এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২১ | নিভ্রানের রাগ আর রাত্রির কান্না

নিভ্রান রাত্রিকে ফোন করেও অনুত্তর পেয়ে গাড়িতে করে তাকে জোর করে তোলে। রাগে ফুঁসছে, চিৎকার করে ওঠে। রাত্রি ভয়ে কাঁপছে, কিন্তু ঘুমের কারণে ফোন না ধরার কথা বলে। নিভ্রান শান্ত হয়, কাঁধে মাথা রাখে, রাত্রি তাকে ম্যাসেজ দেয়। বৃষ্টি নামে, নিভ্রান শাড়ি পরা রাত্রিকে দেখে মুগ্ধ হয়।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ২০ | নিভ্রানের আবেগের দাঙ্গা আর রাত্রির ক্লান্তি

নিভ্রান রাত্রিকে নিয়ে রিকশায় ফিরছে, ঘুমন্ত রাত্রিকে বুকে জড়িয়ে ভাবছে তাকে ছাড়া জীবন বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। রাত্রি ক্লান্ত, নিভ্রান তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। বিচ্ছেদের আগে আবেগে ভরা কথা, মায়ের সাথে মন খারাপ, ক্ষমা চাওয়া। রাতে রাগে ফোন ছুঁড়ে ফেলে—কিন্তু রাত্রি তখন আর ফোন তুলতে পারেনি।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৯ | রাত্রির লজ্জা আর নিভ্রানের জ্বালাময়ী কথা

রাত্রি লজ্জায় কাঁপছে নিভ্রানের কাছাকাছি বসে। রিকশায় ঘনিষ্ঠ স্পর্শ, নিভ্রানের উষ্ণ নিঃশ্বাস, আর ফোন না ধরার আদেশ। নিভ্রান তাকে লজ্জা দেয়ার হুমকি দেয়, আর রাত্রি চাপা গলায় বলে—“অপরাধই, আপনি চুপ করুন।” আবেগের তীব্র টানাপোড়েন চলমান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৮ | নিভ্রানের মেঘবালক আর রাত্রির মেজাজ

নিভ্রানের মনে রাত্রির সারল্যে স্পর্শ পেয়ে ফুটে ওঠে হাসি। নাহিদার উপস্থিতিতে চাপা আবেগ, নাস্তার আমন্ত্রণে রাত্রির অস্বস্তি। পরিবারের সামনে রাত্রির পরিচয়, নওশাদ সাহেবের স্নেহ। রিকশায় যাত্রায় নিভ্রানের মেঘবালক হওয়ার কল্পনা আর রাত্রির মনের মেজাজ। আবেগের ঘনীভূত মুহূর্ত চলমান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৭ | নাহিদার আঘাত আর রাত্রির অপরাধবোধ

নাহিদা মাথার ক্ষত নিয়ে জাগেন এবং রাত্রিকে কোলে ঘুমাতে দেখে মমতা দেখান। নিভ্রান মাকে অপমান করায় রাত্রি বিচলিত হয়, আর নিভ্রান স্বীকার করে শপিং ব্যাগ ছুড়ে মায়ের মাথায় আঘাত হয়েছে। রাত্রি গভীর অপরাধবোধে ভোগে, মনে করে তার জন্যই এই বিভেদ।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৬ | নিভ্রানের মাতাল রাত আর রাত্রির যত্ন

নিভ্রান মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় রাত্রিকে আকর্ষণের সীমানা ছাড়িয়ে স্পর্শ করে, কিন্তু রাত্রি তাকে শান্ত করে ঘুম পাড়ায়। ভোরে ঘুম ভাঙার পর সে দেখে রাত্রি তার মায়ের কোলে ঘুমাচ্ছে, যা তাকে হতবাক করে। নিশাদের মাধ্যমে তার ঈর্ষা ও পরিহাস শুনে নিভ্রান মনে মনে হাসে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৫ | রাত্রির ভয় আর নিভ্রানের আকুতি

নিভ্রানের ছোট ভাই নিশাদ রাতের বেলা রাত্রিকে ডেকে আনে জরুরি ডাকে। ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সে নিভ্রানের বাসায় পৌঁছয়, যেখানে নিভ্রান মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছে। রক্তাক্ত পা নিয়েও সে রাত্রিকে ছাড়তে চায় না। বৃষ্টির রাতে নিভ্রান বলে—“ঘরে বৃষ্টি আসুক, ভালোবাসার মানুষটাও আসুক।”

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৪ | রাত্রির অশ্রু আর নিভ্রানের আবেগঘন মুহূর্ত

রাত্রি নিভ্রানের সামনে কাঁদতে থাকে, অপমান ও আবেগের মাঝে ভেঙে পড়ে। নিভ্রান তাকে জোরে বুকে জড়িয়ে ধরে বলে—”আমার কাছে সবচেয়ে দামি ‘আপনি’।” পার্কের বেঞ্চে আবেগের তীব্র টানাপোড়েনের পর রাত্রি মানে নিভ্রানের সাথে আবার সম্পর্কের শুরু। সাত দিন পর রহস্যময় ফোনে ডাক পড়ে তার কাছে।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১৩ | নিভ্রানের রাগ আর রাত্রির যন্ত্রণা

নিভ্রান মায়ের বিরুদ্ধে রাগে গ্লাস ভাঙে, রাত্রির প্রতি আকর্ষণে অনড়। রাত্রি ঘামে ভিজে জাগে, টাকা গোনে। সন্ধ্যায় নিভ্রান তাকে জোর করে ধরে, কব্জিতে যন্ত্রণা দেয়। তীব্র আবেগ, অভিমান আর ভালোবাসার সংঘাতে দুজনের মন উদ্বেল।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১২ | নাহিদার বিরুদ্ধে রাত্রির প্রতিরোধ

নাহিদা রাত্রিকে অপমান করলেও রাত্রি কোনো ভয় দেখায়নি। নিভ্রানের সামনে তার মায়ের কঠোর মনোভাব ও সামাজিক বিচার উসকানি দেয়। রাত্রি নীরবে চলে যায়, কিন্তু মনে জাগে আত্মসম্মানের লড়াই। নিভ্রান বিচলিত, আর রাত্রি ভাবে—গরীবি কি তাকে নিভ্রানের প্রেমের যোগ্য না করে?

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১১ | নিভ্রানের মা আর রাত্রির অপমান

নিভ্রানের মা নাহিদা হঠাৎ আসেন এবং রাত্রিকে ঘুমাতে দেখে ভাবেন তারা একসাথে ছিল। তিনি রাত্রিকে নির্লজ্জ বলে তিরস্কার করেন, যা রাত্রিকে গভীরভাবে আঘাত করে। নিভ্রান সব বুঝাতে চান, কিন্তু রাত্রি অপমানিত বোধ করে চলে যেতে চান।

এ শহরে বৃষ্টি নামুক | পর্ব ১০ | রাত্রির কাঁপা কন্ঠ আর নিভ্রানের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

বৃষ্টিভেজা রাতে রাত্রি আর নিভ্রানের মধ্যে আবেগের তীব্র টানাপোড়েন। নিভ্রানের চুলের গন্ধে মাতোয়ারা রাত্রি, নিভ্রানের আবেগঘন স্পর্শে কাঁপা কন্ঠ। রাত বারোটার ঘড়ি দেখে আতঙ্কিত রাত্রি নিভ্রানের ফ্ল্যাটে আশ্রয় নেয়। সকালে ঘুমন্ত রাত্রিকে দেখে নিভ্রানের মনে হয়—সাদা মেঘ নেমে এসেছে তার বিছানায়।