ট্যাগ অপমানের ঘটনা

ইচ্ছেপূরন | পর্ব ২ | বিভার ভাঙা বিশ্বাস আর আতিকের লুকোনো পাপ

বিভা আতিককে উলঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়তে দেখে ভেঙে পড়ে। পরকীয়ার সত্য জেনে লজ্জা, ঘৃণা আর অপমানে কাঁপছে সে। আতিকের মারধর আর চাচার সাহায্যে মুক্তি পেলেও মন ভাঙা বিভা বাসায় ফিরে কাঁদে। আতিক আঘাত সারাতে স্যাভলন লাগায়, কিন্তু বিভা তাকে এড়ায়। পরদিন রাগে আতিক খাবার ছুড়ে মারে আর বিভাকে চুল ধরে ধাক্কা দেয়। প্রতিদিনের নির্যাতনের শুরু হয়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৪ | রাত্রির অশ্রু আর নিভ্রানের আবেগঘন মুহূর্ত

রাত্রি নিভ্রানের সামনে কাঁদতে থাকে, অপমান ও আবেগের মাঝে ভেঙে পড়ে। নিভ্রান তাকে জোরে বুকে জড়িয়ে ধরে বলে—”আমার কাছে সবচেয়ে দামি ‘আপনি’।” পার্কের বেঞ্চে আবেগের তীব্র টানাপোড়েনের পর রাত্রি মানে নিভ্রানের সাথে আবার সম্পর্কের শুরু। সাত দিন পর রহস্যময় ফোনে ডাক পড়ে তার কাছে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১২ | নাহিদার বিরুদ্ধে রাত্রির প্রতিরোধ

নাহিদা রাত্রিকে অপমান করলেও রাত্রি কোনো ভয় দেখায়নি। নিভ্রানের সামনে তার মায়ের কঠোর মনোভাব ও সামাজিক বিচার উসকানি দেয়। রাত্রি নীরবে চলে যায়, কিন্তু মনে জাগে আত্মসম্মানের লড়াই। নিভ্রান বিচলিত, আর রাত্রি ভাবে—গরীবি কি তাকে নিভ্রানের প্রেমের যোগ্য না করে?

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১১ | নিভ্রানের মা আর রাত্রির অপমান

নিভ্রানের মা নাহিদা হঠাৎ আসেন এবং রাত্রিকে ঘুমাতে দেখে ভাবেন তারা একসাথে ছিল। তিনি রাত্রিকে নির্লজ্জ বলে তিরস্কার করেন, যা রাত্রিকে গভীরভাবে আঘাত করে। নিভ্রান সব বুঝাতে চান, কিন্তু রাত্রি অপমানিত বোধ করে চলে যেতে চান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৬ | নিভ্রানের ঘ্রাণ আর রাত্রির অপমান

নিভ্রান রাত্রির ঘাড়ে নাক ঘষে তীব্র ঘ্রাণ পায় এবং পারফিউম না দেওয়ার কথা শুনে অবাক হয়। রাত্রি মায়ের সাথে ফোনে কথা বলে মামার উপর রাগ করে। পরদিন নিভ্রান গাড়ি নিয়ে আসে, কিন্তু রাত্রি দমবন্ধ ভয়ে গাড়ি না নেওয়ায় পায়ে হেঁটে যায়। মুদি দোকানদার তাকে অপমান করলে রাত্রি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৪ | কদম ফুলের মুহূর্ত আর অপমানের ভয়

নিভ্রান আর রাত্রির হাঁটার পথে কদম ফুল তোলার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। রাত্রির বাসায় ঢোকার সময় নিভ্রানের অস্বীকৃতি তাকে অপমানিত বোধ করায়, কিন্তু পরে নিভ্রানের আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়ায় সম্পর্কের গভীরতা ফুটে ওঠে। সহজ জীবনযাত্রার মাঝেও তাদের মধ্যে আবেগের টান অনুভূত হয়।

এক প্রহরের খেলা | পর্ব ৬ | ঔষধের রহস্য ও রুমকির অপমান

ঋভূ রুমকির জন্য বার্থ কন্ট্রোল পিল আনে এবং নায়লার কথায় বিভ্রান্ত হয়ে রুমকিকে ছলনার অভিযোগ দেয়। রুমকি কষ্ট পায়, কাঁদে এবং তার সাথে কথা বন্ধ করে। পরদিন বাবার হঠাৎ স্ট্রোকে পড়ায় পরিবারে আতঙ্ক ছড়ায়।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ৪৭ | ভাইয়ার কাছে ভালোবাসা স্বীকার ও ফারিয়ার ঈর্ষা

ভাইয়া ঊষাকে বেলকনিতে জিজ্ঞাসা করে—"ভালোবাসিস আমাকে?" উত্তর দেওয়ার আগেই ফারিয়া এসে বাধা দেয়। রাতে ভাইয়া ঊষার ছোট খাটে ঘুমায়, ফারিয়া দেখে ফেলে। সকালে ফারিয়া ঊষাকে অপমান করে, জুতা পরিষ্কার করতে বাধ্য করে। বেড়াতে যাওয়ার সময় ফারিয়া ঊষাকে পাশে বসতে না দিয়ে ঈর্ষার তীব্র প্রকাশ ঘটায়।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ১৮ | ঊষার লজ্জা ও ইহানের অস্বস্তি

ইহান ঊষার সাথে রিহানের ছবি তোলা ও হাসাহাসি দেখে রেগে যায়। ফ্রিজের সামনে তাকে আটকে রেগে প্রশ্ন করে। পরে কানে ফিসফিস করে সরি বলে। পরদিন চাচি ঊষাকে থাপ্পড় মারে, ইহান গালের দাগ দেখে সন্দেহ করে। ঊষা ভয়ে পালাতে চায়, কিন্তু ইহান দেয়ালে ঠেকিয়ে জিজ্ঞাসা করে—কে মারল?

প্রস্থান | পর্ব ৯ | চিত্রার সাহসী প্রস্তাব ও সুব্রতের অপমান

চিত্রা রশ্মিকে নিয়ে ছাদে সময় কাটায়, সুব্রত রশ্মিকে চিনতে না পেয়ে তাকে অপমান করে। চিত্রা সুব্রতকে পরিবারের সাথে ডিনারে নিতে চায়, কিন্তু পরিবার বিরোধী থাকে। ফিরোজের মা চিত্রার আচরণে সন্দেহ করে। চিত্রা তবু সুব্রতকে ডাকতে যায়।