাত্রি, নিভ্রানের আবেগঘন স্পর্শে কাঁপা কন্ঠ। রাত বারোটার ঘড়ি দেখে আতঙ্কিত রাত্রি নিভ্রানের ফ্ল্যাটে আশ্রয় নেয়। সকালে ঘুমন্ত রাত্রিকে দেখে নিভ্রানের মনে হয়—সাদা মেঘ নেমে এসেছে তার বিছানায়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৯ | রাত্রির অসুস্থতা আর নিভ্রানের যত্ন

গরমে মাথা ঘোরা রাত্রি রিকশায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। নিভ্রান তাকে কোলে তুলে গাড়িতে নিয়ে যায়, বাহুতে ছেঁড়া জখম পরিষ্কার করে ব্যান্ডেজ করে। রাতে বৃষ্টির মধ্যে নিভ্রান রাত্রিকে ভিজতে নিয়ে যায়, প্রকৃতির মাঝে তাদের আবেগ উথালপাথাল হয়। নিভ্রান ঘোষণা করে—"আপনি শুধু আমার হবেন"।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৭ | রাত্রির কান্না আর নিভ্রানের সান্ত্বনা

রাত্রির ওড়না ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় মতিন মিয়াকে ঘুষি মারে নিভ্রান। টাকা দিয়ে রাত্রিকে মুক্তি দেয়, কিন্তু রাত্রি কাঁদতে থাকে। ব্রিজের রেলিংয়ে বসিয়ে সান্ত্বনা দেয় নিভ্রান, আর চোখের জল মুছিয়ে বলে—"আপনি আমার কাছে পুরো পৃথিবীর উর্ধ্বে"।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৫ | নিভ্রানের ঘরের আবেগ আর রাত্রির বাসায় ভাড়ার চাপ

নিভ্রান স্নানের পর মায়ের সাথে কথা বলে বিছানায় শুয়ে রাত্রির কথা ভাবে। রাত্রি বাড়িওয়ালার কাছে ভাড়া দিতে বিলম্বে চাপ পায়। রাতে বৃষ্টির আগে নিভ্রান রাস্তায় রাত্রিকে দেখে রিকশায় তুলে দেয়, চুল বাঁধতে সাহায্য করে এবং তার ঘনিষ্ঠতায় রাত্রি বিচলিত হয়। আবেগের টানে দুজনের সম্পর্ক গভীর হতে শুরু করে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪ | কদম ফুলের মুহূর্ত আর অপমানের ভয়

নিভ্রান আর রাত্রির হাঁটার পথে কদম ফুল তোলার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। রাত্রির বাসায় ঢোকার সময় নিভ্রানের অস্বীকৃতি তাকে অপমানিত বোধ করায়, কিন্তু পরে নিভ্রানের আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়ায় সম্পর্কের গভীরতা ফুটে ওঠে। সহজ জীবনযাত্রার মাঝেও তাদের মধ্যে আবেগের টান অনুভূত হয়।

তবুও বর্ষণের অপেক্ষা | পর্ব ৩০ | শীতের সকালে গোসল আর বাসে চুমুর রুটিন

শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে বিহান ভাইয়ের ঠান্ডা গোসলের অদ্ভুত অভ্যাসে অবাক হয় দিয়া। বাসে চড়ে লাল শাড়িতে সাজা দিয়াকে জড়িয়ে নেন বিহান ভাই, চাদরের আড়ালে চুমু খেয়ে ঘোষণা করেন রোমান্সের নতুন রুটিন। মেহনুবা আপুর নীরব যন্ত্রণা আর আলিপের উদাসীনতা ঘিরে থাকে উৎসবের মধ্যেও।