সিরিজ এ শহরে বৃষ্টি নামুক

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৩ | নিভ্রানের রাগ আর রাত্রির যন্ত্রণা

নিভ্রান মায়ের বিরুদ্ধে রাগে গ্লাস ভাঙে, রাত্রির প্রতি আকর্ষণে অনড়। রাত্রি ঘামে ভিজে জাগে, টাকা গোনে। সন্ধ্যায় নিভ্রান তাকে জোর করে ধরে, কব্জিতে যন্ত্রণা দেয়। তীব্র আবেগ, অভিমান আর ভালোবাসার সংঘাতে দুজনের মন উদ্বেল।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৪ | রাত্রির অশ্রু আর নিভ্রানের আবেগঘন মুহূর্ত

রাত্রি নিভ্রানের সামনে কাঁদতে থাকে, অপমান ও আবেগের মাঝে ভেঙে পড়ে। নিভ্রান তাকে জোরে বুকে জড়িয়ে ধরে বলে—”আমার কাছে সবচেয়ে দামি ‘আপনি’।” পার্কের বেঞ্চে আবেগের তীব্র টানাপোড়েনের পর রাত্রি মানে নিভ্রানের সাথে আবার সম্পর্কের শুরু। সাত দিন পর রহস্যময় ফোনে ডাক পড়ে তার কাছে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৫ | রাত্রির ভয় আর নিভ্রানের আকুতি

নিভ্রানের ছোট ভাই নিশাদ রাতের বেলা রাত্রিকে ডেকে আনে জরুরি ডাকে। ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সে নিভ্রানের বাসায় পৌঁছয়, যেখানে নিভ্রান মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছে। রক্তাক্ত পা নিয়েও সে রাত্রিকে ছাড়তে চায় না। বৃষ্টির রাতে নিভ্রান বলে—“ঘরে বৃষ্টি আসুক, ভালোবাসার মানুষটাও আসুক।”

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৬ | নিভ্রানের মাতাল রাত আর রাত্রির যত্ন

নিভ্রান মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় রাত্রিকে আকর্ষণের সীমানা ছাড়িয়ে স্পর্শ করে, কিন্তু রাত্রি তাকে শান্ত করে ঘুম পাড়ায়। ভোরে ঘুম ভাঙার পর সে দেখে রাত্রি তার মায়ের কোলে ঘুমাচ্ছে, যা তাকে হতবাক করে। নিশাদের মাধ্যমে তার ঈর্ষা ও পরিহাস শুনে নিভ্রান মনে মনে হাসে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৭ | নাহিদার আঘাত আর রাত্রির অপরাধবোধ

নাহিদা মাথার ক্ষত নিয়ে জাগেন এবং রাত্রিকে কোলে ঘুমাতে দেখে মমতা দেখান। নিভ্রান মাকে অপমান করায় রাত্রি বিচলিত হয়, আর নিভ্রান স্বীকার করে শপিং ব্যাগ ছুড়ে মায়ের মাথায় আঘাত হয়েছে। রাত্রি গভীর অপরাধবোধে ভোগে, মনে করে তার জন্যই এই বিভেদ।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৮ | নিভ্রানের মেঘবালক আর রাত্রির মেজাজ

নিভ্রানের মনে রাত্রির সারল্যে স্পর্শ পেয়ে ফুটে ওঠে হাসি। নাহিদার উপস্থিতিতে চাপা আবেগ, নাস্তার আমন্ত্রণে রাত্রির অস্বস্তি। পরিবারের সামনে রাত্রির পরিচয়, নওশাদ সাহেবের স্নেহ। রিকশায় যাত্রায় নিভ্রানের মেঘবালক হওয়ার কল্পনা আর রাত্রির মনের মেজাজ। আবেগের ঘনীভূত মুহূর্ত চলমান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৯ | রাত্রির লজ্জা আর নিভ্রানের জ্বালাময়ী কথা

রাত্রি লজ্জায় কাঁপছে নিভ্রানের কাছাকাছি বসে। রিকশায় ঘনিষ্ঠ স্পর্শ, নিভ্রানের উষ্ণ নিঃশ্বাস, আর ফোন না ধরার আদেশ। নিভ্রান তাকে লজ্জা দেয়ার হুমকি দেয়, আর রাত্রি চাপা গলায় বলে—“অপরাধই, আপনি চুপ করুন।” আবেগের তীব্র টানাপোড়েন চলমান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২০ | নিভ্রানের আবেগের দাঙ্গা আর রাত্রির ক্লান্তি

নিভ্রান রাত্রিকে নিয়ে রিকশায় ফিরছে, ঘুমন্ত রাত্রিকে বুকে জড়িয়ে ভাবছে তাকে ছাড়া জীবন বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। রাত্রি ক্লান্ত, নিভ্রান তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। বিচ্ছেদের আগে আবেগে ভরা কথা, মায়ের সাথে মন খারাপ, ক্ষমা চাওয়া। রাতে রাগে ফোন ছুঁড়ে ফেলে—কিন্তু রাত্রি তখন আর ফোন তুলতে পারেনি।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২১ | নিভ্রানের রাগ আর রাত্রির কান্না

নিভ্রান রাত্রিকে ফোন করেও অনুত্তর পেয়ে গাড়িতে করে তাকে জোর করে তোলে। রাগে ফুঁসছে, চিৎকার করে ওঠে। রাত্রি ভয়ে কাঁপছে, কিন্তু ঘুমের কারণে ফোন না ধরার কথা বলে। নিভ্রান শান্ত হয়, কাঁধে মাথা রাখে, রাত্রি তাকে ম্যাসেজ দেয়। বৃষ্টি নামে, নিভ্রান শাড়ি পরা রাত্রিকে দেখে মুগ্ধ হয়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২২ | নিভ্রানের আবেগের উচ্ছ্বাস আর রাত্রির লজ্জা

বৃষ্টিভেজা রাতে নিভ্রান আর রাত্রির মধ্যে আবেগের তীব্র টানাপোড়েন। গাড়িতে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে রাত্রির লজ্জা, নিভ্রানের নিয়ন্ত্রণহীন দৃষ্টি। শাড়ির আঁচল, ভিজে চুল, ঠান্ডায় কাঁপা শরীর—সব মিলিয়ে আবেগের প্রবল স্রোত। নিভ্রান আলো নিভিয়ে বলে—“তোমাকে দেখা আর সম্ভব হচ্ছে না।”

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২৩ | রাত্রির আতঙ্ক আর নিভ্রানের আগমন

মায়ের অসুস্থতার খবরে রাত্রি ভেঙে পড়ে। মাঝরাতে বৃষ্টির মধ্যে বাসস্ট্যান্ডে একাকী অপেক্ষা, আশেপাশের নিরুপায়তা। নিভ্রানকে ফোন দিতেই সে ছুটে আসে। গাড়িতে বুকে জড়িয়ে নেওয়া, কান্নায় ভাঙা রাত্রি। আবেগের স্রোতে নিভ্রানের আগমন ঘিরে ফেলে অন্ধকার রাত।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২৪ | রাত্রির কান্না আর নিভ্রানের সাহস

মায়ের হাসপাতালে ভর্তির খবরে রাত্রি ভেঙে পড়ে। নিভ্রান তাকে বুকে জড়িয়ে শান্ত করে, হাত ধরে সাহস দেয়। গাড়িতে চুমু দিয়ে বলে—“কিছু হবে না রাত।” হাসপাতালে মামার বিরুদ্ধে রাত্রির দৃঢ়তা, টাকা দিয়ে রিসিপ্ট চাওয়া। নিভ্রান মুগ্ধ হয় তার শান্ত বাঘিনীর সাহসে।