ট্যাগ লজ্জার মুহূর্ত

গজপ্রিয়া | পর্ব ৭ | আশিক ভাইয়ার আগমন আর রানির লজ্জা

নানুবাড়িতে পৌঁছে রানি আশিক ভাইয়াকে দেখে চমকে যায়, ছোটবেলার ক্রাশের সামনে লজ্জায় জর্জরিত হয়। সম্রাট তাকে উত্তেজিত দেখে খোঁচা দেয়, রানি সাপের ছল করে আড়াল করে নিজেকে। ডিনারের পর ছাদে ব্যাচেলর পার্টির কথা শুনে রানি অবাক হয়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৩৪ | রাত্রির জ্ঞানহীনতা আর নিভ্রানের হাসি

রাত্রি নিভ্রানের কাছাকাছি এলে লজ্জায় জ্ঞান হারায়। নিভ্রান তাকে কোলে তুলে নেয় এবং হেসে ফেলে। ঘুমের মধ্যে রাত্রিকে খাওয়ানো হয়, আবেগের টানাপোড়েন চলে। রাতে রাত্রি বাবার কথা নিয়ে কাঁদে, নিভ্রান তাকে শান্ত করে। সকালে নিভ্রান শুক্রবার বাবার বাসায় যাওয়ার কথা ঘোষণা করে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৩০ | নিভ্রানের আবেগের উত্তাল সাগর আর রাত্রির লজ্জা

নিভ্রান ঘুম থেকে জেগে রাত্রিকে বুকে জড়িয়ে পায়, আবেগে বিচলিত হয়। নিশাদের ঠাট্টা, রাত্রির চিৎকারে কাটা গাল, ব্যান্ডএইড লাগানোর মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। রাতে রাস্তায় কপালে চুমু, ব্যালকনিতে আলিঙ্গনে আবেগের উত্তাল সাগর। রাত্রি লজ্জায় উশখুশ, নিভ্রান বলে—“আমি বেসামাল হবার পথেই আছি।”

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২২ | নিভ্রানের আবেগের উচ্ছ্বাস আর রাত্রির লজ্জা

বৃষ্টিভেজা রাতে নিভ্রান আর রাত্রির মধ্যে আবেগের তীব্র টানাপোড়েন। গাড়িতে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে রাত্রির লজ্জা, নিভ্রানের নিয়ন্ত্রণহীন দৃষ্টি। শাড়ির আঁচল, ভিজে চুল, ঠান্ডায় কাঁপা শরীর—সব মিলিয়ে আবেগের প্রবল স্রোত। নিভ্রান আলো নিভিয়ে বলে—“তোমাকে দেখা আর সম্ভব হচ্ছে না।”

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৯ | রাত্রির লজ্জা আর নিভ্রানের জ্বালাময়ী কথা

রাত্রি লজ্জায় কাঁপছে নিভ্রানের কাছাকাছি বসে। রিকশায় ঘনিষ্ঠ স্পর্শ, নিভ্রানের উষ্ণ নিঃশ্বাস, আর ফোন না ধরার আদেশ। নিভ্রান তাকে লজ্জা দেয়ার হুমকি দেয়, আর রাত্রি চাপা গলায় বলে—“অপরাধই, আপনি চুপ করুন।” আবেগের তীব্র টানাপোড়েন চলমান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১১ | নিভ্রানের মা আর রাত্রির অপমান

নিভ্রানের মা নাহিদা হঠাৎ আসেন এবং রাত্রিকে ঘুমাতে দেখে ভাবেন তারা একসাথে ছিল। তিনি রাত্রিকে নির্লজ্জ বলে তিরস্কার করেন, যা রাত্রিকে গভীরভাবে আঘাত করে। নিভ্রান সব বুঝাতে চান, কিন্তু রাত্রি অপমানিত বোধ করে চলে যেতে চান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ৮ | রাত্রির লজ্জা আর নিভ্রানের সাহস

রাত্রি আর নিভ্রানের মধ্যে ব্রিজের রেলিংয়ে লজ্জা আর আবেগের খেলা শুরু হয়। নিভ্রান রাত্রিকে ফ্ল্যাটে থাকার আমন্ত্রণ দিলে সে প্রত্যাখ্যান করে। বাড়িওয়ালির তিরস্কার আর মতিন মিয়ার দোকান পার হওয়ার সময় নিজেকে সামলানোর লড়াইয়ে রাত্রি নিভ্রানের কথা মনে করে—“আপনি এত দুর্বল নন”।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ৪৮ | ভাইয়ার কাছে ভালোবাসি ও ফারিয়ার হতাশা

ভাইয়াকে নিজে থেকে আইসক্রিম খাইয়ে আনন্দিত করে ঊষা। ফারিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে সামনের সিটে বসে। রাতে ভাইয়া তাকে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞাসা করে—তুই কি আমাকে ভালোবাসিস? ঊষা লজ্জায় মুখ লাল করে বলে, 'ভালোবাসি'। পরমুহূর্তে ভাইয়া তার ঠোঁটে চুমু দেয়। ফারিয়া চাচির কাছে কাঁদে, কিন্তু ভাইয়া এখন শুধু ঊষার।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ৩৯ | ভাইয়ার কিসের দাবি ও ঊষার লজ্জা

ভাইয়া ঊষার হাসি দেখে রাগ করে তাকে কাঁদায় ফেলার হুমকি দেয়, কিন্তু নিজেই মুগ্ধ হয় তার হাসির মাহাত্ম্যে। পরে রুমে একা হয়ে স্পষ্ট করে চায় একটি চুমু, আর ঊষা লজ্জায় কাঁপে। ভাইয়া নিজেই গালে চুমু দিয়ে বলে—"তুই তো কাজটা করলি না, তাই আমি করে দিলাম"। আবেগ, লজ্জা ও প্রথম স্পর্শে ভরপুর পর্ব।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ২৬ | ঊষার সাজ ও ইহানের নিষেধাজ্ঞা

ঊষা ইহানের রুমে ঘুমায়, ভোরে লজ্জায় ভাইয়ার চোখে ধরা পড়ে। হলুদ অনুষ্ঠানে সাজে সেজে উঠলে ইহান তাকে দেখে বিচলিত হয়, কিন্তু নিষেধ করে দেয় তার সামনে আসতে। রিহানের আগ্রাসনে অস্বস্তি, আর ইহানের অদ্ভুত আচরণে মন কাঁপে ঊষার।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ২৪ | ঊষার লজ্জা ও ইহানের অপ্রত্যাশিত যত্ন

ইহান ঊষাকে হাতে খাইয়ে দেয়, লজ্জায় ঊষার কান লাল হয়ে ওঠে। বিয়ের আয়োজনে ব্যস্ত বাড়ি, চাচি ঊষাকে ঘর থেকে বের করে দেয়। ইহান তাকে কোচিং থেকে নিয়ে আসে এবং হলুদ অনুষ্ঠানে নিতে জোর দেয়। শাড়ি পরে গাড়ি থেকে নামতে গিয়ে ঊষা কাঁদে—ইহান ছুটে এসে তাকে সান্ত্বনা দেয়।

এক চিলতে রোদ | পর্ব ২১ | ঊষার লজ্জা ও ইহানের রাগ

ইহান ঊষাকে কোচিংয়ে ভর্তি করাতে নিয়ে যায়, রেস্টুরেন্টে হাত দিয়ে খাওয়ায় লজ্জা পায় সে। রিহানের সাথে দেখা হয়, যে তাকে ফোন নম্বর চায় এবং বাড়ি পৌঁছে দিতে জোর করে। বাড়িতে ফিরে ইহানের তীব্র রাগ দেখে ভীত হয় ঊষা। চাচি কফি কেড়ে নেয়। আবেগ, লজ্জা ও রাগের টানাপোড়েনে পর্বটি।